ইতিহাস

ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল

ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল (Florence Nightingale) একজন কিংবদন্তি সমাজ সংস্কারক তথা পরিসংখ্যানবিদ যিনি ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন আধুনিক নার্সিং পরিষেবার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে। তাঁর জন্মদিনেই পালন করা হয় ‘আন্তর্জাতিক নার্সিং দিবস’। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহত সৈনিকদের সেবা করে সমগ্র বিশ্বে সেবাদাত্রী মহিয়সী নারী হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। তাঁর ভালোবাসা, নিষ্ঠা আর অকুণ্ঠ সেবায় আহত সেনাদের মৃত্যুহার অনেক কমে গিয়েছিল। রাতের আঁধারে আলোকশিখা নিয়ে রোগীদের দেখতে আসতেন ফ্লোরেন্স আর তাই ‘দ্য টাইম’ পত্রিকা প্রথম তাঁকে ‘দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’ উপাধি দেয়। পৃথিবীর প্রথম ধর্মনিরপেক্ষ নার্সিং স্কুল তাঁরই প্রতিষ্ঠিত। পেশাগত জীবনে পরিসংখ্যানবিদ হওয়ার সুবাদে রোগীর মৃত্যুহার, সুস্থতার হার এবং আক্রান্তের সংখ্যা ইত্যাদি তথ্য সুনিপুণ ‘পাইচার্ট’ বা ডায়াগ্রাম বা লেখচিত্রের মাধ্যমে রাণী ভিক্টোরিয়াকে বোঝাতেন তিনি। আজীবন সেবাব্রতে দীক্ষিতা ফ্লোরেন্স পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেন্ট থমাস হাসপাতাল।

১৮২০ সালের ১২ মে ইটালির ফ্লোরেন্সে একটি ধনী এবং প্রভাবশালী পরিবারে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলের জন্ম হয়। ফ্লোরেন্স শহরের নামেই তাঁর নামকরণ করা হয়। তাঁর বাবার নাম উইলিয়াম এডওয়ার্ড নাইটেঙ্গেল  এবং তাঁর মায়ের নাম ফ্রান্সিস নাইটেঙ্গেল । ফ্লোরেন্সের  দিদি গ্রিসের পার্থেনপ শহরে  জন্মগ্রহণ করেছিল বলে তাঁর নাম ফ্রান্সিস পার্থেনপ রাখা হয়। ফ্লোরেন্সের জন্মের এক বছর পর, ১৮২১ সালে তাঁর পরিবার ইংল্যান্ডে চলে যায়। সেখানে হ্যাম্পশায়ারে ফ্লোরেন্সের বাল্যকাল কাটে।

ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় তাঁর বাবার কাছেই। নারীশিক্ষায় বিশ্বাসী তাঁর বাবা ফ্লোরেন্স এবং তাঁর দিদিকে ছোটো থেকেই ইতালির ধ্রুপদী সাহিত্য, গণিতবিদ্যা, ইতিহাস, দর্শনশাস্ত্র এবং জার্মান ভাষায় শিক্ষিত করে তোলেন। বাল্যকাল থেকেই খুব মেধাবী ছাত্রী ছিলেন ফ্লোরেন্স। ছোটোবেলায় এমন কিছু ঘটনা ঘটে তাঁর জীবনে যে কারণে তিনি মানুষের জন্য কাজ করতে বদ্ধপরিকর হন। ছোটবেলা থেকেই তাঁদের এস্টেটের আশেপাশের দরিদ্র গ্রামবাসীদের সেবা করতে শুরু করেন তিনি। ফ্লোরেন্সের যখন সতেরো বছর বয়স তিনি তাঁর পরিবারকে জানান যে সেবাব্রতের এক ‘দৈব আদেশ’ পেয়েছেন তিনি, এই আহ্বানে তাঁকে সাড়া দিতেই হবে।


প্রাকৃতিক খাঁটি মধু ঘরে বসেই পেতে চান?

ফুড হাউস মধু

তাহলে যোগাযোগ করুন – +91-99030 06475


 


১৮৪৪ সালে জার্মানির কাইসারওয়ার্থে ‘লুথারিয়ান হাসপাতাল’-এ নার্সিং-এর প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেন ফ্লোরেন্স। সেই সময় তাঁর মতো অভিজাত পরিবারের মেয়েরা এই কাজে নিযুক্ত হতেন না। ফলত খুব স্বাভাবিকভাবেই বহু বাধার সম্মুখীন হতে হয় ফ্লোরেন্সকে। ১৮৫০ সালে লণ্ডনে ফিরে ফ্লোরেন্স মিডলসেক্স হাসপাতালে পরিচারিকার কাজ নেন এবং তাঁর সেবাকর্মের নিপুণতায় মুগ্ধ হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে এক বছরের মধ্যেই সুপারিনটেণ্ডেন্টের পদ দেন। সেই সময় দক্ষ হাতে কলেরা মহামারীতে আক্রান্ত রোগীদের সেবা করে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করে সুস্থ করে তুলেছিলেন রোগীদের। সেই প্রথমবার এত বড় এক সংক্রামক ব্যাধির সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি। এরপর কাজের সূত্রেই গ্রিস, ইজিপ্টের মতো বহু দেশে ঘুরতে ঘুরতে তাঁর জীবনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক ঘটনার সম্মুখীন হন ফ্লোরেন্স। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে (Crimean War) আহত সৈনিকদের শুশ্রূষা করার ব্রতে নিজেকে নিয়োজিত করেন তিনি।

১৮৫৩ সালের অক্টোবর মাসে অটোমান সাম্রাজ্যের দখলদারি নিয়ে ব্রিটিশ শক্তির সঙ্গে যুদ্ধ বাধে রাশিয়ার। হাজার হাজার ব্রিটিশ সৈন্যকে তখন যুদ্ধের কারণে ব্ল্যাক সী-তে পাঠানো হয়েছিল যেখানে না ছিল খাদ্যের যথাযথ রসদ, না ছিল ভালো পরিবেশ, এমনকি চিকিৎসার ব্যবস্থাও ছিল না বললেই চলে। ফলে ১৮৫৪ সালে প্রায় আঠারো হাজার সৈন্য যুদ্ধাহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানকার নার্সহীন-দক্ষ পরিচারিকাহীন হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর, অমানবিক পরিবেশে সেইসব সৈন্যদের অবহেলায় ফেলে রেখেছিল ইংল্যাণ্ড। ১৮৫৪ সালের শেষদিকে যুদ্ধ-সেক্রেটারি সিডনি হার্বার্টের থেকে অসুস্থ সৈন্যদের সেবা ও চিকিৎসা করার জন্য ডাক পেয়ে ফ্লোরেন্স এবং আরো আটত্রিশ জন নার্স পৌঁছে যান ক্রিমিয়ায়। ফ্লোরেন্স এবং তাঁর দল স্কুটারির সেলিমিয়ে ব্যারাকে পৌঁছে দেখেন যে, সেখানকার স্বাস্থ্যকর্মীরা আহত সৈন্যদের তেমনভাবে শুশ্রূষা করতে পারছেন না। সেখানে সঠিক ওষুধের ব্যবস্থা ছিল না, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পরিকাঠামোর অভাব ছিল আর তার ফলেই ছোঁয়াচে রোগের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছিল। ইঁদুর, ছারপোকা, মশা-মাছির প্রকোপ এতই বেশি ছিল যে আহত সৈন্যদের ক্ষত থেকে সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ক্রমেই টাইফয়েড এবং কলেরার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সামান্য ব্যাণ্ডেজ কিংবা সাবানের যোগানও দুর্লভ হয়ে পড়ে সেখানে। এমন দুরবস্থায় ফ্লোরেন্স ‘দ্য টাইমস’ সংবাদপত্রের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করলে ব্রিটিশ সরকার তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে উপযুক্ত হাসপাতাল এবং জরুরি স্বাস্থ্য-ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য উদ্যোগী হয়। সরকারের অনুদানে যে হাসপাতালটি গড়ে ওঠে তার নাম ছিল ‘রেনকিওই হাসপাতাল’। রাণী ভিক্টোরিয়াকে রোগীদের সম্পর্কে তথ্য দেবার সময় ফ্লোরেন্স তাঁর গাণিতিক পারদর্শিতা কাজে লাগিয়ে ‘পাইচার্ট’, ডায়াগ্রাম আর লেখচিত্রের সাহায্যে সুস্থতার হার, মৃত্যর হার ইত্যাদি বোঝাতেন।

যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিকরা আহত হয়ে যত না মারা যেত, তার থেকেও বেশি মারা যেত বিভিন্ন অসুখ যেমন টাইফাস, টাইফয়েড, কলেরা এবং আন্ত্রিকের প্রকোপে। ফ্লোরেন্স সেই অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতির মধ্যে দিনরাত মানুষের সেবা-শুশ্রূষা করে যান এবং ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলে সেই সব অসুস্থ সৈনিকদের জন্য সুব্যবস্থার আয়োজন করেন। সবার আগে পরিচ্ছন্ন ঘর, উপযুক্ত বলদায়ক খাদ্য, রোগীকে পরিস্কার লিনেন পরানোর জন্য পৃথক লণ্ড্রি চালু করেন তিনি। যার ফলে খুব দ্রুত সৈন্যদের অসুস্থতা এবং মৃত্যুর হার কমে আসে। কিন্তু এর জন্য তিনি কখনোই কৃতিত্ব দাবি করেননি। এখানে কাজের অভিজ্ঞতা এবং পরিকাঠামোর পরিবর্তন সম্পর্কে তাঁর অভিমত জানিয়ে ‘নোটস অন ম্যাটারস অ্যাফেক্টিং দ্য হেলথ, এফিসিয়েন্সি অ্যাণ্ড হসপিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ দ্য ব্রিটিশ আর্মি’ নামে আটশো ত্রিশ পাতার একটি প্রতিবেদন লেখেন যাকে আদর্শ করে ভবিষ্যতে ব্রিটিশ সরকার সমস্ত মিলিটারি হাসপাতালগুলির সংস্কার করে। তিনি মনে করতেন একজন রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য সবথেকে বেশি যেটা প্রয়োজন তা হল স্বাস্থ্যকর পরিবেশ আর এই কারণেই তিনি পরবর্তী জীবনে রোগীদের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেওয়ার দিকেই নজর রাখতেন বেশি। অনেক মহিলা সেই সময় ফ্লোরেন্সের ডাকে সাড়া দিয়ে সেবিকার বৃত্তি গ্রহণ করে। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় তাঁকে মানুষ ‘দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’ নামে ডাকতে শুরু করে। উল্লেখ্য যে এই নামটি প্রথম ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকায় ঘোষিত হয় ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের উদ্দেশ্যে। সেই সময় বিভিন্ন সংবাদপত্রে তাঁর কাজের প্রশংসা করে নানা লেখা প্রকাশিত হতে থাকে। রাণী ভিক্টোরিয়া তাঁর কাজে খুশি হয়ে সম্মানার্থে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার ডলার পুরস্কার দেন ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলকে।

১৮৫৫ সালের ২৯ নভেম্বর ক্রিমিয়াতে একটি জনসভায় ঠিক করা হয় যে, ফ্লোরেন্সের নাইটেঙ্গেলের নামে নার্সদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি সংস্থা খোলা হবে। সেই সংস্থাটির জন্য যে তহবিল তৈরি করা হয়, তার নাম দেওয়া হয় ‘নাইটেঙ্গেল ফান্ড’। সেই কাজে আর্থিকভাবে এবং শ্রম দিয়ে সাহায্য করার জন্য প্রচুর মানুষ এগিয়ে আসেন। সিডনি হারবার্ট ছিলেন সেই ফাণ্ডের সেক্রেটারি এবং ডিউক অফ কেমব্রিজ সেই ফান্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। নাইটেঙ্গেল ফান্ড থেকে যে অর্থ উঠে এসেছিল তা দিয়ে ১৮৬০ সালের ৯ জুলাই সেন্ট থমাস হাসপাতালে ‘নাইটেঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ (Nightingale Training School) খোলা হয় যা বর্তমানে লণ্ডনের কিংস কলেজের অংশ হিসেবে ‘ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল স্কুল অফ নার্সিং অ্যাণ্ড মিডওয়াইফারি’ (Florence Nightingale School of Nursing and Midwifery) নামে বিখ্যাত। এছাড়াও ফ্লোরেন্স ‘রয়্যাল বাকিংহামশায়ার হাসপাতাল’-এর জন্য তাহবিল তৈরি করেন।

ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল ‘মেডিকেল ট্যুরিজম’ ধারণার প্রথম প্রবক্তা। চিকিৎসার সুবাদে অন্য দেশে বা অন্য রাজ্যে গেলে কোনো রোগীকে যাতে আশাহত হতে না হয়, তার চিকিৎসার পরিকাঠামো যাতে উন্নত হয় সেই কাজটি প্রথম শুরু করেন ফ্লোরেন্স যাকে মেডিকেল ট্যুরিজম বলা হয়। ১৮৫৯ সালে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলের লেখা ‘নোট অন নার্সিং’ বইটি প্রকাশিত হয় যা আসলে তাঁর নার্সিং স্কুলের কর্মকাণ্ডের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতো। যদিও সেই বইটি মূলত লেখা হয়েছিল সেই সব মানুষদের জন্য যারা বাড়িতে বসেই নার্সিং শিখতে চায়। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নার্সিং-এর প্রয়োজন হয়, সেইসব বিশেষ বিশেষ সময়ে একজন মানুষ কী কী করবে এবং কী কী করবে না তারই নির্দেশ সেই বইটিতে দেওয়া ছিল। এই বইটিকে বর্তমানকালে নার্সিং পেশার আকর গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।

১৮৬০-এর দশকে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার অঙ্গ হিসেবে অজস্র প্রশিক্ষিত নার্স গড়ে তোলেন ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল। প্রশিক্ষিত নার্সদের সেবা-শুশ্রূষায় রোগীর সুস্থতার হার ক্রমশই বাড়তে থাকে এবং মৃত্যুর হার ক্রমশ কমতে থাকে। সেই সময় মূলত আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং বিধবা মহিলাদের উপার্জনের অন্য কোনো পথ না থাকায় তাঁরা নার্সিং পেশার সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেন। ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলের কাজ অনেক মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিল যারা আমেরিকার গৃহ যুদ্ধে আহত সৈন্যদের সেবা-শুশ্রূষা করতে এগিয়ে এসেছিল। আমেরিকার ইউনিয়ন সরকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক অনেক বিষয়ে তাঁর পরামর্শ নেয়। ফ্লোরেন্সের চিন্তাভাবনার দ্বারা ‘ইউনাইটেড স্টেটস স্যানিটারি কমিশন’ও প্রবলভাবে প্রভাবিত হয়। ১৮৮০-র দশকের মধ্যে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলের দ্বারা প্রশিক্ষিত বহু নার্স পৃথিবীর বহু দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

১৮৮৩ সালে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলকে ‘রয়্যাল রেড ক্রস’ প্রদান করা হয়। ১৯০৪ সালে ‘লেডি অফ গ্রেস অফ দ্য অর্ডার অফ সেইন্ট জন’ হিসাবে নিয়োগ করা হয় তাঁকে। ফ্লোরেন্সই প্রথম নারী যাঁকে ১৯০৭ সালে ‘অর্ডার অব মেরিট’ সম্মানে ভূষিত করা হয়। তার পরের বছর অর্থাৎ ১৯০৮ সালে লণ্ডন শহরের ‘অনারারি ফ্রিডম’ লাভ করেন ফ্লোরেন্স। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে সারা পৃথিবী জুড়ে ‘আন্তর্জাতিক ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম সচেতনতা দিবস’ এবং ‘আন্তর্জাতিক নার্সিং দিবস’ পালিত হয়।

১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লণ্ডনের সাউথ স্ট্রীট মেফেয়ারে ঘুমের মধ্যেই ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেলের মৃত্যু হয়।

  • সববাংলায় সাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আজই যোগাযোগ করুন
    contact@sobbanglay.com

  • এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

    আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

আধুনিক ভ্রূণ বিদ্যার জনক পঞ্চানন মাহেশ্বরীকে নিয়ে জানুন



ছবিতে ক্লিক করে দেখুন ভিডিও