সববাংলায়

খোয়াজ খিজির

বিভাগঃ ,

মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে একজন রহস্যময় মহাপুরুষের কথা, যিনি খোয়াজ খিজির (Khwaza Khizr) বা হযরত খিজির নামে পরিচিত। তাঁকে কেউ মনে করেন আল্লাহর নবী কেউ বা তাতে দ্বিমত পোষণ করেন। পবিত্র কোরানে তাঁকে নিয়ে বেশ কিছু ঘটনা বর্ণিত রয়েছে যেমন, তেমনই ঐশ্বরিক মহিমাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ঘিরে যেমন নানারকম কাহিনি গড়ে ওঠে খোয়াজ খিজিরের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী প্রান্তিক মুসলমান জনজাতির মানুষদের মধ্যে এই খোয়াজ খিজির বিশেষভাবে উপাস্য। তাঁকে ‘পানির নবি’ বা ‘সমুদ্রের অধিকর্তা’ বলে মনে করেন এখানকার মানুষ। আসলে তাঁর কাহিনির সঙ্গে সমুদ্র ওতপ্রোতভাবে জড়িত হয়ে রয়েছে। এককালে এই খোয়াজ খিজিরকে কেন্দ্র করে বঙ্গদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎসবও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এমন এক রহস্যময় ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আচার-উৎসবকে আবার অভিজাত মুসলমানরা অনেকেই কুসংস্কারের আওতায় গণ্য করে দূরে সরিয়ে রাখেন। তবে লোকবিশ্বাসের মধ্যে এই খোয়াজ খিজিরের মহিমা প্রচলিত রয়েছে আজও।

ঐশ্বরিক শক্তিসম্পন্ন কিংবা ঈশ্বর বা আল্লাহর বিশেষ আশীর্বাদধন্য ব্যক্তিত্বদের ঘিরে নানারকম কাহিনি, মতামত প্রচলিত থাকে। খোয়াজ খিজিরের ক্ষেত্রেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি।

প্রথমে পবিত্র কোরানের কথায় আসায় যাক। উল্লেখ্য যে কোরানের সুরা আল কাহফের ৬৫ থেকে ৮২ আয়াত পর্যন্ত মুসা এবং একজন জ্ঞানী ব্যক্তির নানা ঘটনা বর্ণিত রয়েছে। এই জ্ঞানী ব্যক্তির নাম কোরানে কিছু উল্লেখ করা নেই, তবে এঁকেই খোয়াজ খিজির নামে অভিহিত করা হয়েছে। এইরূপ নামকরণের পিছনে একটি কারণ রয়েছে। বোখারী শরীফ অনুযায়ী তিনি একদিন ঘাসপাতাহীন শুষ্ক এক স্থানে বসলে সেখানে নাকি সবুজ ঘাস গজিয়ে গিয়েছিল। যেখানেই তিনি বসতেন সেখানেই অমন সবুজ ঘাস জন্মাত। আরবিতে ‘আল খাদির’ শব্দের অর্থ হল সবুজ। এই খাদিরই ক্রমে খিজিরে রূপান্তরিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়৷ তবে খোয়াজ খিজিরের আসল নাম, তাঁর জন্ম ও বংশ নিয়ে ইসলামী পন্ডিতদের মধ্যে নানারকম মত প্রচলিত থাকলেও নিশ্চিতভাবে কোন একটিকে সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। ইবনে কাসির তাঁর আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে খোয়াজ খিজির হলেন আদমের পুত্র। এমনকি এও বলা হয় যে, খিজির ছিলের আদমের সন্তানদের মধ্যে দীর্ঘতম আয়ুর অধিকারী। কোথাও কোথাও খিজিরকে ফেরেশতা বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। কেউ আবার নবী না বলে খিজিরকে ওলী বলেছেন। কেউ বলেছেন খিজিরের আসল নাম হল, খিজির বিন কাবিল বিন আদম, কারও মতে তাঁর নাম বালিয়া ইবনে মালকান, আবার অন্য আরেক মতে তিনি হলেন, মুয়াম্মার বিন মালিক বিন আব্দুল্লাহ বিন নাসর বিন আল-আজদ। এই ধোঁয়াশার মীমাংসা করা যায় না৷

খোয়াজ খিজিরকে কেন্দ্র করে যেসব কাহিনি প্রচলিত তারমধ্যে কোরানে উল্লিখিত গল্পটির মান্যতা মুসলিম সমাজে অনেক বেশি। আগেই বলা হয়েছে কোরানে খোয়াজ খিজিরকে একজন জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কোরানের গল্পটিতে রয়েছে যে, একদিন হযরত মুসা বনী ইসরাইলীদের উদ্দেশে বক্তৃতা করছিলেন, তখন কেউ একজন তাঁকে জিজ্ঞেস করেন যে, এই জমানায় সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী ব্যক্তি কে? মুসা কোনরকম দ্বিধা না করেই অকপটে নিজের নাম বলেন এবং আরও বলেন যে, আল্লাহ তাঁকেই সর্বাপেক্ষা অধিক জ্ঞান দান করেছেন। এই উত্তরে আল্লাহ সন্তুষ্ট হননি এবং বলেন এই বিষয়টি আল্লাহের উপরেই ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল ৷ তখন আল্লাহ মুসাকে বলেন যে, দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে অবস্থানকারী তাঁর এক বান্দাই হল সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তি। মুসা তখন সেই ব্যক্তির কাছ থেকে জ্ঞানলাভের প্রার্থনা জানালেন। আল্লাহ তখন মুসাকে থলেতে করে একটি মাছ নিয়ে সমুদ্রের সঙ্গমস্থলের দিকে সফর করতে বলেন। যেখানে গিয়ে মাছটি নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে সেখানেই সেই জ্ঞানী ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যাবে, এমনটাই বলে দেন আল্লাহ। আল্লাহের নির্দেশ মতো থলেতে একটি মাছ নিয়ে রওনা দেন মুসা এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন খাদেম ইউশা ইবনে নূন। পথের মধ্যে একস্থানে এক প্রস্তরখন্ডে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েন মুসা৷ সেখানেই মাছটি হঠাৎ নড়েচড়ে উঠে থলে থেকে বেরিয়ে সমুদ্রে চলে যায়। মাছটি যে পথে গেল সেখানে সমুদ্রের জলস্রোত থেমে যায় এবং একটি সুড়ঙ্গের মতো পথ তৈরি হয়ে যায়। মুসার সঙ্গী মাছের এই চলে যাওয়ার ঘটনাটি মুসাকে বলতে ভুলে যায় এবং নিদ্রাভঙ্গের পর সেই স্থান ছেড়ে তাঁরা চলে যান। এরপর থেকেই মুসা ক্লান্ত অনুভব করতে থাকেন। আসলে আল্লাহর নির্দেশিত স্থানটি ছেড়ে চলে আসবার পর থেকেই এই ক্লান্তি ঘিরে ধরে মুসাকে। তখন একসময় তাঁর সঙ্গী মাছের চলে যাওয়ার ঘটনাটি মুসাকে বললে তাঁরা সেই প্রস্তরখন্ডের কাছে ফিরে আসে। পাথরের কাছে এসে দেখেন সেখানে এক ব্যক্তি বসে রয়েছেন। মুসা তখন সালাম জানিয়ে সেই ব্যক্তির কাছে আল্লাহর দেওয়া জ্ঞান শেখাবার অনুরোধ জানালেন এবং খিজিরের পথের সঙ্গী হতে চাইলেন। প্রথমে খিজির রাজি হতে চাননি কারণ বলেছিলেন, মুসা ধৈর্য রাখতে পারবেন না বিশেষত খিজিরের কাজেও সন্তুষ্ট হতে পারবেন না ফলে পদে পদে বাধা দিতে পারেন। তবে অনেক অনুরোধ করে এবং ধৈর্যশীলতার পরিচয় দেবেন এমন শপথ করে মুসা অবশেষে খিজিরের পথের সঙ্গী হতে পেরেছিলেন।

নদীতীর ধরে যখন তাঁরা যাচ্ছিলেন একটি নৌকা পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় খিজিরকে চিনতে পেরে নৌকায় তুলে নেন তাঁদের। বিনা পারিশ্রমিকেই সেই নৌকা তাদের নদী পার করে দিতে থাকে। মাঝপথে এক কুঠারের সাহায্যে হঠাৎ নৌকার একটি তক্তা উপড়ে ফেলে নৌকো ফুটো করে দিলেন। মুসা এতে আশ্চর্য হয়ে বলেন যারা বিনা পারিশ্রমিকে নদী পেরোতে সহায়তা করল তাদের নৌকোর এহেন ক্ষতি করার কারণ কী! খিজির তখন মুসার ধৈর্যের দিকে আঙুল তুললে মুসা ক্ষমা চেয়ে চুপ করে যান। এরপর ক্রীড়ারত এক বালকের মাথা ঘাড় থেকে উপড়ে নিয়ে তাকে হত্যা করলেন খিজির। মুসা হতবাক হয়ে আবার প্রশ্ন করেন একটি নিষ্পাপ বালকের প্রাণ নিলেন কেন এবং খিজির যে অন্যায় করলেন সেকথাও বলতে ছাড়েন না। খিজির মুসাকে পুনরায় যখন ধৈর্যের কথা বলেন, মুসা উত্তর দেন আবার যদি কোনো প্রশ্ন তিনি করেন তবে খিজির তাঁকে ত্যাগ করতে পারেন। এরপর এক গ্রামে পৌঁছে ক্লান্ত অবস্থায় খিজির এক গ্রামবাসীর কাছে খাদ্য চাইলে তারা তা দিতে অস্বীকার করে। অথচ তাঁদের একটি প্রায় ঝুলে পড়া দেওয়াল, যেটি ভেঙে পড়বার উপক্রম হয়েছিল, সেটি নিজের হাতে সোজা করে দিলেন খিজির। মুসা এই ঘটনাতেও চুপ থাকতে পারেনি, প্রশ্ন করে ফেলেছিল যে, যারা আতিথ্য দিতে অস্বীকার করল তাদের ভাঙা দেওয়াল কেন খিজির সোজা করে দিলেন। এই প্রশ্ন করায় খিজির মুসাকে পরিত্যাগ করবার সিদ্ধান্ত জানান, কিন্তু যাওয়ার আগে পথিমধ্যে ঘটা তিনটি ঘটনা বিশ্লেষণ করে দিয়ে যান তিনি। খিজির বলেন, যে নৌকো ফুটো করে দিয়েছিলেন কারণ সেখানকার বাদশা কোনো নিখুঁত নৌকো দেখলেই তা জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে নিয়ে যায়, ফুটো হয়ে যাওয়ার ফলে ওই গরীব মাঝিদের আর সেই ভয় থাকল না। দ্বিতীয়ত, বালকটিকে তিনি হত্যা করেন কারণ, সেই বালকটি ভবিষ্যতে অনেক কুকর্ম করে তার সৎ চরিত্রের বাবা-মা-এর নাম কলঙ্কিত করত। এরপর সেই দম্পতির যে সন্তান হবে সে বাবা-মা-এর নাম উজ্জ্বল করবে। তৃতীয়ত যে প্রায়-ভেঙে পড়া দেওয়ালটি তিনি সোজা করে দিয়েছিলেন সেটি ছিল দুই অনাথ কিশোরের। তাদের পিতামাতা অনেক সম্পদ ওই প্রাচীরের নীচে লুকিয়ে রেখে গিয়েছিল। আল্লাহর ইচ্ছে কিশোরদুটি বড় হয়ে ওই সমস্ত সম্পত্তির অধিকারী হোক।

কোরান শরীফের সুরা আল কাহফে এই জ্ঞানী ব্যক্তির কাহিনি এতটুকুই রয়েছে।
এই খোয়াজ খিজিরের চশমা নিয়েও একটি প্রাচীন ও সুবিখ্যাত কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। মুসা খিজিরের কাছে প্রকৃত মানুষের সন্ধান চেয়েছিলেন। খিজির তখন তাঁর চশমা মুসাকে দিয়েছিলেন এবং সেই চশমা পরে খুঁজে দেখতে বলেছিলেন। খিজিরের চশমা চোখে দিয়ে রাস্তার মানুষদের দিকে তাকাতেই মুসা দেখেন মানুষ নয়, সব গরু, ছাগল, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ হেঁটে যাচ্ছে। তখন খিজিরের দিকে তাকাতেই আশ্চর্য হয়ে মুসা দেখেন খোয়াজ খিজিরের রূপ বদলায়নি, তিনি যেমন ছিলেন তেমনই আছেন৷ মুসা বুঝতে পারেন সেই প্রকৃত মানুষ আসলে কে!

খোয়াজ খিজিরের মৃত্যু নিয়েও রয়েছে মতভেদ। সুফী ভাবধারায় বিশ্বাসী সবাই মনে করেন খিজির এখনও জীবিত রয়েছেন এবং তিনি কিয়ামত পর্যন্ত জীবিত থাকবেন। এমন ধারণার কারণ হিসেবে দেখানো হয় যে, আদমের দোয়াতে খিজির এই দীর্ঘ হায়াত পেয়েছিলেন অবশ্য এর অকাট্য প্রমাণ কিছুই নেই। দ্বিতীয় আরেকটি কারণ হল, কথিত আছে যে, জুলকারনাইন বাদশাহর সঙ্গে খিজির ‘আবে হায়াত’ বা অমৃত সুধার সন্ধান পেয়েছিলেন এবং তা পান করেই আজও জীবিত রয়েছেন তিনি। অবশ্য এই জীবিত থাকার তত্ত্বের সঙ্গে অনেক বৈজ্ঞানিক যুক্তিসম্পন্ন মানুষ একমত হতে রাজী নন।

খোয়াজ খিজিরকে ‘পানির নবী’ বা সমুদ্রের অধিকর্তা বলে মনে করা হয়। তাই দরিয়ায় নৌকা ভাসানোর আগে মুসলমান মাঝি বদর পীরের পাশাপাশি স্মরণ করেন খোয়াজ খিজিরকেও। মনে করা হয়, খোয়াজ খিজির শুধু জলের নিচের সাম্রাজ্যের শাসকই নয়, একই সাথে তিনি জলের নিচের সমস্ত সম্পদের মালিক। তাঁর চারিত্রিক গুণাবলীর মধ্যে অন্যতম হল – দরিদ্র মানুষের প্রতি সবসময় সদয় থাকা। বলা হয়ে থাকে, এক সময় যদি কোনও অভাবী লোক অর্থকষ্টে পড়ে কোনও দীঘি বা জলাশয়ের তীরে গিয়ে খোয়াজ খিজিরের কাছে সাহায্য চাইত, তখন জলের উপর একটি সোনার সিন্দুক ভেসে উঠত। সিন্দুকটি নানাবিধ রত্নসম্ভারে পূর্ণ থাকত। সেখান থেকে শুদু একটি রত্ন তুলে নেওয়া যেত। একটির বেশি রত্ন নেওয়া ছিল একেবারেই নিষিদ্ধ। শুধু মূল্যবান রত্ন দিয়েই সাহায্য করত তাও নয়। এক সময় বিভিন্ন দীঘি বা জলাশয়ের জল থেকে তৈজসপত্রও ভেসে উঠত বলেও কথিত আছে, সেগুলিও খোয়াজ খিজিরের দান বলেই মনে করা হত।

মনে করা হয় ত্রয়োদশ শতকের দিকে তুর্কি শাসকদের মাধ্যমে খোয়াজ খিজির বাংলায় প্রবেশ করে। নদনদী, খালবিল অধ্যুষিত অঞ্চলের সাধারণ মানুষেরা জলের অকল্যাণকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য জলের পীর বা রাজা খোয়াজ খিজিরের উদ্দেশ্যে বেড়া ভাসান উৎসবের আয়োজন করে থাকে। ভাদ্র মাসের শেষ বৃহস্পতিবার বেড়া বা কলার ভেলা ভাসিয়ে থাকে। বলা হয়ে থাকে, মুর্শিদাবাদ ও ঢাকার নবাব-নায়েব-নাজিমরাও খোয়াজ খিজিরের ভক্ত ছিলেন। এককালে গৌড়ের মুসলমানরা খোয়াজ খিজিরের সম্মানে বেড়া উৎসব পালন করত। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁও সেই উৎসব পালন করেছেন। কলাগাছ ও বাঁশের তৈরি নৌকায় করে কাগজের ঘর ও মসজিদ ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওয়া হত। মুর্শিদাবাদে নাকি আজও এই উৎসব পালিত হয়। এছাড়াও মোগল আমলে ঢাকাতেও সরকারের উদ্যোগে এই বেড়া উৎসব পালিত হয়েছে। উৎসব উপলক্ষে মেলাও বসত। কেবল মুসলমানই নয়, সব ধর্মের মানুষই সেই উৎসবে মিলিত হতেন। জলপথের ব্যবহার কমে যাওয়ায় এই উৎসবও আজ ম্লান হয়ে গেছে, তাছাড়া মোল্লা-মৌলভীরা একে কুসংস্কার বলে সাধারণ মানুষকে এর থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী কোন কোন অঞ্চলে আজও বেড়া উৎসব পালিত হলেও অত জাঁকজমকপূর্ণভাবে হয় না।

এতসব জল্পনা-কল্পনার বাইরেও একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় জলের সঙ্গে সংগ্রাম করে নিত্য বেঁচে থাকতে হয় যাঁদের, তাঁদের রক্ষাকারী হিসেবে তাঁদেরই হৃদয়ের গভীর বিশ্বাসে খোয়াজ খিজিরের অস্তিত্ব আজও অম্লান।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading