বিজ্ঞান

RT-PCR টেস্ট

করোনা অতিমারীর প্রভাবে প্রায় সকলেই “RT-PCR টেস্ট” কথাটি শুনে ফেলেছেন। গলা ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ইত্যাদি উপসর্গ থাকলে ডাক্তারবাবুরা চিকিৎসা শুরু করার আগে RT-PCR টেস্ট করিয়ে আসার নির্দেশ দেন। আমরা জেনে নেব RT-PCR টেস্ট কী? কেন এই টেস্টের প্রয়োজন হয়? আর এই টেস্ট করা হয় কীভাবে?

RT-PCR টেস্ট এর পুরো অর্থ হল “রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেন রিঅ্যাকশন টেস্ট” (Reverse Transcription Polymerase Chain Reaction Test)। দেহে কোনো অনু জীবাণু ( Microorganism) বিশেষত আর এন এ (RNA) ভাইরাস যেমন সার্স, রুবেলা, কোভিড ১৯ ইত্যাদির মতো ভাইরাসের অনুপ্রবেশ ঘটলে সেটি পরীক্ষার এক অব্যর্থ, অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরী পদ্ধতি হল RT-PCR টেস্ট পদ্ধতি। এই টেস্ট যে যন্ত্রের মাধ্যমে করা হয় তার নাম RT-PCR যন্ত্র (চিত্র ১ দ্রষ্টব্য)।

চিত্র ১

এই টেস্ট পদ্ধতিটি বুঝতে হলে আমাদের সংশ্লিষ্ট  কয়েকটি বিষয় আগে জেনে নিতে হবে। যেমন :

ডি এন এ (DNA) : ডি এন এ বা ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড একটি দ্বিতন্ত্রী কুন্ডলী। এটি চার প্রকার  ক্ষার (Base) – এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন, থাইমিন; একটি পেন্টোজ শর্করা (deoxy ribose) এবং একটি ফসফেট নিয়ে গঠিত। এটি জীবদেহের গঠনগত ও কার্যগত একক জীন ধারণ করে। ডি এন এ-র প্রধান কাজ দীর্ঘকালের জন্য তথ্য সংরক্ষন। ডি এন এ সরাসরি  কোনো জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পরে না। বিভিন্ন উৎসেচকের (enzymes)এর উপস্থিতিতে  রেপ্লিকেশনের মাধ্যমে এর তথ্য  নকল করে আরো  ডি এন এ তৈরী হয়। ডি এন এ সমস্ত জীব ও কিছু ভাইরাসের গঠন, বৃদ্ধি, বংশবিস্তার ইত্যাদি বিভিন্ন কার্যকারিতার জেনেটিক ইনফরমেশন বহন করে।  ডি এন এ র গঠন ও কার্যকারিতা বুঝতে পারলে রোগের ধরণ, রোগজীবাণু শনাক্তকরণ, ব্যক্তিবিশেষের ওই রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা ইত্যাদি বোঝা যায়। (চিত্র ২ দ্রষ্টব্য)

আর এন এ (RNA) : আর এন এ বা রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হল নিউক্লিক অ্যাসিড পলিমার যা রাইবোনিউক্লিওটাইড মনোমার দিয়ে গঠিত। ডি এন এ এর সঙ্গে এদের মূল তফাৎ হল এরা একতন্ত্রী, এদের পেন্টোজ শর্করা হল রাইবোজ, আর থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল থাকে। আর এন এ র প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষ।কিছু কিছু ভাইরাস আছে যাদের ডি এন এ নেই কিন্তু আর এন এ আছে অর্থাৎ আর এন এ হল এদের জেনেটিক বস্তু। যে সমস্ত আর এন এ ভাইরাস দ্বারা মানুষের রোগ সংক্রমণ হয় সেগুলি হলো – ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, ইবোলা (Ebola) ভাইরাস, করোনা ভাইরাস ( সার্স(SARS), মার্স (MERS) ইত্যাদি। SARS-CoV-2 নামক ভাইরাস কোভিড-১৯ রোগের জন্য দায়ী। (চিত্র ২ দ্রষ্টব্য)

চিত্র ২

ট্রান্সক্রিপশন : দেহের মধ্যে ডি এন এ থেকে আর এন এ তৈরীর পদ্ধতি হল ট্রান্সক্রিপশন।

রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন : ট্রান্সক্রিপশনের বিপরীত অর্থাৎ আর এন এ থেকে ডি এন এ তৈরীর পদ্ধতি হল রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন।

PCR  : পলিমারেজ চেন রিঅ্যাকশনে পলিমারেজ উৎসেচকটি (Enzyme) প্রতিনিয়ত গুণোত্তর প্রগতিতে বা জিওমেট্রিক প্রোগ্রেশনে ডি এন এ-র প্রতিলিপি (Transcript) বানিয়ে চলে। অর্থাৎ একটি থেকে দুটি, দুটি থেকে চারটি, চারটি থেকে আটটি এইরকম ভাবে ক্রমান্বয়ে ডি এন এ-র সংখ্যা কয়েক গুন বাড়িয়ে ফেলে। এইভাবে প্রায় ৩০-৪০ টি সাইকেল চলার পর যে মাত্রায় পিসিআর তৈরি হয় তা জেল (Gel) -এ দেখা যায়।

RT-PCR : এই পদ্ধতিতে দেহের কোষের মধ্যে থাকা আর এন এ-কে প্রথমে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পদ্ধতিতে ডি এন এ তে পরিণত করা হয়। তারপর পলিমারেজ উৎসেচকের সাহায্যে ডিএনএ-র প্রতিলিপি গঠন করে ডিএনএ-র সংখ্যা বহুগুণ বর্ধিত করা হয়। কোনো জিনের এক্সপ্রেশন লেভেল নির্ণয় এবং বিভিন্ন আরএনএ ভাইরাস যেমন কোভিড-১৯ পজিটিভ নির্ণয়ের একটি সংবেদনশীল ও বহুল ব্যবহৃত টেস্ট পদ্ধতি হল RT-PCR পদ্ধতি। সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার জন্য এই প্রতিলিপি গঠন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কোভিড ১৯ সংক্রমণের জন্য দায়ী SARS-COV-২ করোনা ভাইরাস একটি আর এন এ ভাইরাস। এর জিনোম আর এন এ দিয়ে তৈরী।

RT-PCR পরীক্ষা পদ্ধতি :

RT-PCR হল ভাইরাস নির্ণয়কারী নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। মোটামুটি তিন ঘন্টার মধ্যেই এই পরীক্ষা করা সম্ভব। তবে ল্যাবরেটরিগুলি পরীক্ষার জন্য ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় নিয়ে নেয়। এই পরীক্ষার জন্য প্রথমে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

নমুনা সংগ্রহ : করোনা ভাইরাস প্রধানত মানুষের শ্বাসযন্ত্রে বাসা বাঁধে। নাক ও গলা (Nasopharyngeal Bulb) থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়।স্যাম্পল সংগ্রহের সময় সংগ্রহকারীকে অবশ্যই পিপিই (Personal Protective Equipment) ব্যবহার ও অন্যান্য সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। (চিত্র ৩ দ্রষ্টব্য)

চিত্র ৩

এই নমুনাটিকে নানারকম রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পরিশোধিত করলে প্রোটিন, ফ্যাট মুক্ত বিশুদ্ধ আর এন এ পাওয়া যায়। কিন্তু এইভাবে নিষ্কাশিত আর এন এ-র মধ্যে মানুষের নিজস্ব জেনেটিক বস্তু ও ভাইরাসের জেনেটিক বস্তু আর এন এ (যদি অবশ্য ভাইরাস সংক্রমণ হয়ে থাকে) মিশ্রিত থাকে।

এরপর কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে পরীক্ষাগারে এই পদ্ধতিটি সংগঠিত হয় —

১. প্রথমে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পদ্ধতিতে সংগৃহীত আর এন এ র সাথে রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ নামক একটি উৎসেচক মেশানো হয়। এর ফলে আর এন এ থেকে ডি এন এর প্রতিলিপি তৈরী হয়।

২. এর পরের পদ্ধতি হলো পলিমারেজ চেন রিঅ্যাকশন । রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রস্তুত ডি এন এ প্রতিলিপির ওপর পলিমারেজ উৎসেচক প্রয়োগ করা হয়। PCR যন্ত্রের সাহায্যে এর পর জিওমেট্রিক প্রোগ্রেশনের হারে ডি এন এ প্রতিলিপির সংখ্যা কয়েকগুন বাড়ানো হয় । (চিত্র ৪ দ্রষ্টব্য)

চিত্র ৪

৩. প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমাদের জানা প্রয়োজন মানুষের আর এন এ এবং ভাইরাসের আর এন এ র মধ্যে কীভাবে পার্থক্য কীভাবে রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ ও পলিমারেজ উৎসেচক দুটি করে।

আসলে করোনা ভাইরাসের নিউক্লিয় ক্যাপসিড সহ আরো কিছু প্রোটিন থাকে যা কেবলমাত্র ওই ভাইরাসটির দেহেই উপস্থিত(অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট ভাইরাস স্পেসিফিক) আর মানুষের দেহে অনুপস্থিত।

৪. ওই বিশেষ প্রোটিনগুলির আর এন এ জিনোম এর যে অংশ থেকে তৈরী হয় তার দুপাশের কিছু অংশের বিন্যাস বা সিকোয়েন্স ভাইরাসটির জিনোম সিকোয়েন্সিং এর মাধ্যমে বের করা হয়।

৫. এই বিশেষ জিনগুলোর দুপাশের কিছু অংশ (-১৮-২৫ নিউ ক্লিওটাইড ) কৃত্রিমভাবে তৈরী করে পলিমারেজ উৎসেচকের সঙ্গে মিশ্রিত করে টিউবের মধ্যে দেওয়া হয়। একে বলা হয় প্রাইমার ডি এন এ (Primar DNA)।

৬. পলিমারেজ চেন রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে এরপর ওই ভাইরাস স্পেসিফিক জিনটির পরিমান বহু গুণ বৃদ্ধি করা হয়।

৭. এই প্রক্রিয়া এতটাই সংবেদনশীল যে খুব কম পরিমান ভাইরাসের আর এন এ উপস্থিত থাকলেও রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন ও পলিমারেজ চেন রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে তা বহুগুন বৃদ্ধি পাওয়ায় তার উপস্থিতি পরীক্ষায় ঠিক ধরা পড়ে।

৮. PCR করার পর বিশেষ এক ধরণের জেলের মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে PCR প্রোডাক্টকে গতিশীল করা হয়। ডিএনএ অনুগুলি ঋণাত্মক (negatively charged) তাই জেলের ধনাত্মক প্রান্তের দিকে (positively charged end) যায়। কিছু রাসয়নিক পদার্থ এবার ডি এন এ-র সাথে যুক্ত করা হয়। অতিবেগুনী রশ্মির নিচে যখন এই ডি এন এ পর্যবেক্ষন করা হয় তখন ডি এন এ স্ট্র্যান্ডগুলি স্পষ্ট ভাবে দৃশ্যমান হয়। (চিত্র ৫ দ্রষ্টব্য )

চিত্র ৫

৯. একজন মানুষের কাছ থেকে নেওয়া নমুনার ওপর সাধারণত দুটি জিনিসের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয় – ক) ভাইরাসের দুটি জিনের উপস্থিতি খ)মানুষের জিনোম স্পেসিফিক একটি জীন যা ভাইরাসের জিনোমে থাকে না।

প্রথম দুটি জিনের উপস্থিতি ভাইরাসের উপস্থিতি প্রমান করে । নমুনা থেকে ঠিকমত আর এন এ আলাদা করা থেকে শুরু করে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন এবং PCR এর সব ধাপ গুলো সম্পন্ন হয়েছে কিনা মানুষের দেহের জিনটির উপস্থিতি তা প্রমান করে।

১০.ক ) RT PCR পরীক্ষায় ভাইরাসের উপস্থিতির রেজাল্ট নেগেটিভ মানে হচ্ছে ভাইরাসের উপস্থিতি নেই। তবে নিঃসন্দেহ হওয়ার জন্য মানুষের জিনটির PCR কে কন্ট্রোল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। প্রথম দুটি নেগেটিভ কিন্তু মানুষের জিনটির উপস্থিতি পসিটিভ হলে রোগীর কোভিড-১৯ নেই ধরা হয়।
খ) প্রথম দুটি পজিটিভ আর মানুষের জিনটির উপস্থিতি অনেক সময় নেগেটিভ আসতে পারে। এক্ষেত্রে ভাইরাসের যেকোনো একটি জিনের জন্য PCR পজিটিভ এলেই নমুনা টি কোভিড-১৯ পজিটিভের তালিকায় রাখা হয়।
গ) মানুষের জিনটির উপস্থিতি অনেক সময় আর এন এ কম পরিমাণে থাকলে ধরা পড়ে না। কিন্তু যদি তিনটি PCR ই নেগেটিভ আসে অর্থাৎ ডি এন এ বৃদ্ধি হতে না পারে তাহলে পুনরায় পরীক্ষাটি করতে হবে।
ঘ) PCR এর জন্য নমুনা তৈরী করার সময় থেকে যন্ত্রে বসানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে খুব সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়, নাহলে ভুল ফলাফল (False Result) আসার প্রভূত সম্ভাবনা থাকে।

RT-PCR যন্ত্রে মালটিপ্লেক্সিং অর্থাৎ একসঙ্গে অনেকগুলি নমুনা পরীক্ষা করা যায়। তবে RT-PCR পদ্ধতিটি একটু সময় ও শ্রমসাপেক্ষ। বর্তমান অতিমারী পরিস্থিতিতে আর একটু উন্নত মানের যন্ত্র ব্যবহার হয়। এর নাম রিয়েল টাইম-RT-PCR (Real-Time-RT-PCR )।

রিয়েল টাইম-RT-PCR পদ্ধতিতে পলিমারেজ উৎসেচক, নমুনার আর এন এ ও প্রাইমারের সাথে কিছু ফ্লুরোসেন্ট রঞ্জক (Fluroscent Dye) সংযুক্ত করা হয়। পলিমারেজ উৎসেচকের সাহায্যে যখন ডি এন এ অনুর দ্বিত্বকরণ হয়, তখন এই প্রাইমার ডি এন এ র সাথে লাগানো রঞ্জকগুলি বিশেষ একটি তরঙ্গে আলোক বিকিরণ করে। রিয়েল টাইম RT-PCR যন্ত্রের মাধ্যমে তখন এটি আমরা দেখতে পাই।

ডি এন এ র সংখ্যা যত বাড়তে থাকে বিকিরণের মাত্রাও পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে। যন্ত্রের মনিটরে ডি এন এ র বৃদ্ধির পরিমাণ একটি এস(S) আকৃতির গ্রাফের মাধ্যমে সুস্পষ্ট ভাবে দৃশ্যমাণ হয়। তখন বোঝা যায় কোভিড-১৯ ভাইরাস নমুনায় উপস্থিত। যদি কোভিড -১৯ ভাইরাস নমুনায় অনুপস্থিত থাকে তাহলে ডি এন এ ও বৃদ্ধি পায় না আর এস আকৃতির গ্রাফও তৈরী হয় না। ডি এন এ র পরিমান কতটা বৃদ্ধি পেলো এই পরীক্ষায় জানা যায় বলে একে কোয়ান্টিটেটিভ RT-PCR ও বলা হয়।

কোভিড টেস্ট রিপোর্টে CT Value এর যে মাত্রা লেখা থাকে তা এই টেস্টের মাধ্যমেই জানা যায়। CT Value বা Cycle Threshold এর অর্থ হল কতগুলি সাইকেল চলার পর প্রথম সনাক্তকরণযোগ্য সিগন্যাল পাওয়া গেল। সহজেই অনুমেয় এই সংখ্যাটি যত কম হবে (ধরা যাক ১৫, ১৬) ভাইরাল লোড তত বেশি কারণ কয়েকটি সাইকেল চলার পরই ভাইরাস সনাক্ত করা যাচ্ছে। মোটামুটি ভাবে CT Value ৩৫ এর মধ্যে থাকলে তাকে কোভিড পজিটিভ হিসেবে ধরা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, CT Value কম বা বেশি নিয়ে সাধারণ মানুষের চিন্তিত হওয়ার কোন কিছু নেই কারণ টেস্টে পাওয়া ভাইরাল লোডের সঙ্গে রোগের তীব্রতার কোন সম্পর্ক এখনও অবধি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

উপরের আলোচনা থেকে বোঝা গেলো RT-PCR পদ্ধতিটি কী এবং কেন এটি করোনা ভাইরাস পরীক্ষার একমাত্র কার্যকরী ও নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা। আশা করবো খুব দ্রুত করোনার গ্রাস থেকে আমরা মুক্ত হবো। জীবন আবার আগের মতো ছন্দময় হয়ে উঠবে।

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়



তাঁর সম্বন্ধে জানতে এখানে ক্লিক করুন