ইতিহাস

চাণক্য

চাণক্য

প্রাচীন ভারতের একজন শিক্ষক এবং একাধারে অর্থনীতিবিদ, দার্শনিক, আইনজ্ঞ এবং রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন চাণক্য (Chanakya)। তিনি ‘কৌটিল্য’ বা ‘বিষ্ণুগুপ্ত’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তাঁকে আধুনিক ভারতের অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতক থেকে তৃতীয় শতকের মধ্যে তিনি ভারতের  প্রথম রাজনৈতিক গ্রন্থ ‘অর্থশাস্ত্র’ রচনা করেন। মৌর্য বংশের রাজা প্রথম চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের উত্থান ও নন্দ সাম্রাজ্যের পতনের জন্য চাণক্যের কূটনৈতিক বুদ্ধির প্রয়োগ সারা পৃথিবীতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের কাছে একটি দৃষ্টান্ত স্বরূপ। তিনি প্রথম চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ও তাঁর ছেলে বিন্দুসারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। বর্তমান সময়েও সমগ্র ভারতে তাঁর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নীতিগুলি সমানভাবে সমাদৃত।

খ্রিস্টপূর্ব ৩৭৫ অব্দে তক্ষশীলা নগরে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ বংশে চাণক্যের জন্ম হয়। তাঁর বাবার নাম কাণক ছিল বলে অনুমান করা হয়। তিনি তিনটি বেদে পারদর্শী ছিলেন বলে তাঁকে ‘ত্রিবেদী’ নামেও চেনা যায়। কথিত আছে, বত্রিশটি দাঁত নিয়েই জন্ম নিয়েছিলেন তিনি। শৈশবেই পিতৃহারা হন চাণক্য। ছোট থেকেই তাঁর আচার-আচরণ ও স্বভাবের  মধ্যে একজন দক্ষ প্রশাসকের পরিচয় পাওয়া যেত। তাঁর প্রিয় খেলা ছিল রাজা রাজা খেলা। কখনও সমবয়সীদের নিয়ে রাজপারিষদ গঠন করে রাজ্য পরিচালনা করতেন তিনি, আবার কখনও একজনকে রাজা করে যুদ্ধবিদ্যা ও আত্মগোপন করার কৌশল শেখাতেন। কখনও আবার বন্ধুদের সঙ্গে শাস্ত্র আলোচনা করে তাঁদের ধর্মোপদেশ দিতেন চাণক্য। তিনি নিজে জ্ঞানত কোনও অন্যায় করতেন না বা অন্যায় হতে দেখলে তাঁর প্রতিবাদ করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও বুদ্ধিমান। তক্ষশীলা মহাবিহার ছিল সেই যুগে বিদ্যাশিক্ষার অন্যতম পীঠস্থান। তিনি তক্ষশীলায় অধ্যয়ন করে নিজস্ব বুদ্ধি ও মেধার দ্বারা পন্ডিত হয়ে ওঠেন।


এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com


 

