ইতিহাস

হাইলে সেলাসি

হাইলে সেলাসি

ইথিওপিয়ার শেষ সম্রাট হিসেবে ইতিহাসে বিখ্যাত হাইলে সেলাসি (Haile Selassie)। তিনি ইথিওপিয়াকে একটি আধুনিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আফ্রিকান রাজনীতির অন্তর্ভুক্ত করেন ইথিওপিয়াকে। তিনিই ইথিওপিয়াকে ‘লীগ অফ নেশনস’ আর জাতিসংঘের আওতায় নিয়ে আসেন এবং ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা শহরে বর্তমান আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর গড়ে তোলেন। ইথিওপিয়ার রাস্তাফারি ধর্মীয় আন্দোলনের মূল প্রবক্তা ছিলেন তিনি।

১৮৯২ সালের ২৩ জুলাই ইথিওপিয়ার হারার প্রদেশের ইজারসা গোরো (Ejersa Goro) গ্রামে হাইলে সেলাসির জন্ম হয়। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল তাফারি ম্যাকোনেন (Tafari Makonnen)। তাঁর বাবার নাম ম্যাকোনেন উল্ড মাইকেল (Makonnen Wolde Mikael) এবং মায়ের নাম ছিল ইয়াশিমবেত অ্যালি (Yeshimebet Ali)। হাইলে সেলাসির বাবা ইতালি বনাম ইথিওপিয়ার প্রথম যুদ্ধে সৈন্যবাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং অ্যাডওয়ার যুদ্ধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেলাসি পরবর্তীকালে মেনেন অ্যাসফাও (Menen Asfaw) নামে এক মহিলাকে বিবাহ করেন। তাঁদের চারটি কন্যাসন্তান এবং তিনটি পুত্রসন্তান ছিল।

বাবার ব্যবস্থাপনায় হারার প্রদেশেই সেলাসিকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য একজন ইথিওপিয়ান ক্যাপুচিন সন্ন্যাসী আব্বা স্যামুয়েল উল্ড কাহিন এবং গুয়াদেলুপের একজন চিকিৎসক ডক্টর ভিটালিয়ানকে নিয়োগ করা হয়েছিল। ১৯০৫ সালের ১ নভেম্বর ১৩ বছর বয়সে সেলাসির নামকরণ করা হয় ‘দেজাজমাচ’ (Dejazmach) যার আক্ষরিক অর্থ ‘প্রবেশপথের প্রধান সেনাপতি’, প্রায় ‘কাউন্ট’-এর সমতুল্য। এর কিছুদিন পরেই ১৯০৬ সালে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়।

১৯০৬ সালে তিনি ‘সেলেল’ নামে একটি স্বল্প রাজনৈতিক গুরুত্বযুক্ত রাজ্যের শাসকের ভার গ্রহণ করেন। এই দায়িত্ব নেওয়ার পরও তিনি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পেরেছিলেন। ১৯০৭ সালে তিনি সিদামো প্রদেশের কিছু অঞ্চলের শাসক বা গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হন। সেই বছরেই তাঁর ভাই ইয়েলমার মৃত্যুর কারণে হারার প্রদেশের গভর্নরের পদটি শূন্য হয়ে যায়। তখন এই পদটি সেখানকার শাসক দ্বিতীয় মেনেলিকের অনুগত সেনাপতি দেজাজমাচ বালচা সাফোকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এই পদে সাফোর শাসন কার্যকর হয়নি। তাই দ্বিতীয় মেনেলিকের অসুস্থতা এবং সম্রাজ্ঞী তাইতু বিতুলের সংক্ষিপ্ত সময়ের রাজত্বের পর ১৯১০ বা ১৯১১ সালে হারারের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত হন হাইলে সেলাসি। লিজ ইয়াসুকে ক্ষমতাচ্যুত করার আন্দোলনে তিনি কতটা অবদান রেখেছিলেন তা ব্যাপকভাবে আলোচনা করা হয়েছে হাইলে সেলাসির নিজস্ব বিশদ বিবরণে। ইয়াসু ১৯১৩ থেকে ১৯১৬ সাল পর্যন্ত ইথিওপিয়ার মনোনীত কিন্তু মুকুটবিহীন সম্রাট ছিলেন। তাঁর পিতামহ দ্বিতীয় মেনেলিকের দরবারে কলঙ্কজনক আচরণ এবং অভিজাতদের অসম্মান করার জন্য ইয়াসুর খ্যাতি মেনেলিকের খ্যাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। এছাড়াও ইয়াসু ইসলাম ধর্মের সমর্থক ছিলেন। ইথিওপিয়ার রক্ষণশীল খ্রিষ্টান সাম্রাজ্যের মধ্যে ইয়াসুর এই ইসলামকে সমর্থন করাকে বিশ্বাসঘাতকতা বলে মনে করা হত। অবশেষে ১৯১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ইয়াসুকে পদচ্যুত করা হয়। ইয়াসুকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য যে ব্যক্তিরা আন্দোলন করেছিলেন, তাঁরাই পছন্দ করেছিলেন হাইকে সেলাসিকে কারণ তিনি রক্ষণশীল এবং প্রগতিশীল উভয় পক্ষেরই সমর্থন পেয়েছিলেন। ইয়াসুর জায়গায় সম্রাট দ্বিতীয় মেনেলিকের কন্যা সম্রাজ্ঞী জাইদিতু নাম নিয়ে সিংহাসনে বসেন এবং উত্তরাধিকারী হিসেবে সেলাসিকে মনোনীত করা হয়।

১৯১৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি জাইদিতুর রাজ্যাভিষেক করা হয়। সম্রাজ্ঞী জাইদিতু নিজের রাজ্যপ্রতিনিধি সেলাসির সাহায্যে সঠিকভাবে শাসন করবেন বলে কথা দেন। তাঁর রাজত্বকালে নতুন সম্রাট দ্বিতীয় মেনেলিকের সময় শুরু হওয়া আধুনিকীকরণের নীতি প্রবর্তন করেন। দাসত্বপ্রথাকে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করার আশ্বাস দিয়ে তিনি ১৯২৩ সালে ‘লীগ অফ নেশনস’-এ ইথিওপিয়ার অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করেন। সম্রাট দ্বিতীয় টেওড্রোস (Tewodros II) থেকে শুরু করে পরবর্তীকালের সব শাসকরাই ক্রীতদাস প্রথাকে বন্ধ করার ঘোষণা জারি করেছিলেন, কিন্তু কখনোই তা কার্যকর করা হয়নি। ১৯২৪ সালে তাফারি ইউরোপ এবং মধ্য-প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণে বেরোন। তিনি এক এক করে জেরুজালেম, আলেকজান্দ্রিয়া, প্যারিস, লুক্সেমবার্গ, ব্রাসেলস, আমস্টারডাম, স্টকহোম, লণ্ডন, জেনেভা এবং এথেন্সে ভ্রমণ করেন। তিনি এবং তাঁর অনুচরেরা বিদ্যালয়, হাসপাতাল, কারখানা এবং গির্জাগুলি পরিদর্শন করেন। সেলাসি বুঝতে পেরেছিলেন যে, অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ থেকে প্রতিষ্ঠানগুলিকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অন্তত আংশিক স্থানীয় মালিকানা থাকা দরকার। তাঁর এই আধুনিকীকরণ অভিযান সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে, তাঁরা ইউরোপ দ্বারা বেষ্টিত বলেই তাঁদের ইউরোপের মতোই অগ্রগতি প্রয়োজন। কিন্তু এটি একদিকে যেমন সুবিধাজনক, অন্যদিকে তেমনই দুর্ভাগ্যজনক। এই ভ্রমণের সময় সেলাসি জেরুজালেমের আর্মেনীয় মঠ পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি চল্লিশ জন অনাথ আর্মেনিয়ান ছেলেমেয়েকে দত্তক নেন যারা আর্মেনিয়ান গণহত্যার সময় তাদের বাবা-মাকে হারিয়েছিল। তিনি তাদের গান-বাজনা শেখার ব্যবস্থা করে দেন। এই ছেলেমেয়েগুলি পরবর্তীকালে ‘ইম্পেরিয়াল ব্রাশ ব্যাণ্ড’ গঠন করে।

১৯২৮ সালে দেজাজমাচ বালচা সাফো এক বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে আদ্দিস আবাবায় আসেন। তিনি সম্রাজ্ঞী জাইদিতুকে শ্রদ্ধা জানান, কিন্তু সেলাসিকে তাঁর উপযুক্ত সম্মান দেন না। তা সত্ত্বেও, বালচা সাফোর প্ররোচনায় জাইদিতু সেলাসিকে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগে পদচ্যুত করার চেষ্টা করেন। এতে রাজ্যের প্রজারা ক্ষুব্ধ হয় এবং তারা সেলাসিকেই সমর্থন জানায়। অনেকদিন ধরে এই অবস্থা চলার পর ১৯২৮ সালের ৭ অক্টোবর সম্রাজ্ঞী তাঁর মনোভাব পরিবর্তন করেন এবং কিছুটা বিতর্কিত ভাবেই সেলাসিকে ‘নেগাস’ (negus) উপাধিতে ভূষিত করেন, ইথিওপিয়ার স্থানীয় ভাষায় যার অর্থ ‘রাজা। সম্রাজ্ঞী জাইদিতুর মৃত্যুর পর সেলাসি নিজেকে সম্রাট বলে ঘোষণা করেন এবং ঐ সময়ই তাফারি ম্যাকনোনে থেকে ‘হাইলে সেলাসি’ নামে সিংহাসনে বসেন তিনি, ইংরেজি ভাষায় এর অর্থ ত্রয়ীশক্তি। ১৯৩০ সালের ২ নভেম্বর আদ্দিস আবাবা শহরের সেন্ট জর্জ ক্যাথিড্রাল গির্জায় তাঁর রাজ্যাভিষেক হয়। সেই সময়ের একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী এই রাজকীয় অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছিল আনুমানিক ৩০ লক্ষ মার্কিন ডলারেরও বেশি।

সেলাসি ১৯৩১ সালের ৬ জুলাই ইথিওপিয়ায় প্রথম লিখিত সংবিধানের প্রবর্তন করেন এবং দুটি কক্ষ বিশিষ্ট একটি আইনসভা নির্মাণ করেন। এই সংবিধান অভিজাত ব্যক্তিদের হাতে ক্ষমতা দিয়েছিল কিন্তু এটি গণতান্ত্রিক শাসনতন্ত্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে আভিজাত্যের মধ্যেও গণতান্ত্রিকতার প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই সংবিধান অনুযায়ী হাইলে সেলাসির বংশধরদের মধ্যে সিংহাসনের উত্তরাধিকার সীমাবদ্ধ রেখেছিল। ফলে সেলাসির খুড়তুতো ভাইয়েরা এই সংবিধানের বিরোধিতা করেছিলেন। ১৯৩২ সালে জিম্মা সাম্রাজ্যের সুলতান দ্বিতীয় আব্বা জিফারের মৃত্যুর পর জিম্মা সাম্রাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইথিওপিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৩০-এর দশকে ইথিওপিয়া নতুন ইতালিয়ান সাম্রাজ্যবাদী নকশার লক্ষ্যে পরিণত হয়েছিল। প্রথম ইতালো-আবিসিনিয়ান যুদ্ধে ইথিওপিয়ার কাছে ইতালির শোচনীয় পরাজয় এবং অ্যাডওয়ার যুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে তৎপর হয়েছিল ইতালি। ১৯৩৪ সালের ৫ ডিসেম্বর ইথিওপিয়ার ওগাডেন প্রদেশের ওয়েলওয়েলে ইতালির আক্রমণের পর হাইলে সেলাসি তাঁর উত্তরের সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ওলো প্রদেশের ডেসে-তে বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপন করেন। ইথিওপিয়ানদের তুলনায় ইতালির একটি উন্নত ও আধুনিক সৈন্যবাহিনী ছিল যার অন্তর্গত ছিল একটি বিমানবাহিনীও। ইতালিয়ান সেনাবাহিনী যুদ্ধের সময় ব্যাপকভাবে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করত, এমনকি জেনেভা সম্মেলন অগ্রাহ্য করে রেড ক্রস পরিচালিত হাসপাতালগুলিতেও আঘাত করত ইতালির বাহিনী। এরপর শুরু হয় দ্বিতীয় ইতালো-আবিসিনিয়ান যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ইথিওপিয়া জয়ী হয়, কিন্তু ইতালি এরপর আবার ইথিওপিয়া আক্রমণ করে এবং প্রথম টেম্বিয়ানের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই দ্বিতীয় যুদ্ধে ইতালি জয়লাভ করে। এর পরবর্তী কয়েকটি যুদ্ধ যথা- আম্বা-আরাডামের যুদ্ধ, টেম্বিয়ানের দ্বিতীয় যুদ্ধ এবং শায়ারের যুদ্ধে উত্তর ইথিওপিয়ান সেনাবাহিনীর পরাজয় ও ধ্বংসের পর হেইলে সেলাসি উত্তর ফ্রন্টে শেষ ইথিওপিয়ান সেনাবাহিনীর সঙ্গে মাঠে নামেন। ১৯৩৬ সালের ৩১ মার্চ তিনি দক্ষিণ টাইগ্রেতে মেচেউ যুদ্ধে ইতালীয়দের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। সম্রাটের বাহিনী পরাজিত হয় এবং বিশৃঙ্খলায় পিছু হটে। হাইলে সেলাসির সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করার সঙ্গে সঙ্গে ইতালীয়রা সশস্ত্র বিদ্রোহী রায়া এবং আজেবো উপজাতিদের অর্থ প্রদান করে তাদের সঙ্গে আকাশ থেকে আক্রমণ করেছিল। সম্রাটের বাহিনীর পরাজয়ের পর ১৯৩৬ সালের মে মাসে সেলাসিকে জোর করে নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়। তিনি ‘লীগ অফ নেশনস’-এর কাছ থেকে সাহায্য চান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তিনি সুদানে নির্বাসিত ইথিওপিয়ানদের নিয়ে একটি সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন এবং এই কাজে তিনি ব্রিটিশ সহায়তাও পান। এই ব্রিটিশ-ইথিওপিয়ান সেনাবাহিনী ১৯৪১ সালের জানুয়ারি মাসে ইথিওপিয়া আক্রমণ করে এবং বেশ কয়েক মাস পরে মুসোলিনির হাত থেকে আদ্দিস আবাবা পুনরুদ্ধার করে। হাইলে সেলাসি আবার সম্রাটের পদে অধিষ্ঠিত হন। ধীরে ধীরে ইথিওপিয়ান সমাজ ও সরকারকে আধুনিক করে তোলার চেষ্টায় তিনি সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করেন। ১৯৫৫ সালে সেলাসি একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করেন যা তাঁকে আগের মতোই ক্ষমতা প্রদান করে। কিন্তু ১৯৬০ সালের ডিসেম্বর মাসে সৈন্যবাহিনীর একটি ভিন্ন মতাবলম্বী শাখা আদ্দিস আবাবার কর্তৃত্ব লাভ করলে হাইলে সেলাসির শাসনের প্রবল বিরোধিতা শুরু হয়ে যায়। অবশেষে সম্রাটের অনুগত প্রতিনিধিদের তীব্র বিরোধিতার কারণে ওই সেনাবাহিনীকে পদচ্যুত করা হয়।

১৯৬৩ সালে ‘অর্গানাইজেশন অফ আফ্রিকান ইউনিটি’ প্রতিষ্ঠায় হাইলে সেলাসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই সংস্থার প্রথম এবং পঞ্চম চেয়ারম্যান ছিলেন সেলাসি। ইথিওপিয়ায় তাঁর শাসন ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। কিন্তু তাঁর শাসনকালের শেষের দিকে একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের হার এবং এই সমস্ত বিষয়ে রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তা ইথিওপিয়ান সেনাবাহিনীর একটি অংশকে বিদ্রোহের জন্য প্ররোচিত করেছিল। বিদ্রোহী সৈন্যরা হাইলে সেলাসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং ‘দ্য ডার্গ’ নামে একটি অস্থায়ী সামরিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে যা মার্কসবাদী মতাদর্শকে সমর্থন করেছিল। তাঁর নিজের প্রাসাদেই সেলাসিকে গৃহবন্দী করে রাখা হয় যেখানে তিনি তাঁর জীবনের শেষ দিনগুলি কাটিয়েছিলেন। সেই সময়ের সরকারি প্রতিবেদনগুলি তাঁর মৃত্যুর জন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগকে দায়ী করেছিল, কিন্তু পরে জানা যায় যে তাঁকে সামরিক সরকারের নির্দেশে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিল।

১৯৭৫ সালের ২৭ আগস্ট ৮৩ বছর বয়সে হাইলে সেলাসির মৃত্যু হয়। আদ্দিস আবাবার হোলি ট্রিনিটি ক্যাথিড্রাল গির্জায় তাঁর মৃতদেহ সমাধিস্থ করা হয়। 


এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com


 

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

সববাংলায় তথ্যভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল - যা জানব সব বাংলায়