খেলা

টেনিস

লন টেনিস

খেলাধূলার দুনিয়ায় ক্রিকেট, ফুটবলের পাশাপাশি আরও একটি আউটডোর গেমস খুবই জনপ্রিয় সমগ্র বিশ্বে তা হল টেনিস(Tennis) । যদিও এই টেনিস দুভাবে খেলা হয় – একটা টেবিল টেনিস আর অপরটি লন টেনিস। লন টেনিসকেই ঐতিহ্যবাহী ধারার অনুসারী বলা যায়, কারণ টেবিল টেনিসের জন্ম হয়েছে অনেক পরে। অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ভারতেও বর্তমানে লন টেনিস অন্যতম জনপ্রিয় খেলার মর্যাদায় উন্নীত হয়েছে। এটিকে দলগত খেলার পর্যায়েই রাখা হয়। দুজন অথবা চারজনে মিলে সবুজ মাঠের মধ্যে একটা করে র‍্যাকেট আর একটা করে বল নিয়ে জালের এপার থেকে ওপারে খেলা চলে অবিরত।

অনেকে বলে থাকেন লন টেনিসের জন্ম হয়েছে প্রাচীন মিশরে। এই খেলায় ব্যবহৃত অত্যাবশ্যকীয় সরঞ্জাম ‘র‍্যাকেট’ কথাটি নাকি আরবি শব্দ ‘রাখাত’ থেকে এসেছে। আরবি ‘রাখাত’-এর অর্থ হল হাতের তালু। কিন্তু এই ধারণার পরিবর্তে অধিকাংশ ইতিহাসবিদদের মতে, দ্বাদশ শতাব্দীতে উত্তর ফ্রান্সে এই খেলার সূত্রপাত হয়। একটি বলকে হাতের তালু দিয়ে আঘাত করার মাধ্যমেই নাকি এই খেলার জন্ম হয় বলে ইতিহাসবিদরা মনে করেন। ফ্রান্সের দশম লুই ‘জেউ ডি পম’ অর্থাৎ ‘গেম অফ দ্য পাম’ নামে একটি খেলার প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট ছিলেন। মনে করা হয় এই ‘গেম অফ দ্য পাম’-এরই আধুনিক সংস্করণ এই টেনিস। দশম লুইয়ের প্রচেষ্টাতেই আধুনিক শৈলীতে ইনডোর টেনিস কোর্ট নির্মিত হয় প্রথম ফ্রান্সে। আউটডোরে অর্থাৎ মাঠে-ময়দানে টেনিস খেলতে পছন্দ করতেন না লুই, তাই প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে ইনডোরেই খেলার জন্য নির্দিষ্ট কক্ষ এবং কোর্ট তৈরি করান তিনি। ঐতিহাসিকদের কথা অনুযায়ী অনেকক্ষণ ধরে টেনিস খেলার পরে প্রায়ই প্রচণ্ড ক্লান্তির দরুন লুই প্রচুর পরিমাণে ঠাণ্ডা ওয়াইন পান করতেন । এই কারণেই নিউমোনিয়ায় তিনি মারা যান, যদিও অনেকে তাঁর মৃত্যুর পিছনে মদে বিষক্রিয়ার সন্দেহও করেছিলেন। ইতিহাসে ফ্রান্সের দশম লুই বিশ্বের প্রথম টেনিস খেলোয়াড়ের অভিধায় ভূষিত হয়েছেন। ফ্রান্সের রাজা পঞ্চম চার্লসও টেনিস খেলায় খুব উৎসাহী ছিলেন। ল্যুভর প্রাসাদের অভ্যন্তরে তিনি টেনিসের কোর্ট তৈরি করিয়েছিলেন বলে জানা যায়। ষোড়শ শতকের আগে পর্যন্ত এই খেলাকে টেনিস বলে সম্বোধন করা হত না, এমনকি খেলায় ব্যবহৃত র‍্যাকেট-এরও একটি পৃথক নাম ছিল। ফরাসি শব্দ ‘টেনেজ’ থেকে এই টেনিস শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে মন করা হয়। ‘টেনেজ’ শব্দের অর্থ হল গ্রহণ করো বা ধরো। সেই সময় ইংল্যাণ্ড ও ফ্রান্সে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা টেনিস ছিল একটি ইনডোর গেম যেখানে মূলত দেয়ালে বল ছুঁড়ে খেলা হত। দুজন খেলোয়াড়ের বদলে একজন খেলোয়াড়ই থাকত। ইংল্যাণ্ডের রাজা অষ্টম হেনরিও টেনিসের একজন অন্যতম অনুরাগী ছিলেন। অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে ইংল্যাণ্ডে এখনকার মত র‍্যাকেট দিয়ে টেনিস খেলার সূত্রপাত হয়। ১৮৩০ সালে প্রথম ইংল্যাণ্ডে টেনিস খেলার জন্য লন কাটার যন্ত্রের উদ্ভাবন ঘটে। তাছাড়া আধুনিক খেলার মত পিচ, সবুজ ঘাসের মাঠ, নির্দিষ্ট কোর্ট বিভাজনের পদ্ধতিও আবিষ্কৃত হয় সেই সময়। ১৮৫৯ থেকে ১৮৬৫ সালের মধ্যে আইনজীবি হ্যারি জেম এবং তাঁর বন্ধু আগুস্তো পেরেরা ইংল্যাণ্ডের বার্মিংহামের মাঠে প্রথমকোর্ট তৈরি করে টেনিস খেলেন এবং ঐ সময়ই প্রথম র‍্যাকেট ব্যবহার করেন তাঁরা। ১৮৭২ সালে তাঁরা দুজনেই একত্রে দুজন স্থানীয় ডাক্তারের সঙ্গে মিলে এভিনিউ রোডে বিশ্বের প্রথম টেনিস ক্লাব খোলেন। এই সময় থেকেই এই খেলাকে লন টেনিস নামে চিহ্নিত করা হয়। ১৮৭৩ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর পদস্থ এক অফিসার ওয়াল্টার ক্লপটন উইঙ্গফিল্ড এই টেনিস খেলার নিয়ম-কানুন তৈরি করেন এবং এই খেলা উদ্ভাবনের কপিরাইট নিজের নামে করে নেন। তাঁর মত ছিল, গ্রিক দেশের পেরিস্টিক খেলার ধরন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি টেনিস খেলার প্রবর্তন করেন। তাঁর নিয়মগুলিই টেনিস খেলার একেবারে প্রাথমিক ভিত্তি তৈরি করেছিল। উইঙ্গফিল্ডই প্রথম একটি বক্সযুক্ত কোর্ট, একটি নেট এবং র‍্যাকেটের আবশ্যকীয়তাকে স্বীকার করেন। বলা হয় তাঁর হাত ধরেই এই লন টেনিস খেলা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৮৭৪ সালে বার্মিংহামে লেমিংটন লন টেনিস ক্লাবে পৃথিবীর প্রথম লন টেনিস টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হয়। এরপরে ১৮৭৭ সালে লণ্ডনের উইম্বলডনে প্রথম লন টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজিত হয়। ১৯১৩ সালে গঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল টেনিস ফেডারেশন। এভাবেই ধীরে ধীরে ক্রমবিবর্তনের মধ্য দিয়ে আজকের লন টেনিসের রূপটি স্থিরীকৃত হয়েছে।


এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com


 

অন্যান্য খেলার মতো টেনিস খেলারও কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। প্রথমেই জেনে নিতে হবে, এই খেলা একক (Singles) বা দ্বৈত (Doubles) দুভাবে খেলা হয়ে থাকে। একক মানে হল দুই পক্ষেই একজন করে খেলোয়াড় থাকবেন এবং দ্বৈত মানে দুই পক্ষে দুজন করে খেলোয়াড় থাকবেন। তাছাড়া দ্বৈত খেলায় পুরুষ ও নারী একত্রেও অংশগ্রহণ করতে পারে যাকে ‘মিক্সড ডাবলস’ বলা হয়। যে জায়গায় খেলা হয় তাকে টেনিস কোর্ট বলা হয়। এই কোর্টও আবার তিন রকম হতে পারে – ‘গ্রাস কোর্ট’ অর্থাৎ সবুজ ঘাসে ঢাকা জায়গা, ‘ক্লে কোর্ট’ অর্থাৎ লাল মাটির তৈরি করা কোর্ট আর সবশেষে ‘হার্ড কোর্ট’। সাধারণত হার্ড কোর্ট তৈরি হয় কংক্রিট, আক্রেলিক ও অ্যাসফল্ট দিয়ে যেখানে বলের গতি এবং বাউন্স দুইই অনেক বেশি হয়। এর তুলনায় ক্লে কোর্টে বল বেশি স্পিন করলেও এর গতি কম হয় আর গ্রাস কোর্টে বলের গতি বেশি থাকে সামান্য, কিন্তু অদ্ভুত অদ্ভুত বাউন্স দেখা যায়। টেনিস কোর্টের নির্দিষ্ট মাপও আছে। সিঙ্গলস খেলায় কোর্টের মাপ হয় দৈর্ঘ্যে ৭৮ ফুট এবং প্রস্থে ২৭ ফুট। ডাবলস ম্যাচে দৈর্ঘ্য একই থাকে, শুধু প্রস্থ থাকে ৩৬ ফুট। জাল থেকে প্রতিটি সার্ভিস কোর্টের দৈর্ঘ্য হয়  ২১ ফুট। চতুর্ভুজ আকৃতির কোর্টকে দু ভাগে ভাগ করা হয় এবং তার মাঝখানে জাল টাঙানো হয়। জালের দু পাশে দুটি করে মোট চারটি সার্ভিস কোর্ট থাকে। তাছাড়া মাঠের দু পাশে লম্বালম্বিভাবে টানা এপার থেকে ওপার পর্যন্ত একটা ট্রাম লাইন থাকে। জালের দু পাশে দুই পক্ষের খেলোয়াড় দাঁড়িয়ে থাকেন যাদের মধ্যে প্রথম একজন খেলোয়াড় র‍্যাকেটের সাহায্যে বলে আঘাত করেন। একে বলা হয় ‘সার্ভ’ (Serve) এবং অন্য পাশের খেলোয়াড় সেই বল পুনরায় র‍্যাকেট দিয়ে সেই বলে আঘাত করেন যাকে ‘রিসিভ’ (Receive) বলে। সার্ভার সবসময় বেস লাইনের বাইরে বেরিয়ে এসে বলে আঘাত করেন, কিন্তু রিসিভার যে কোনো জায়গায় দাঁড়াতে পারেন। তবে বলে আঘাত করার সময় লক্ষ্য রাখতে হয় যাতে বল কোনোভাবে মাঝের জাল না স্পর্শ করে। সার্ভিসের মধ্য দিয়েই মূল খেলা শুরু হয়। সার্ভিসে ভুল হলে খেলোয়াড় আরেকটি সুযোগ পান এবং তাতেও ভুল হলে অপর পক্ষের রিসিভার পয়েন্ট পান। মূল খেলার উদ্দেশ্য একটাই প্রতিপক্ষকে এমনভাবে বল মেরে পাঠানো যাতে সে সফলভাবে বলে আঘাত করতে না পারে। প্রতিপক্ষ যদি বলে আঘাত করে তা ফেরত পাঠাতে ব্যর্থ হয়, তবেই খেলোয়াড় পয়েন্ট পান। বল ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে খেলোয়াড়কে বল মাটি স্পর্শ করার আগেই তাতে আঘাত করতে হয় এবং একবারই মাত্র আঘাত করার সুযোগ পাওয়া যায়। পয়েন্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে সার্ভারের মারা বল যদি রিসিভার ফেরত পাঠাতে না পারেন, সেক্ষেত্রে সার্ভার পাবেন ১ পয়েন্ট। তবে টেনিসের ক্ষেত্রে ১৫, ৩০, ৪০ এভাবে পয়েন্ট হিসাব করা হয়। প্রথম তিন পয়েন্ট পাওয়ার পরে চতুর্থ পয়েন্টটিকে বলা হয় গেম। অর্থাৎ চারটি পয়েন্ট মিলিয়ে একটি গেম, এরকম ছয়টি গেম নিয়ে তৈরি হয় একটি সেট। মোট তিনটি বা পাঁচটি সেটে সমগ্র খেলাটি সাজানো হয়। খেলায় জিততে গেলে খেলোয়াড়কে তাঁর প্রতিপক্ষের থেকে অন্তত দুই পয়েন্টে এগিয়ে থাকতে হয়। এক পয়েন্টে এগিয়ে থাকাকে টেনিসের ভাষায় বলা হয় ‘অ্যাডভান্স’ আর পয়েন্ট সমান থাকলে বলা হয় ‘ডিউস’। সমগ্র খেলার ক্ষেত্রে খেলোয়াড় প্রথমে প্রতিপক্ষের থেকে দুটি গেমে এগিয়ে থেকে ছয়টি গেম শেষ করলে, সে একটা সেট জিতে নেয়। এভাবে সবথেকে বেশি সেট জিততে পারেন যে খেলোয়াড় তিনিই জয়ী হন।