তক্ষশীলায় নিজের বিদ্যা সম্পূর্ণ করার পরে সেখানেই শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন তিনি। তাঁর উল্লেখ্যযোগ্য কাজ ‘অর্থশাস্ত্র’ নামে এক সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা যা পরবর্তীকালে ভারতের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চাণক্যের লেখা ‘অর্থশাস্ত্র’-এ অর্থনৈতিক নীতি এবং সামরিক কৌশল লিপিবদ্ধ আছে। এতে আইন, দেওয়ানি ব্যবস্থা, বাজার ও বাণিজ্য নীতি, যুদ্ধের তত্ত্ব, সরকারের দায়িত্ব এবং কূটনীতি তত্ত্বের উল্লেখ আছে। দুর্ভিক্ষ, মহামারী ও যুদ্ধকালে রাজার কর্তব্য ও সামাজিক কল্যাণের বিযয়গুলি এতে লিপিবদ্ধ আছে। এই গ্রন্থটির শেষে তিনি একটি শ্লোকে নিজেকে ‘বিষ্ণুগুপ্ত’ নামে পরিচয় দিয়েছেন। চাণক্যের লেখা অন্য একটি গ্রন্থ ‘চাণক্য নীতি’তে তাঁর উল্লিখিত নীতিগুলি ভারতীয় সমাজ, রাজনীতিতে গভীরভা‌বে প্রভাব বিস্তার করেছিল। তিনি ছয়শোটি শ্লোকে নীতিশাস্ত্র প্রণয়ন করেছিলেন। এতে তিনি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিধান দিয়েছেন। তাঁর মতে, সাফল্যের পথ খুব কঠিন নয়। কিন্তু সাফল্য পাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম ও শৃঙ্খলা প্রয়োজন। তিনি সমাজে বসবাসকারী সকলের জন্যই নীতিকথা লিখে গিয়েছেন। চাণক্য লিখেছেন উচ্চবংশে জন্মগ্রহণ করেও মানুষ যদি বিদ্যাহীন হয়, তাহলে কোথাও সে সম্মান পায় না, কিন্তু যদি হীনবংশে জন্ম নিয়েও শাস্ত্রজ্ঞান লাভ করে মানুষ, তাহলে দেবতাগণও তাঁকে সম্মান করেন। তাছাড়া একজন বাবার প্রতি তিনি লিখেছেন পাঁচ বছর অবধি সন্তানকে স্নেহ দিয়ে মানুষ করবে তাঁর বাবা, দশ বছর অবধি তাঁকে কঠোরভাবে শাসন করে ষোল বছর বয়স থেকে তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করবেন তিনি। বাবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য পুত্রকে ভাল শিক্ষাদান করা। কার্যসিদ্ধির ক্ষেত্রে তাঁর পরামর্শ ছিল শুধু ইচ্ছের দ্বারা কার্যসিদ্ধি হয় না, কার্যসিদ্ধি হয় প্রচেষ্টার মাধ্যমে। শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর নির্দেশ ছিল বিদ্যার্থীদের কাম, ক্রোধ, অতিরিক্ত আহার, নিদ্রা, অতিরিক্ত সাজ, শৃঙ্গার ইত্যাদি ত্যাগ করা প্রয়োজন। এগুলি বিদ্যাশিক্ষার ক্ষেত্রে পরম শত্রু। যে কোন পরিস্থতিতে নিজের বু্দ্ধির উপরে বিশ্বাস রাখতে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন। সেই উদ্দেশ্যে তাঁর বাণী হল বুদ্ধিই সর্বশ্রেষ্ঠ বল। মূর্খ ব্যক্তির শারীরিক বল থাকলেও সে অকৃতকার্য হয়, কিন্তু বুদ্ধিমান ব্যক্তির শারীরিক বল না থাকলেও সে অসাধ্য সাধন করতে পারে।  বহু বছর আগে এইরূপ নীতিবাক্যের মাধ্যমে তিনি সমাজ, পরিবার ও রাজতন্ত্রের প্রতি সুশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর নীতিবাক্যগুলি আজকের সমাজেও সম্মানের সঙ্গে গৃহীত হয়।

চাণক্যকে নিয়ে সঠিক তথ্যের অভাব রয়েছে। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে নানা রকমের কাহিনী বর্ণিত আছে চাণক্যের জীবনী নিয়ে। জৈন সংস্কৃতি, বৌদ্ধ সংস্কৃতি, কাশ্মীরি সংস্কৃতি, ‘মুদ্রারাক্ষস’ গ্রন্থেও চাণক্য ও চন্দ্রগুপ্তের সাক্ষাতের কাহিনী নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ঘটনাবলী  লিপিবদ্ধ রয়েছে। চন্দ্রগুপ্তের পরিচয় কোথাও গ্রাম্য বালক, আবার কোথাও তিনি মগধের সম্রাটের বৈমাত্রেয় ভাই যাঁকে অন্যায়ভাবে তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। চন্দ্রগুপ্ত তাঁর নিজস্ব অধিকার ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যে এবং চাণক্য তাঁর অপমানের প্রতিশোধ নিতেই নন্দ বংশের পতন ঘটিয়েছিলেন বলে মনে করা হয়। মগধের সম্রাট নন্দ বংশের রাজা ধননন্দ  ছিলেন অত্যন্ত অত্যাচারী ও লোভী। সাধারণ মানুষ তাঁকে অপছন্দ করতেন তাঁর নীতি ও দুর্ব্যবহারের জন্য। রাজা ধননন্দ স্থির করেন তিনি তাঁর পিতৃপুরুষের শ্রাদ্ধের আয়োজন করবেন এবং সেই উপলক্ষ্যে তিনি যথার্থ পন্ডিত ব্যক্তির সন্ধান করতে থাকেন। চাণক্য সেখানে পুরোহিত রূপে উপস্থিত হন, কিন্তু একজন কুৎসিত ব্রাহ্মণকে দেখে রাজা ধননন্দ অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হন এবং তিনি ব্রাহ্মণ চাণক্যকে তাঁর আসন থেকে উৎখাত করে প্রাসাদের বাইরে বের করে দেন। এই রূপজনিত অপমানে চাণক্য তাঁর মাথার শিখা খুলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন, যতদিন পর্যন্ত তিনি নন্দবংশের পতন না ঘটাতে পারছেন ততদিন তিনি তাঁর শিখা বাঁধবেন না। রাজপ্রাসাদ থেকে বিতাড়িত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় মহানন্দের পুত্র পর্বত চাণক্যকে সাহায্য করেন এবং বাবার বিরুদ্ধে চাণক্যের সঙ্গে সন্ধি করেন। পথে তিনি একটি বালকের সন্ধান পান যার মধ্যে তিনি ভবিষ্যতের রাজা হওয়ার সমস্ত লক্ষণ দেখতে পান। তিনি তাঁকেও সঙ্গী করে তক্ষশীলায়  নিয়ে আসেন এবং আইন, রাষ্ট্রনীতি, গণিত, ইতিহাস ও যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী করে তোলেন। এই বালকই ভবিষ্যতে রাজা চন্দ্রগুপ্ত নামে মগধের সিংহাসনে বসেন। চাণক্যকে নিজের গুরুর আসনে অধিষ্ঠিত করে চন্দ্রগুপ্ত তাঁর আনুগত্য স্বীকার করেন।

চাণক্য চন্দ্রগুপ্তকে দেশের উন্নতি সাধনে একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে প্রজাপালনের পাঠ দান করেন। সেই সময় ম্যাসিডনের রাজা আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করেন। রাজা অম্ভি আলেকজান্ডারের কাছে আত্মসমর্পণ করলেও রাজা পুরু আলেকজান্ডারের সঙ্গে যুদ্ধ করেন। নন্দবংশের পতনের জন্য চাণক্য আলেকজান্ডারের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করতে তৎপর হন। হিমালয়ের কাছে অধুনা পাঞ্জাব প্রদেশে আলেকজান্ডারের কাছে চন্দ্রগুপ্তকে পাঠান চাণক্য যুদ্ধনীতি শেখার জন্য। কিন্তু আলেকজান্ডার তাতে ভয়ানক ক্ষুব্ধ হয়ে চন্দ্রগুপ্তকে ফেরত পাঠান। এই ঘটনায় দমে না গিয়ে চন্দ্রগুপ্ত আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাসের কাছে গিয়ে অনুনয় করেন তাঁকে যুদ্ধবিদ্যা শেখানোর জন্য। সেলুকাস ছিলেন যুদ্ধবিদ্যা, রণকৌশল নীতিতে শ্রেষ্ঠ এবং তাঁর স্বভাব ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ।  তক্ষশীলার অধ্যয়ন শেষে চন্দ্রগুপ্ত গোপনে সেলুকাসের কাছে যুদ্ধকৌশল ও রণনীতি আয়ত্ত করেন। তাঁর শিক্ষা শেষে চন্দ্রগুপ্ত  চাণক্যের কাছে ফিরে যান। চাণক্য ও চন্দ্রগুপ্ত দুজনে চোর, ডাকাত, শকদের নিয়ে স্বতন্ত্র এক সেনাবাহিনী তৈরি করে পাটলিপুত্র আক্রমণ করেন। কিন্তু উপযুক্ত পরিকল্পনার অভাবে অসফল হয়ে প্রাণ হাতে করে ফিরে এলেন। নিজের অসফলতা থেকে শিক্ষা নিয়ে চাণক্য নতুন করে নীতি নির্ধারণ করেন। ছোট ছোট রাজ্যগুলির সঙ্গে সন্ধি স্হাপন করে তাঁদের সাহায্যে নিজেদের আত্মশক্তি বৃদ্ধি করেন। এর সঙ্গে তিনি পেলেন হিমালয় অঞ্চলের  শাসক প্রভাতকে। গুপ্তচর বাহিনী তৈরি করে মগধের উপর নিয়মিত নজরদারি শুরু করলেন চাণক্য। মগধের রাজার বিরুদ্ধে জনরোষ ও নিজেদের অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এক কৌশলী আক্রমণ হানলেন চন্দ্রগুপ্ত মগধের রাজা ধননন্দের উপরে। জয়ী হলেন চন্দ্রগুপ্ত এবং পরাজয় স্বীকার করে ধননন্দ দেশ ছাড়লেন। ধননন্দের মেয়ে দুর্ভারার সঙ্গে চন্দ্রগুপ্তের বিবাহ দিয়ে চাণক্য তাঁর কূটনৈতিক বুদ্ধির পরিচয় দিলেন। পরাজিত রাজা ধননন্দের মন্ত্রী রাক্ষস ও অন্যান্য প্রদেশের রাজারা একসঙ্গে যৌথ প্রয়াসে চন্দ্রগুপ্তকে হত্যার পরিকল্পনা করতে লাগলেন। কিন্তু চাণক্য তাঁর গুপ্তচর বাহিনীর সাহায্যে ও নিজের বুদ্ধিবলে চন্দ্রগুপ্তর রক্ষাকবচ হয়ে ওঠেন। মূলত চাণক্যের পরামর্শ ও বুদ্ধিবলে পারস্যদেশ অবধি নিজের সীমানা বিস্তার করতে সক্ষম হন চন্দ্রগুপ্ত।

চব্বিশ বছরের সুশাসন ও রাজত্বের শেষে চন্দ্রগুপ্ত বিদায় নিলেন সিংহাসন থেকে। তারপর চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পুত্র বিন্দুসার রাজা হন এবং চাণক্য তাঁর জীবনের শেষ দিন অবধি বিন্দুসারের প্রধান রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে তাঁকে সমস্ত দিক দিয়ে নিরাপত্তা দিয়ে রেখেছিলেন।

চাণক্যের রহস্যময় জীবন নিয়ে বিভিন্ন নাটক, চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। ১৯১১ সালে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় একটি নাটক লেখেন ‘চন্দ্রগুপ্ত’ নামে যার কিছুটা সত্য ঘটনা এবং বাকিটা কল্পকাহিনী নিয়ে চাণক্য সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়। ১৯৭৭ সালে আক্কিনেনি নাগেশ্বর রাও একটি তেলেগু ছবি করেন যার নাম ‘চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত’। এই চলচ্চিত্রে চাণক্যের ভূমিকায় অভিনয় করেন বিখ্যাত অভিনেতা এনটি রামা রাও। ১৯৯১ সালে একটি টিভি সিরিজ মুক্তি পায় ‘চাণক্য’ নামে। ‘মুদ্রারাক্ষস’ নামে একটি সংস্কৃত নাটকের উপর ভিত্তি করে চাণক্যের জীবনী ও সময়কাল নিয়ে এই টিভি সিরিজটি নির্মিত হয়েছিল। ২০১৫ সালে কালারস টিভিতে ‘চক্রবর্তী অশোক সম্রাট’ নামে একটি টিভি সিরিজ চালু হয় যাতে মৌর্য সাম্রাজ্যের উত্থানে চাণক্যের ভূমিকা দেখানো হয়। রাধাকৃষ্ণণ পিল্লাই চাণক্যকে নিয়ে কতগুলি বই লিখেছেন যার মধ্যে অন্যতম হল ‘চাণক্য ইন দ্য ক্লাসরুম: লাইফ লেসনস ফর স্টুডেন্টস’, ‘চাণক্য ইন ইউ’, ‘ব্যবস্থাপনায় কর্পোরেট চাণক্য’ এবং নেতৃত্বের উপর ‘কর্পোরেট চাণক্য’, ‘চাণক্য নীতি : সাফল্যের কৌশল’, ‘চাণক্য অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ ওয়ার’ ইত্যাদি।

আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২৮৩ অব্দে চাণক্যের মৃত্যু হয়।

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

বিধান রায় ছিলেন আদ্যোপান্ত এক রসিক মানুষ। তাঁর রসিকতার অদ্ভুত কাহিনী



বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন