ইতিহাস

শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের একজন উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেন শেখ হাসিনা ওয়াজেদ (Sheikh Hasina Wazed)। তাঁর রাজনৈতিক জীবন চার দশকেরও বেশি সময় অতিক্রম করে এসেছে। বাংলাদেশের দশম প্রধানমন্ত্রী তিনি। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে তিনিই সর্বাধিক সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। এখনও পর্যন্ত মোট চারবার তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। শেখ হাসিনা বিশ্বের সর্বাধিক প্রভাবশালী নেত্রী এবং সর্বাধিক ক্ষমতাবান মানুষদের তালিকাতেও নিজের স্থান করে নিয়েছেন। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের জীবনে বহুবার তাঁকে হত্যা করবার চেষ্টা করা হলেও তিনি দমে যাননি৷ বাংলাদেশের প্রভূত উন্নতির পিছনে এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে শেখ হাসিনার অবদান অনস্বীকার্য। 

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় শেখ হাসিনার জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান নেতা ‘বঙ্গবন্ধু’ শেখ মুজিবর রহমান এবং মায়ের নাম শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। পাঁচ সন্তানের মধ্যে হাসিনাই ছিলেন সবচেয়ে বড়ো। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা একথা জানিয়েছেন যে তাঁর বাবার রাজনৈতিক কার্যকলাপের জন্য একটি আতঙ্কের আবহাওয়ায় বেড়ে উঠতে হয়েছে তাঁকে। ১৯৬৮ সালে বাবার পছন্দ করে দেওয়া পাত্র বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী এম.এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় শেখ হাসিনার। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের সময় মুজিবর রহমান গ্রেফতার হলে হাসিনা তাঁর দিদিমার আশ্রয়ে ছিলেন। সেইসময় তিনি কারাগারে তাঁর বাবার রাজনৈতিক যোগাযোগের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য হাসিনা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের আটক করা হয়। এই মুক্তিযুদ্ধের ফলস্বরূপই বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেয়েছিল।

টুঙ্গিপাড়াতে বাল্যশিক্ষা গ্রহণের পর ১৯৫৬ সালে টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন হাসিনা। তারপর আজিমপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়াশুনার জন্য গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট কলেজে ভর্তি হন। ১৯৬৭ সালে এখানকার পাঠ শেষ হয় তাঁর৷ ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। 

ছাত্রাবস্থা থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন। গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সেখানকার ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন হাসিনা এবং এর রোকেয়া হল শাখার সম্পাদক পদে নিযুক্ত ছিলেন।সেইসময় থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে গেছেন তিনি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সামরিক অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশের সেনাবাহিনী মুজিবর রহমান এবং হাসিনার মা ও তিন ভাইকে হত্যা করে। সেইসময় হাসিনা এবং তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। জার্মানিতে তখন তাঁর স্বামী ওয়াজেদ মিয়া পারমানবিক পদার্থবিদ হিসেবে কর্মরত। এই ঘটনার পর ১৯৭৫ সালের শেষদিকে হাসিনা দিল্লিতে চলে আসেন। ছয় বছর ভারতবর্ষে রাজনৈতিক আশ্রয়ে কাটিয়েছেন তিনি। সেইসময় ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী শুভ্রা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগ ১৯৮১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে তাঁদের দলের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে। তার পরের দিনই ১৭ মে হাসিনা দেশে ফিরে আসেন।

আওয়ামী লীগের নেত্রী হিসেবে দেশে ফিরে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রস্তুুতি শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করতে থাকেন হাসিনা। ফলে তাঁকে বারবার শাসকের রোষানলে পড়তে হয় এবং তাঁকে বহুবার কারারুদ্ধ ও গৃহবন্দী করে রাখা হয়। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি এবং নভেম্বর মাসে তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছিল। ১৯৮৫ সালের ২ মার্চে পুনরায় তাঁকে আবার তিনমাসের জন্য গৃহবন্দী করে রাখা হয়। ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে পনেরো দিন তিনি গৃহবন্দী ছিলেন। ১৯৮৬ সালেই সামরিক শাসকের অধীনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে হাসিনা ও তাঁর দল আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করেছিল। এই নির্বাচনের পর তিনি তিনটি সংসদীয় আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন এবং এই নির্বাচনের পরেই দেশ থেকে সামরিক আইন প্রত্যাহার করে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিরোধী নেত্রী হিসেবে তিনি জেনারেল হুসেন মুহম্মদ এরশাদের সরকারের বিরুদ্ধে আট দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

তীব্র গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিল। তখন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের অধীনে একটি সাধারণ নির্বাচন সংগঠিত হয়। সেখানে হাসিনার প্রধান বিরোধী দল খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে জয়ী হয়। তিনটি আসনের মধ্যে দুটিতে শেখ হাসিনার পরাজয় হয়েছিল। ১৯৯১ সালে এই বিএনপি দল সরকার গঠন করলে তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে হাসিনার ওপর আক্রমণ হয়। ১৯৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন চলাকালীন তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে একবার ঈশ্বরদী রেল স্টেশনে তাঁর কামরা লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। যদিও তিনি কোনবারই গুরুতরভাবে আহত হননি। ১৯৯৪ সালে মাগুরায় অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বিএনপি দল কারচুপি ও প্রতারণার মাধ্যমে জয়ী হলে শেখ হাসিনা সংসদ বয়কট করেন এবং আওয়ামী লিগের নেতৃত্ব দিতে থাকেন।

১৯৯৫ সালের শেষদিকে আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্য পার্টির সদস্যরা সংসদ ত্যাগ করে। সংসদের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচন কেবল বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দল ছাড়া আর সমস্ত রাজনৈতিক দল বয়কট করেছিল ফলে সবকটি আসনই বিএনপি লাভ করে। হাসিনা এই নির্বাচনকে প্রহসন বলেছিলেন। তারপর সেইবছরেই ৩০ জুন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পুনরায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও হাসিনা ও আওয়ামী লীগ ১৪৬টি আসনে জয়ী হয়েছিল।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১, তাঁর প্রথম প্রধানমন্ত্রীত্বের এই সময়কালে তিনি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কাজ করেছিলেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো,  ভারতবর্ষের সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গানদীর জল ভাগাভাগি চুক্তি, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি, যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ, খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং-সম্পূর্ণতা অর্জন। এছাড়াও দুস্থ মহিলা ও বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ইত্যাদি চালু করেছিল তাঁর সরকার।

২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট ২৩৪টি আসন সহকারে জয়লাভ করে। ২০০৩ সালের শেষদিকে আওয়ামী লীগ প্রথম বৃহত্তম সরকার বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। উল্লেখ্য যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের একটি জনসভায় গ্রেনেড হামলার দ্বারা তাঁর প্রাণনাশের চেষ্টা করা হয়েছিল। ২০০৬ সালে বিএনপি-জামাত সরকারের মেয়াদ শেষে তারা ক্ষমতা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি করলে সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। ২০০৭ সালে প্রথমবারের জন্য শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয় তাঁর বাসভবন ‘সুধা সদন’ থেকে। সেসময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকারের বাসভবনকে সাব-জেল হিসেবে ঘোষণা করে তাঁকে সেখানেই বন্দী রাখা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে তিন কোটি টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়। ২০০৮ সালের জুন মাসে মুক্তিলাভের পর তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান চিকিৎসার জন্য। পরবর্তী দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পরে জরুরী অবস্থার অবসান ঘটিয়ে সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৮ সালে ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আসনে জয়লাভ করে। তাঁর দল আওয়ামী লীগ ২৬০টি আসন লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারী তিনি দ্বিতীয়বার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এইসময় তাঁর কয়েকটি কাজের মধ্যে, ভারত ও মায়ানমারের সঙ্গে সামুদ্রিক জলসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি করা, প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা, কৃষকদের জন্য কৃষিকার্ডের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

এরপর ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন বিএনপি সহ প্রধান বিরোধীদলগুলি বয়কট করেছিল, ফলে, আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সহকারে জয়লাভের পর হাসিনা ১২ জানুয়ারী পুনরায় তৃতীয়বারের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এর পাঁচবছর পর ২০১৯ সালে চতুর্থবারের জন্য তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং সেই মেয়াদ এখনও চলছে। ২০১৪ সালের পর থেকে হাসিনার উল্লেখযোগ্য সাফল্যগুলির মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীতকরণ, পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন, ভারতের পার্লামেন্ট কর্তৃক স্থল সীমানা চুক্তির অনুমোদন লাভ ও তার ফলে দুই দেশের মধ্যে ৬৮ বছরের সীমানা বিরোধের অবসান এবং সর্বোপরি দারিদ্র্যের হার হ্রাসকরণ।

শেখ হাসিনাকে তাঁর অসাধারণ কার্যকলাপের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং একাধিক প্রতিষ্ঠান নানা পুরস্কারে সম্মানিত করেছে। বিশ্বভারতী, ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এমনকি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব পিটার্সবার্গ , যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি, রাশিয়ার পিপলস ফ্রেন্ডশিপ বিশ্ববিদ্যালয় -সহ আরও বহু দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধি প্রদান করে। পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘ ২৫ বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে হাসিনার অবদানের জন্য ইউনেস্কো ১৯৯৮ সালে তাঁকে ‘হুপে-বোয়ানি’ (Houphouet-Boigny) শান্তি পুরস্কার প্রদান করেছিল। সর্বভারতীয় শান্তিসংঘ (All India Peace Council) ১৯৯৮ সালেই তাঁকে ‘মাদার টেরেসা’ পদক প্রদান করে। ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অবদানের জন্য জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী শেখ হাসিনাকে ‘সেরেস’ (Ceres) মেডেলে সম্মানিত করে। ২০০৯ সালে পেয়েছেন ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার। জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচী লীডারশীপ বিভাগে পরিবেশ উন্নয়নে অবদানের জন্য তাঁকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ-২০১৫’ (Champion of the Earth-2015) সম্মানে ভূষিত করে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে আরও প্রচুর পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন তিনি।

শেখ হাসিনা বেশকিছু গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বই হল, ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’, ‘আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম’, ‘সাদা কালো’, ‘সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র’ ‘মাইলস টু গো, দ্য কোয়েস্ট ফর ভিশন-২০২১ । বইটি দুই খন্ডে সম্পূর্ণ। এছাড়াও তাঁর ‘জনগণ এবং গণতন্ত্র’ বইটিও উল্লেখযোগ্য। আজীবন তিনি গণতন্ত্রের রক্ষার জন্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণপণ সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ একজন তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন হলেন একজন মনোবিজ্ঞানী। বর্তমানে শেখ হাসিনার বয়স ৭৩ বছর।

সববাংলায় পড়ে ভালো লাগছে? এখানে ক্লিক করে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ভিডিও চ্যানেলটিওবাঙালি পাঠকের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে যোগাযোগ করুন – contact@sobbanglay.com এ।


Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।