সববাংলায়

হাজারদুয়ারি ভ্রমণ

বিভাগঃ ,

হাজারদুয়ারি ইংরেজ আমলে নির্মিত একটি রাজপ্রাসাদ।এটি মুর্শিদাবাদ জেলার নিজামত কেল্লা ক্যাম্পাসে অবস্থিত। ঊনবিংশ শতকে ইংরেজ আর্কিটেক্ট ডানকান ম্যাকলয়েড বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার নবাব নিজাম হুমায়ুন জাহর নির্দেশে এই নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ১৮২৯ সালে এই প্রাসাদ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপিত হয়।ভাগীরথীর পাড়ে অবস্থিত এই প্রাসাদটির আসল ও নকল মিলিয়ে ১০০০ দরজা থাকার কারণেই এমন নামকরণ হয়েছে।আগে এটিকে বড় কোঠি হিসেবেও ডাকা হত।

হাজারদুয়ারি কোথায়

হাজারদুয়ারি মুর্শিদাবাদ জেলার লালবাগে ভাগীরথী নদীর পূর্ব পাড়ে অবস্থিত।এখানকার আবহাওয়া গাঙ্গেয় উপকূলের আবহাওয়ার মতই। মাটি সমতল। উত্তরে নিজামত ইমামবাড়া।

হাজারদুয়ারির ইতিহাস

হাজারদুয়ারিকে অনেকেই নবাব সিরাজউদৌল্লার প্রাসাদ বলে ভুল করে থাকেন।সিরাজের প্রাসাদের নাম ছিল হীরাঝিল প্রাসাদ। কালের নিয়মে তা এখন ভাগীরথীর জলে তলিয়ে গেছে। হাজারদুয়ারি প্রাসাদটি তৈরী হয় সিরাজের শাসনকালের পরে।এটি ইউরোপীয় ধাঁচে বানানো। ১৮৩৭ সালে এই প্রাসাদটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। আসলে ৯০০ টি দরজা থাকলেও রয়েছে আরোও ১০০ টি কৃত্রিম দরজা।

হাজারদুয়ারি প্রাসাদটি  ভাগীরথীর পাড় থেকে মাত্র ৪০ ফুট দূরত্বে অবস্থিত যদিও এই প্রাসাদের ভিত প্রায় ১২ মিটার গভীর।ইতিহাস থেকে জানা যায় এই প্রাসাদটি ইংরেজ অফিসিয়াল ও নবাবের মধ্যে মিটিং এ ব্যবহার করা হত। উঁচু পদে আসীন ব্রিটিশ অফিসারদের আবাসন হিসেবেও এটি ব্যবহৃত হত।বর্তমানে এই প্রাসাদটি মিউজিয়াম হিসেবে জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রাসাদের ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে নিজামত ইমামবাড়া,ওয়াসিফ মঞ্জিল,মুর্শিদাবাদ ক্লক টাওয়ার,বচ্চেওয়ালি কামান,চওক মসজিদ,মদিনা মস্ক।

প্রাসাদটিকে পোক্ত করার জন্যই গভীর করা হয়েছে হাজারদুয়ারির ভিত।প্রাসাদটির দৈর্ঘ্য ১৩০ মিটার,প্রস্থ৬১ মিটার।এটি ইন্দো-ইউরোপীয় নির্মাণ শৈলীর একটি  উৎকৃষ্ট উদাহরণ। জানা যায় অতীত নিজামত ফোর্ট ভেঙেই এই প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়েছে এছাড়া সিরাজের আমলের কাঠের নিজামত ইমামবাড়াটিও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সেখানে ১৮৪৮সালে নির্মিত হয়েছে নতুন ইমামবাড়া। হাজারদুয়ারি প্রাসাদটি তিনতলা। তিনতলায় ছিল বেগম ও নবাবদের থাকার ঘর।দোতলায় দরবার হল,পাঠাগার ও অতিথিশালা।

একতলায় ছিল নানা অফিসঘর ও গাড়ি রাখার জায়গা।সেই আমলে এই প্রাসাদটি খরচ হয়েছিল প্রায় ১৬.৫ লক্ষ টাকা। প্রাসাদটির উচ্চতা ৮০ ফুট।প্রায় ৩৭ টি উঁচু সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠতে হয়।প্রাসাদের ভেতরে রয়েছে ৯০ ডিগ্রি কোণে রাখা আয়না যাতে কেউই নিজের মুখ দেখতে পায় না কিন্তু অন্যদের দেখা যায়।সামনের দিকে রয়েছে ১৮ ফুট উচ্চতার ৭ টি বড় বড় থাম।রয়েছে ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিভিন্ন দরজা।

ইমামবাড়া,চওক দরজা, দক্ষিণদরজা প্রভৃতি।মেইন গেট এতটাই  উঁচু যে নবাব সম্ভবত হাতির পিঠে চেপেই পারাপার করতে পারতেন। ১৯৮৫ সালে আর্কিওলজিক্যল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া প্রাসাদটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং এটি সাধারণ পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।প্রায় কুড়িটি গ্যালারিতে নবাবী আমলের বিভিন্ন জিনিস প্রদর্শনের জন্য রাখা আছে। ৪৭৪২ টি অ্যান্টিকের মধ্যে ১০৩৪ টি বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র,ইতালিয়ান,ডাচ ও ফ্রেঞ্চ শিল্পীদের আঁকা মূল্যবান ছবি,পুরোন ম্যাপ, পোর্সেলিন বাসন,দুষ্প্রাপ্য বই ইত্যাদি এই গ্যালারিগুলিতে রাখা আছে।এখানেই রয়েছে সেই ঐতিহাসিক তরবারি যা দিয়ে নবাব সিরাজউদ্দৌল্লাকে হত্যা করা হয়েছিল।রয়েছে ইংল্যাণ্ডের রানির দেওয়া রুপোর সিংহাসন।

হাজারদুয়ারি কীভাবে যাবেন

হাজারদুয়ারি যেতে গেলে শিয়ালদহ থেকে লালগোলা প্যাসেঞ্জারে বা এক্সপ্রেসে মুর্শিদাবাদ যাওয়া যায়। কাছাকাছি বড় শহর বলতে জেলাসদর বহরমপুর।বহরমপুর থেকে ১১ কিলোমিটার পথ ভাড়াগাড়ি বা অটোরিকশায় যাওয়া যেতে পারে।

হাজারদুয়ারিতে কোথায় থাকবেন

হাজারদুয়ারির কাছাকাছি মুর্শিদাবাদে থাকতে চাইলে যে কোনো রিসর্টে থাকতে পারেন খরচপড়বে দু’জনের ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকা।কম বাজেটের হোটেলে তিনজনের জন্য ৫০০থেকে ৭০০ টাকা। ভালো মানের স্টার হোটেলে খরচ পড়বে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা।এছাড়া কাছাকাছি বহরমপুরেও বিভিন্ন বাজেটের হোটেল রয়েছে। হাজারদুয়ারির কাছাকাছি রয়েছে প্রায় ৪০ টি বিভিন্ন বাজেটের হোটেল। 

হাজারদুয়ারিতে কী দেখবেন

হাজারদুয়ারি প্রাসাদ

মুর্শিদাবাদ ভ্রমণ বলতেই প্রথমে যে স্থানটির কথা আসে, তা অবশ্যই হাজারদুয়ারি। প্রাসাদটি  ভাগীরথীর পাড় থেকে মাত্র ৪০ ফুট দূরত্বে অবস্থিত। এর ভিতরে এক হাজার খানা দরজা রয়েছে যে কারণে এইরকম নাম। এখানে আসল দরজা ৯০০টি এবং বাকি ১০০টি কৃত্রিম দরজা। সে-এক আশ্চর্য গোলকধাঁধা। যদিও অনেকে সিরাজুদ্দৌলার সঙ্গে হাজারদুয়ারীকে জড়িয়ে ফেলেন , কিন্তু পলাশির যুদ্ধে সিরাজের পতনের প্রায় ৭২ বছর পরে এটি নির্মিত হয়। নাজিম হুমায়ুন জাহ-এর আমলে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। এই প্রাসাদটি ইংরেজদের সাথে নবাবদের মিটিং-এর জন্য এবং উঁচু পদে আসীন অফিসারদের আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হত।

হাজারদুয়ারি
হাজারদুয়ারি। ছবি সববাংলায়

পূর্বে হাজারদুয়ারির নাম ছিল বড় কোঠি। হাজারদুয়ারি প্রাসাদটি তিনতলা। তিনতলায় ছিল বেগম ও নবাবদের থাকার ঘর। দোতলায় দরবার হল, পাঠাগার ও অতিথিশালা। একতলায় ছিল নানা অফিসঘর ও গাড়ি রাখার জায়গা। প্রাসাদটির উচ্চতা ৮০ ফুট। প্রায় ৩৭ টি উঁচু সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠতে হয়। প্রাসাদের ভেতরে রয়েছে ৯০ ডিগ্রি কোণে রাখা আয়না যাতে কেউই নিজের মুখ দেখতে পায় না কিন্তু অন্যদের মুখ দেখতে পায়। সামনের দিকে রয়েছে ১৮ ফুট উচ্চতার ৭ টি বড় বড় থাম, রয়েছে ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিভিন্ন দরজা।

১৯৮৫ সালে ‘আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া’ প্রাসাদটি নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং প্রাসাদটি জাদুঘর হিসেবে জনগণের জন্য খুলে দেয়। প্রায় কুড়িটি গ্যালারিতে নবাবী আমলের বিভিন্ন জিনিস প্রদর্শনের জন্য রাখা আছে। ৪৭৪২টি অ্যান্টিকের মধ্যে ১০৩৪ টি বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র, ইতালীয়, ওলন্দাজ ও ফরাসি শিল্পীদের আঁকা মূল্যবান ছবি, পুরানো ম্যাপ, পোর্সেলিন বাসন, দুষ্প্রাপ্য দলিল, বারো হাজার বই ও নানারকম পান্ডুলিপি এই গ্যালারিগুলিতে রাখা আছে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে হাজারদুয়ারি মিউজিয়াম। এখানে ভারতীয়দের জন্য প্রবেশমূল্য ২০ টাকা এবং বিদেশিদের জন্য ২৫০ টাকা।

এই জায়গায় যেদিন ঘোরার প্ল্যান করছেন, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া সাইটের থেকে আগেভাগেই সেইদিনের টিকিট কেটে রাখুন। এর ফলে আপনাকে এখানে পৌঁছে ভিড়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে না এবং আপনার টিকিট হারানোর ভয়ও থাকবে না।হাজারদুয়ারি দেখার সময় মোবাইল নিষ্ক্রিয় করে ব্যাগপত্র সহ বাইরে কাউন্টারে জমা করতে হয়। ভিতরে ছবি তোলা নিষেধ।

ক্লক টাওয়ার

হাজারদুয়ারী এবং নিজামত ইমামবাড়ার মাঝে রয়েছে একটি ক্লক টাওয়ার, এটিকে মুর্শিদাবাদের বিগ বেন বলা হয়ে থাকে। টাওয়ারটি ডানকান ম্যাক লিওডের সহকারী সাগর মিস্ত্রি ডিজাইন করেছিলেন। এর উপরে রয়েছে একটি বৃহৎ ঘন্টা।

নিজামত ইমামবাড়া

হাজারদুয়ারির ঠিক বিপরীত দিকেই এই বিশাল রাজকীয় প্রাসাদটি অবস্থিত। ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত ধবধবে সাদা ইমামবাড়াটি দেখলে মন জুড়িয়ে যায়। নবাব সিরাজের তৈরী নিজামত ইমামবাড়া মূলত কাঠ দিয়ে নির্মিত হয়েছিল এবং দু-দুবার আগুন লেগে এটি ধ্বংস হয়ে যায়। নবাব সিরাজের ইমামবাড়া অগ্নিকাণ্ডে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর ১৮৪৭ সালে মনসুর আলী খান ফেরাদুন জাহ এটি নির্মাণ করেছিলেন। ৬৮০ ফুট লম্বা ইমামবাড়াটি পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের বৃহত্তম ইমামবাড়া। ইমামবাড়ার ঠিক সামনেই দেখা যাবে মদিনা মসজিদ।

নিজামত ইমামবাড়া ও সিরাজের মদিনা
সিরাজের মদিনা (বাঁয়ে) ও নিজামত ইমামবাড়া (পিছনে)। ছবি সববাংলায়

বিশ্বাস করা হয় সিরাজুদ্দৌলা নিজে মদিনা থেকে মাটি এনেছিলেন যা এই মসজিদ তৈরির সময় তার ভিতে লাগানো হয়। বিশ্বাস করা হয় নবাব সিরাজ এমনটি করেছিলেন যাতে গরীব ধর্মপ্রাণ মুসলিম প্রজারা হজ করতে যেতে না পারলেও তার কিছুটা স্বাদ যাতে এখানে মেটাতে পারে। বর্তমান মসজিদটি ইমামবাড়া চত্বরেই বানানো হয়েছে। মহরমের সময় জনসাধারণ এখানে অবাধে প্রবেশ করতে পারে। মহরমের সময় জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হলেও বছরের অন্য সময় এটি বন্ধ রাখা হয়।

বাচ্চোওয়ালী তোপ

মুর্শিদাবাদ শহরে কী দেখবেন এই তালিকায় অবশ্যই জায়গা করে নেবে বাচ্চোওয়ালী তোপ। হাজারদুয়ারি প্রাসাদ ও ইমামবাড়ার মাঝখানে সিরাজের মদিনার পাশে অবস্থিত কামানটি ১৮ ফুট লম্বা, ওজন ১৬৮৮০ পাউন্ড। কামানটিতে তিনটে চেম্বার আছে। ঢাকা থেকে জলপথে মুর্শিদাবাদে কামানটি আনবার সময় নৌকাডুবি ঘটে। পরে নবাব হুমায়ুন জা-এর সময়ে গঙ্গাগর্ভ থেকে এটিকে উদ্ধার করা হয়। প্রচলিত জনশ্রুতি অনুসারে, কামানটি একবারই চলেছিল এবং তখন কামানের প্রচণ্ড আওয়াজে অনেক মহিলার গর্ভপাত ঘটে। এইজন্য এর নাম ‘বাচ্চোওয়ালী তোপ’। এই দুর্ঘটনার জন্য কামানটি দ্বিতীয়বার চালানো হয়নি।

২০২২ সালের অক্টোবর মাস অবধি হাজারদুয়ারি চত্বরে প্রবেশের কোনও টিকিট ছিল না। তাই সিরাজের মদিনা বা বাচ্চোওয়ালী তোপ বিনা টিকিটেই দেখা যেত। বর্তমানে হাজারদুয়ারির টিকিট কেটে চত্বরে ঢুকলে তবেই সিরাজের মদিনা বা বাচ্চোওয়ালী তোপ দেখতে পাবেন।

হাজারদুয়ারি তো দেখবেনই।ভাগীরথীর উলটো পাড়ে সিরাজের খোশবাগ। একেবারেই কাছে ঘসেটি বেগমের মোতিঝিল,জগত শেঠের বাড়ি,নাসিপুর প্রাসাদ,কাঠগোলা রাজবাড়ি,কাটরা মসজিদ ,মসজিদের কাছেই জোহান কোষা কামান  অবশ্যই ঘুরে দেখা দরকার।একটু দূরে গাড়ি করে ঘুরে আসা যায় কিরীটেশ্বরী মন্দির,রোশনীবাগ, টেরাকোটার কারুকাজ করা ভট্টাবাটি ধামের পুরোনো শিব মন্দির।

হাজারদুয়ারিতে কখন যাবেন

হাজারদুয়ারি বছরের যেকোনো সময়েই যাওয়া যেতে পারে তবে শুক্রবার বন্ধ থাকে একথা মাথায় রাখতে হবে।সংলগ্ন মদিনা মসজিদ মহরমের সময় জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হলেও অন্য সময় তা বন্ধ রাখা হয়।

মুর্শিদাবাদে তেমন বিশেষ কিছু খাবার নেই তবে মুর্শিদাবাদী বিরিয়ানি বিশেষত নিরামিষ বিরিয়ানির স্বাদ নেওয়া একান্ত জরুরি।এখানকার নবাবী ঘিয়ে ভাজা ছানাবড়াও স্বাদে অনন্য।তবে দাম আগাম জেনে নেওয়াই ভালো।

হাজারদুয়ারি গেলে অবশ্যই স্মারক হিসেবে কিছু কেনাকাটা করা যায়। বালুচরি শাড়ি মোটামুটি ৪০০০ টাকার মধ্যেই শুরু। তবে মুর্শিদাবাদ সিল্কের শাড়ি মুর্শিদাবাদ বাসস্ট্যান্ডের এবং খাগড়ার বিভিন্ন খাদির দোকানে পাওয়া যাবে।

সতর্কতা ও পরামর্শ

  • প্রবেশমূল্য মাথাপিছু ৩০ টাকা।
  • ছবি তোলায় মানা রয়েছে।

সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২৫


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

তথ্যসূত্র


  1. নিজস্ব প্রতিনিধি
  2. “মুর্শিদাবাদ ভ্রমণগাইড”, লেখিকা – কাকলি মজুমদার
  3. “নবাবী অন্দরমহল”, লেখিকা – কল্পনা ভৌমিক
  4. https://en.wikipedia.org/wiki/Hazarduari_Palace

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।