আন্তর্জাতিক স্তরে টেনিসের নানাবিধ প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়ে থাকে যার মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য ও জনপ্রিয় হল গ্র্যাণ্ডস্ল্যাম। এই গ্র্যাণ্ডস্ল্যাম আসলে চারটি টুর্নামেন্টের সম্মিলিত প্রতিযোগিতা। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন, উইম্বলডন ওপেন এবং ইউএস ওপেন এই চারটি টুর্নামেন্টের সবকটিতেই যদি কোনো খেলোয়াড় জেতেন, তবে তাঁকে গ্র্যান্ডস্ল্যাম জয়ী বলা হয়। প্রত্যেক টুর্নামেন্টের নির্দিষ্ট সময়কাল রয়েছে। যেমন বছরের একেবারে শুরুতে জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, মে-জুন মাস নাগাদ আয়োজিত হয় ফ্রেঞ্চ ওপেন, জুন মাসেরই শেষ দিকে হয় উইম্বলডন ওপেন এবং সবশেষে আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয় ইউএস ওপেন। বিভিন্ন টুর্নামেন্টের শ্রেণি এবং কোর্টের প্রকৃতিও আলাদা আলাদা হয়। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন যেমন হার্ড কোর্টে খেলা হয়, তেমনি একমাত্র ফ্রেঞ্চ ওপেনই খেলা হয় ক্লে কোর্টে। আবার উইম্বলডনে খেলা হয় গ্রাস কোর্টে আর ইউএস ওপেনে হার্ড কোর্টে। এছাড়া অলিম্পিকেও সিঙ্গেলস এবং ডাবলস হিসেবে টেনিস টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয়ে থাকে। রজার ফেডেরার, রাফায়েল নাদাল, পিট সাম্প্রাস, আন্দ্রে আগাসি, মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা, বরিস বেকার, সেরেনা উইলিয়ামস, মারিয়া শারাপোভা প্রমুখ সব বিখ্যাত আন্তর্জাতিক স্তরের গ্র্যাণ্ডস্ল্যাম বিজয়ী টেনিস খেলোয়াড়।  

ভারতীয় উপমহাদেশে এই খেলা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ১৮৮০ সাল নাগাদ। লাহোরের পাঞ্জাব লন টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ এবং বেঙ্গল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপই ছিল একমাত্র সর্বভারতীয় টেনিস প্রতিযোগিতা। পরে ১৯১০ সালে এলাহাবাদে অল ইণ্ডিয়া টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজিত হয়। ১৯২০ সালে তৈরি হয় ‘অল ইণ্ডিয়া টেনিস অ্যাসোসিয়েশন’। ১৯৯০-এর দশক থেকেই সমগ্র ভারতে টেনিস খেলার জগতে সর্বজনবিদিত নাম হয়ে ওঠেন লিয়েণ্ডার পেজ। ১৯৯৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের টেনিসে তিনি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন। পরের বছর ১৯৯৭ সালে অপর এক ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় মহেশ ভূপতি প্রথম গ্র্যাণ্ড স্ল্যাম জেতেন। পরবর্তীকালে ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে বহু গ্র্যাণ্ড স্ল্যাম জেতেন ভারতীয় মহিলা টেনিস খেলোয়াড় সানিয়া মির্জা। ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড়দের সৌজন্যে অলিম্পিকে ১টি ব্রোঞ্জ পদক, ডেভিস কাপে ৩টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জ পদক জয় করে ভারত। তাছাড়া কমনওয়েলথ গেমসে ১টি স্বর্ণপদক, ১টি রৌপ্য পদক এবং ২টি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড়েরা। সবশেষে এশিয়ান গেমসে ভারতের জয় সত্যই বিস্ময়কর। মোট ৯টি স্বর্ণপদক, ৬টি রৌপ্য পদক এবং ১৭টি ব্রোঞ্জ পদক জয়ের শিরোপা অর্জন করেছে ভারত। ১৯৯৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে বহু অলিম্পিকেই লিয়েণ্ডার পেজ, মহেশ ভূপতি এবং সানিয়া মির্জার অসামান্য ক্রীড়ানৈপুণ্য মুগ্ধ করে আপামর ভারতীয় টেনিসপ্রেমীকে। ভারতের মধ্যে আজও ডেভিস কাপ এবং ফেড কাপ নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।    

1 Comment

1 Comment

  1. Pingback: টেবিল টেনিস খেলা | সববাংলায়

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

বিধান রায় ছিলেন আদ্যোপান্ত এক রসিক মানুষ। তাঁর রসিকতার অদ্ভুত কাহিনী



বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন