সববাংলায়

টুসু গান || তুষু গান

বাংলার প্রাচীন লোকসংস্কৃতির ধারাগুলির মধ্যে লোকসঙ্গীতের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। কোন কোন প্রকারের লোকসঙ্গীত আবার নির্দিষ্ট কিছু লোকউৎসবের সঙ্গে জড়িত। তেমনই একরকম গান হল টুসু গান (Tusu Song), যা মূলত প্রান্তিক জনজাতির টুসু পরবের গান। এই টুসু পরব পৌষ মাসের সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে পালিত হয়ে থাকে। এই পরবকে কৃষিকেন্দ্রিক পরবই বলা চলে। এই উৎসবটি পালনের সময় টুসু দেবীর অবয়ব গড়ে নেওয়া হয়৷ সেই দেবীকে কেন্দ্র করেই রচিত হয়েছে নানারকম সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনাভরা সব গান, যার মধ্যে পল্লীবাংলার মানুষের দৈনন্দিন যাপনের চিত্র স্পষ্ট হয়ে আছে। বাংলার সামাজিক ইতিহাসকে গভীরভাবে জানতে এবং বুঝতে গেলে এই ধরনের লোক-উপাদানগুলিকে এড়িয়ে গেলে চলবে না, নতুবা সেই ইতিহাস হবে অপূর্ণ৷ টুসু গানের যে প্রাচীন ঐতিহ্য তা বাংলার এক নিজস্ব সম্পদ, যদিও এই ধরনের লোক সম্পদগুলি আজকের তথ্যপ্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান পৃথিবীতে বিলুপ্তির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

‘টুসু’ শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে গবেষকদের নানারকম মতামত প্রচলিত। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয় ধানের যে তুষ তা থেকেই টুসু নাম এসেছে। কোথাও কোথাও সেই কারণে টুসুর বদলে তুষু উৎসব বলা হয়ে থাকে। সেই জন্য টুসু দেবীর মূর্তি হিসেবে তুষের তৈরি অবয়বকেই কল্পনা করে নেওয়া হয়। ড. সুহৃদকুমার ভৌমিক কোল জনগোষ্ঠীর ‘টুসা’ (টুসাউ) শব্দটি থেকে টুসুর উদ্ভব বলে মনে করেন। কোল ভাষায় এই টুসা শব্দের অর্থ হল, ফুলের গুচ্ছ। আবার আদিবাসীদের কাছে টুসু শব্দের অর্থ হল পুতুল। তাই ড. প্রবোধকুমার ভৌমিক মনে করেছেন মুন্ডারি ভাষায় পুতুলবাচক সেই টুসু শব্দটি থেকেই এই টুসু কথাটি এসেছে। দীনেন্দ্রকুমার সরকার আবার সম্পূর্ণ অন্যরকম এক মত পোষণ করেন। তাঁর মতে, ‘টেষুব’ বা ‘টেষুবু’ থেকে টুসু নামটির উদ্ভব হয়েছে। বৃষবাহন ত্রিশূলধারী শিবমূর্তির আদিরূপ হল মিশরের দেবতা টেষুব বা টেষুবু। তিনি মনে করেন পরে টুসু নারী দেবতা রূপে গড়ে উঠলেও এর আদিতে ছিলেন ওই পুরুষ দেবতা। আবার তিষ্যা বা পুষ্যা নক্ষত্রের নাম থেকে টুসু নাম এসেছে বলেও কেউ কেউ মনে করেন৷ এভাবেই টুসু নামের উৎপত্তি নিয়ে নানারকম মত প্রচলিত রয়েছে, তবে তুষ থেকেই টুসু নাম এসেছে বলেই অধিকাংশের মত। কোথাও কোথাও যেমন বাঁকুড়ায় টুসু নয়, তুষু নামই প্রচলিত।

মূলত কুমারী মেয়েরাই এই টুসু দেবীর পূজা করে থাকে৷ অগ্রহায়ণ মাসের সংক্রান্তির রাত থেকে শুরু হয়ে সারা পৌষমাস জুড়ে এই পূজা চলে এবং পৌষের সংক্রান্তির দিন টুসু দেবীকে বিসর্জনের মাধ্যমে এই পরবের সমাপ্তি ঘটে। প্রদীপ সজ্জিত মাটির সরাতে, যাকে টুসু খোলা বলা হয়ে থাকে, তুষ ও তুষলি রেখে ফুল দিয়ে সাজিয়ে পৌষ মাসের প্রত্যেক রাতে গান গেয়ে টুসু দেবীর আরাধনা করা হয়ে থাকে। টুসু পূজার কিন্তু শাস্ত্রীয় বিধান ও মন্ত্র নেই, টুসু গানগুলিই এই পূজার মন্ত্রস্বরূপ। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ইত্যাদি জেলাগুলিতে এই টুসু পরব দেখতে পাওয়া যায়৷

টুসুকে কেন্দ্র করে কিছু কিংবদন্তি প্রচলিত রয়েছে।

প্রথম লোককাহিনি অনুসারে, টুসু ছিল জঙ্গলমহলের কুড়মি-মাহাতো সম্প্রদায়ের মেয়ে। সেই সম্প্রদায়েরই এক যুবকের সঙ্গে ছিল তাঁর প্রেম। মুসলমান আক্রমণে টুসু ও তার প্রেমিক দুজনেই বন্দী হয়, তবে অল্প সময় পরে ছাড়াও পেয়ে যায়। কিন্তু ফিরে গেলে কুড়মি-মাহাতো সম্প্রদায় আর তাদের গ্রহণ করেনি। টুসুর সেই প্রেমিক তখন গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী হয়ে যায় এবং বিরহ বেদনায় টুসু ঘর ছেড়ে চলে যায়। জঙ্গলমহলের সুবর্ণরেখা নদীর তীরে দুজনের পুনরায় মিলন হয়েছিল। তবে অনাহারে, অনিদ্রায় দীর্ঘদিন থাকার ফলে ক্লান্ত, অবসন্ন টুসু মিলনের সময়তেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিল।

আরেকটি কিংবদন্তি অনুসারে, মুসলমানরা জঙ্গলমহল আক্রমণ করলে কুড়মি-মাহাতো সম্প্রদায়ের মেয়ে টুসুকে নিয়ে তার বাবা জঙ্গলে পালিয়ে যান এবং এক সাঁওতাল সমাজের কাছে আশ্রয় চান। সাঁওতালরা টুসুর ইজ্জত রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তীর ধনুক নিয়ে প্রাণপণ যুদ্ধ করে। কিন্তু ইজ্জত বাঁচানো সম্ভব নয় বুঝতে পেরেই টুসু সুবর্ণরেখা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিল।

এই লোককথাগুলিকে অবশ্য অনেক গবেষক আমল দিতেই চান না। তাঁরা বলে থাকেন, টুসু হল জঙ্গলমহলের আদিবাসী সমাজের একান্ত নিজস্ব লৌকিক দেবী।

টুসু পরবের সময় যে টুসু গান গাওয়া হয়, তা এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে গাওয়া হয়ে থাকে। তবে মূলত এটি সমবেতভাবেই গাওয়া হয়। টুসুর সান্ধ্য আসরে গান জমে ওঠে। টুসু পূজার ব্রতচারিণী প্রথমে টুসুর জাগরণী গান গেয়ে থাকেন। কেবল একটি স্থানে নয়, মেয়েরা এবাড়ি ওবাড়ি দল বেঁধে ঘুরে ঘুরে টুসু গান গায়। এক পাড়ার মেয়ে অন্য পাড়াতে চলে যায় গান শোনাতে। প্রৌঢ়া বা বৃদ্ধারাও এই গানে যোগ দেয়। তবে কেবল মেয়েরাই নয়, অনেক সময় ছেলের দলও পরম উৎসাহে টুসু গান গাইতে থাকে।

টুসু গানে সাধারণত কোন ভণিতা লক্ষ করা যায় না। এক দুই পংক্তির টুসু গান যেমন আছে, তেমনই আছে আট-দশ পংক্তির টুসু গানও। টুসু গানে সাধারণত চার অক্ষরে চার মাত্রার ছড়ার ছন্দ ব্যবহৃত হয়। এই ছড়ার ছন্দে প্রতি পর্বের শুরুতে পড়ে শ্বাসাঘাত। মেয়েরা সহজেই সেই ছন্দের দুলুনিটা আয়ত্ত করে নিতে পারে। টুসুর চারদিকে গোল হয়ে বসে মেয়েরা এই গান গায়।

মনে রাখতে হবে, টুসু কিন্তু বৈঠকী গানও নয়, আবার কবিগানও নয়। তবে টুসু গানের সুরের মধ্যে বিভিন্ন ধরন থাকে। কখনও সুর হয় ছড়াধর্মী, কখনও বা বৈঠকী রীতিও লক্ষ করা যায়। আবার টুসু গানের লড়াইও লক্ষ করা যায়।

টুসু গানের একটি বৈশিষ্ট্য হল, গানের একটি লাইনের পুরো বা অর্ধাংশ সাধারণত পরপর দুবার গীত হয়। এই গানে কন্ঠস্বরের কারিগরি খুব একটা থাকে না, একই সুর ও লয়ে গেয়ে যাওয়া হয় একটানা। কখনও কখনও টুসু গানের মধ্যে সংলাপধর্মীতা, নাটকীয়তা ইত্যাদিও লক্ষ করবার মতো।

টুসু গানের সঙ্গে সঙ্গত হিসেবে সাধারণত কোন বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করবার নিয়ম নেই, অবশ্য অনেক জায়গায় টুসুর মেলায় বা টুসু বিসর্জনের সময় ঢোল, বেহালা, করতাল, কাড়া নাকাড়া, বাঁশি ইত্যাদি বাজানো হয়৷

টুসু গানে বিষয়ের বৈচিত্র্যও লক্ষ করবার মতো। প্রেম, বেদনা, বিরহ, বিদ্বেষ ইত্যাদি নানা ভাবের গান রয়েছে। সমাজের পুঙ্খানুপুঙ্খ চিত্র যেমন সেইসব গানে ধরা রয়েছে, তেমনই তাতে রয়েছে ব্যক্তিবিশেষের আত্মসমীক্ষারও চিত্র। নারীর রূপের যেসব অনুপুঙ্খ চিত্র রয়েছে তা সত্যিই অভাবনীয়। এছাড়াও পৌরাণিক অনেক চরিত্রকে একেবারে ঘরের মানুষের মতো করে তুলে ধরা হয়েছে টুসু গানে। মুখে মুখে রচিত এই টুসু গানের রচয়িতা সাধারণত কুমারী মেয়েরা, তাই সেইসব মেয়েদের বাসনা-কামনা আকাঙ্ক্ষার কথা টুসু গানের ছত্রে ছত্রে গ্রথিত হয়ে রয়েছে। যেহেতু নারীরাই টুসু গানের প্রধান রচয়িতা, তাঁদের চোখ দিয়েই সমাজ বাস্তবতার যেসব নানাদিক টুসু গানে প্রকাশিত হয়েছে তা স্বাভাবিকভাবেই নিরপেক্ষ নয়, বরং তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচারবুদ্ধি সঞ্জাত। কেবল পল্লীগ্রামের জনজীবনের কথাই নয়, কলকাতা শহরের খবরও টুসুগানের মধ্যে রয়েছে। স্টেশনের বাবুদের কথা যেমন রয়েছে, তেমনই কয়লাখাদের ‘ময়লাবাবু’র কথাও রয়েছে টুসু গানে। এছাড়াও নারীদের অবিবাহিত থাকার বেদনা, গ্রামঘরের অভ্যন্তরীন নানা নিষ্ঠুরতার ছবি, নারীমনের দুঃখের আরও নানা স্তর টুসু গানের পরতে পরতে লক্ষ করা যায়।

কয়েকটি সামাজিক বিষয় নিয়ে রচিত টুসু গানের উদাহরণ দেওয়া যাক৷ পিতৃহীন বালিকাকে তাঁর নিজের কাকা টাকার লোভে বিবাহ দেয় বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে এবং সেই লজ্জা, দুঃখ কুরে কুরে খায় মেয়েটিকে। এই যন্ত্রণার প্রকাশ ঘটেছে টুসুগানে—”একশ টাকা নিলি কাকা দিলিরে বুড়া বরে।/ বুড়ার সঙ্গে চলতে গেলে রাণিগঞ্জের শহরে।” আবার শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কাহিনি নানাভাবে উঠে এসেছে টুসুগানের মধ্যে, যেমন, “থাকিতে না পারি ওই শ্বশুর ঘরে/ আমি থাকবো বল কী করে/ খেতে দিতে দেরি হলে/ ঘর থেকে বাহির করে/ আবার সজনা খাড়া ভেঙে মারে/ মারে মেজ দেওরে।/ থাকিতে না পারি ওই শ্বশুর ঘরে।” অন্যদিকে আবার বিবাহিতা নারীর টুসু উৎসবের সময় বাপের বাড়ি না আসতে পারার মনোবেদনা টুসু গানের ভিতরে প্রস্ফুটিত হয়ে উঠেছে এভাবে — “এত বড়ো পোষ পরবে/ রাখলি মা পরের ঘরে/ ওমা পরের মা কি বেদন বোঝে/ অন্তরে পুড়ায়ে মারে।/ আমার মন কেমন করে,/ মাগো আমার মন কেমন করে”। এই অন্তঃপুরের দুঃখ ছাড়াও বাইরের আরও নানা ঘটনাও প্রভাব ফেলেছে টুসুগানে। আসন্ন টুসু পরবের মুখে সরকারের তরফ থেকে খাজনা চেয়ে নোটিশ দেওয়া হলে, টুসু উৎসবের আনন্দ ম্লান হয়ে আসে। টুসু গানে লেখা হয়, “পৌষ মাস পড়ল টুসু/ রাজায় মাগে খাজনা।/ গায়ের গয়না ঘুচাও টুসু/ বুঝাও রাজার খাজনা।” বাংলায় জমি নিয়ে বিবাদ সংগ্রাম, জোতদারের থেকে জমি রক্ষার জন্য কৃষকের লড়াই — সেইসব ইতিহাসের একটা সাংস্কৃতিক দলিল যেন এই টুসু গান। এই ইতিহাসের ছায়া নিম্নলিখিত টুসু গানে পড়েছে — “টুসু ইবার জাগছে চাষী, কাস্তেতে দেখ, দিচ্ছে শান/ রক্তে রুয়া ফসল তুল্যে, খামারে আজ গাইছে গান।/ কে আছে বল বাপের ব্যাটা,/ সোনার ফসল কাড়বে তার/ মহাজনের মুখ শুকালো/ গা ঢাকা দেয় জমিদার।” এককালে মানভূমের মানুষের ভাষা আন্দোলনের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্য টুসু গানের ব্যবহার করা হত।

এছাড়াও রাধাকৃষ্ণকে নিয়ে যেমন অনেক টুসু গান রয়েছে, তেমনই রামকথাও হয়ে উঠেছে টুসু গানের বিষয়। সীতার হরণ, অশোকবনে বন্দিনী সীতা ইত্যাদি নানা দৃশ্য টুসু গানে লক্ষ করা যাবে। গবেষকরা দেখিয়েছেন টুসুদেবীর সঙ্গে কখনও কখনও যেন সীতাদেবীকে এক করে ফেলা হয়েছে। সীতার অনুষঙ্গ রয়েছে এমন দুটি টুসু গানের লাইন হল – “সীতা হরণ করলে রাবণ সীতা রাখবে যতনে,/ মিনি সুতার মালা গেঁথে দুব সীতার চরণে।” এখানে উল্লেখ্য যে, রামসীতা বা রামায়ণের কথা অনেকভাবে টুসুগানে উঠে এলেও মহাভারতের প্রসঙ্গ কিন্তু সেভাবে আসেনি।

আগেই বলা হয়েছে টুসু গানের রচয়িতা সাধারণত মেয়েরা। তবে আগমনী বিজয়ার গানের রচিয়তাদের মতো তাঁরা কেউ সাধক নন, বরং সাধারণ গৃহস্থ কন্যা, যাঁরা টুসুর ব্রত করে টুসু ভজনার জন্য গান রচনা করেন মুখে মুখে। টুসু গানে ভণিতা থাকে না, ফলে সেইসব গানের মূল স্রষ্টা কে বা কারা তা জানাই দুরূহ হয়ে পড়ে। তবে টুসু গানে মাঝেমাঝেই এমন সব উপমা, অলঙ্কারের সন্ধান মেলে যা শুনে রচয়িতাদের কবি আখ্যা দিতেও ইচ্ছে হয়। তবে গীত রচয়িতারা খ্যাতি বা প্রশংসা পাবেন বলে টুসুর এই গানগুলি রচনা করেননি, করেছেন টুসু ভজনার জন্য গানের প্রয়োজন থেকে। এই গানগুলিই তো আসলে টুসুর মন্ত্র।

ভাদুর সঙ্গে সমস্বরে, প্রায় এক নিশ্বাসেই টুসু নামটিও উচ্চারিত হয়ে থাকে। ভাদু গানের মতোই টুসু গান আজও বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো জায়গায় প্রচলিত রয়েছে তবে আজকের এই টেলিভিশন, মোবাইল, কম্পিউটারের যুগে যখন মাটির সঙ্গে সংযোগই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বর্তমান প্রজন্মের, তখন টুসু গান নিয়ে উৎসাহও যে কমে যাবে তা বলাই বাহুল্য। তবুও বেশ কিছু উদ্যোগী মানুষের জন্য, টুসু পরব পালনের প্রথা আজও টিকে যাওয়ার জন্যই এখনও টুসু গানের অস্তিত্বও রয়েছে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টুসু গানের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেলেও বর্তমানে স্যোশাল মিডিয়ার যুগে ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে বেশ কিছু টুসু গান সহজেই শুনতে পাওয়া যায়। টুসু গান-সহ টুসু পরবেরও নানা ভিডিওর রেকর্ডও রয়েছে সেই মাধ্যমগুলিতে। এইসব মাধ্যমের দৌলতে টুসু শিল্পী শেফালি মাহাতো, রেনুকা সরদার, বিজয় মাহাতোদের টুসু গান সহজেই শুনতে পাওয়া যায়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

তথ্যসূত্র


  1. ‘তুষু ব্রত ও গীতি সমীক্ষা’, ড. রবীন্দ্রনাথ সামন্ত, পুস্তক বিপণি, কলকাতা, ১৩৫৮
  2. ‘টুসু’, শান্তি সিংহ, লোকসংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতি কেন্দ্র, কলকাতা, ১৪০৫
  3. http://inet.vidyasagar.ac.in
  4. https://eisamay.com/
  5. https://en.m.wikipedia.org/
  6. https://www.lokogandhar.com/

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading