ইতিহাস

হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার

হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার

ভারতীয় চিত্রশিল্পের ভাণ্ডার যাঁদের অবদানে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার (Hemendranath Majumdar)। ইউরোপীয় চিত্রশিল্প নির্মাণের তালিম নিয়ে তাকে আয়ত্তে এনে ভারতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে এক মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন তিনি। কলকাতায় ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন হেমেন্দ্রনাথ। শিল্পগুরু অবনীন্দ্রনাথের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও অবন ঠাকুরের তৈরি বেঙ্গল স্কুল ঘরানার ছবির দ্বারা কিন্তু প্রভাবিত হননি তিনি, বরং তার সমালোচনাই করেছিলেন। রাজা রবি বর্মার স্টাইলের ছবির সঙ্গে হেমেন্দ্রনাথের ক্যানভাসের তুলনা চলে। পুঙ্খানুপুঙ্খ খুঁটিনাটিসহ বাস্তবানুগ চিত্রনির্মাণ হেমেন্দ্রনাথের ছবির একটি বৈশিষ্ট্য বলা যায়। সেকালে কিছু ভারতীয় শিল্পীর মধ্যে তিনি ছিলেন এমন একজন যাঁর ছবি বিদ্যায়তনিক এবং বাণিজ্যিক সাফল্য দুই-ই লাভ করেছিল। বেশ কিছু ল্যান্ডস্কেপে অসামান্য দক্ষতা স্পষ্ট হলেও তাঁর প্রতিভার আসল বিচ্ছুরণ দেখা যাবে নারীর মোহময় ও জীবন্ত বিবিধ রূপাঙ্কণে। কোথাও স্নানরতা রমণীর স্নিগ্ধ সৌন্দর্যকে রঙ-তুলির আঁচড়ে করে তুলেছেন নয়নাভিরাম, কখনও লাস্যময়ী নগ্ন নারীদেহ, আবার আয়নার সম্মুখে দাঁড়ানো প্রসাধন কর্মরত নারীর লাবণ্যময় অঙ্গসৌষ্ঠবকে নিঁখুত চিত্রভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন কোনও কোনও ক্যানভাসে। ভারতীয় রমণীর রোম্যান্টিসিজমকে তাঁর ছবির মধ্যে খুঁজলে পাওয়া যাবে। কেবল রঙ, তুলি, ক্যানভাস ছাড়াও ম্যুরাল আর্টেও দক্ষ ছিলেন তিনি।

১৮৯৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতবর্ষের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত কিশোরগঞ্জ জেলার (বর্তমান বাংলাদেশ) গাছিহাটা গ্রামে হেমেন্দ্রনাথ মজুমদারের জন্ম হয়। তাঁর বাবা দুর্গানাথ মজুমদার ছিলেন ময়মনসিংহের আঠারাবাদী জমিদার এস্টেটের কর্মকর্তা। ছোটবেলা থেকেই চিত্রশিল্পের প্রতি তাঁর অদম্য আকর্ষণ ছিল। পত্রিকা এবং বইয়ে ছাপা রঙিন ছবি দেখে মুগ্ধ হতেন তিনি। কিন্তু জমিদার বাবার বিষয়কর্মের জগতের বাইরে শিল্পজগতের প্রতি কোনও বাড়তি আগ্রহ ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই শিল্পকে জীবনের এক এবং অদ্বিতীয় সাধনা হিসেবে গ্রহণ করার ব্যাপারে বাবার সমর্থন পাননি হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার।

যখন দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন, তখন তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে কলকাতায় তাঁর বোনের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন এবং সেখানে ১৯১০ সালে গভর্নমেন্ট স্কুল অফ আর্টে ভর্তি হয়েছিলেন। অ্যাকাডেমিক বাস্তববাদী চিত্রকলা থেকে যখন প্রাচ্যবাদী এবং পুনরুজ্জীবনবাদী চিত্রের ঘরানার দিকে ঝুঁকে পড়েছিল প্রতিষ্ঠানটি, তখন তাঁর সঙ্গে কর্তৃপক্ষের এক মতবিরোধ তৈরি হয়। ফলে কলেজ ত্যাগ করেন তিনি। ১৯১১ সালে পঞ্চম জর্জের আগমণ উপলক্ষে তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য নির্মিত দ্বারের অলঙ্করণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হেমেন্দ্রনাথকে। কিন্তু একজন ব্রিটিশকে স্বাগত জানানোর জন্য এই কাজ করতে অস্বীকার করে কলেজ ত্যাগ করেছিলেন হেমেন্দ্রনাথ, কেউ কেউ এমন মতও পোষণ করে থাকেন। যাই হোক, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে ১৯১১ সালে কলকাতার জুবিলি অ্যাকাডেমি অফ আর্টে যোগ দেন হেমেন্দ্রনাথ। সেখানে পরামর্শদাতা হিসেবে তিনি পেয়েছিলেন রণদাপ্রসাদ গুপ্তকে। মূলত পশ্চিমা শৈলীর তেল রঙ, জল রঙ, চারকোলের কাজ শিখেছিলেন জুবিলিতে। ন্যাচারালিস্ট পদ্ধতিতে সেখানে ছবি আঁকা শেখানো হত। চার বছর রণদা গুপ্তের জুবিলিতে শিল্পকলা অধ্যয়ন করেন তিনি। ১৯১৫ সালে সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। যদিও এই উভয় শিল্প প্রতিষ্ঠান সম্পর্কেই হতাশ ছিলেন তিনি। এরপর ইংল্যান্ড থেকে প্রাপ্ত নানাবিধ শিল্প-সংক্রান্ত বইপত্র পাঠ করে এসময় তাঁর ছবির জগত সম্পর্কে, চারুকলার রহস্যময়তা সম্পর্কে ধারণা গড়ে উঠতে থাকে।

১৯২০-র দশকে বাংলার দুই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী যামিনী রায় এবং অতুল বসুর সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় হেমেন্দ্রনাথের। তাঁরা একসঙ্গে থিয়েটারের দৃশ্যপট অঙ্কনের কাজ করতে থাকেন। সেই সময় হেমেন্দ্রনাথ এক শোকগ্রস্ত পরিবারের জন্য পোর্ট্রেট অঙ্কনের কাজ করেছিলেন ফোটোগ্রাফের ওপর ভিত্তি করে। সেইসব ছবি বাংলায় ভিক্টোরিয়ান ঘরানার ছবির এক অনন্য নিদর্শন। সেসময় অবনীন্দ্রনাথের নির্দেশনায় বেঙ্গল স্কুলের শিল্পীরা পুনরুজ্জীবনবাদকে অবলম্বন করে এক ঐতিহাসিক চিত্র আন্দোলন শুরু করেছিলেন বাংলা বিশেষত কলকাতা জুড়ে। অবন ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়া সত্ত্বেও হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার এই বেঙ্গল স্কুল ঘরানাকে ভাল নজরে দেখেননি, বরং এর কড়া সমালোচনা করেছিলেন। তবে কেবল সমালোচনাই নয়, সমসময়ের কিছু সমমনস্ক শিল্পীদের নিয়ে বেঙ্গল স্কুলের প্রতিস্পর্ধী এক স্রোত নির্মাণের চেষ্টাও করেছিলেন তিনি। হেমেন্দ্রনাথের সঙ্গে ছিলেন ভবাণীচরণ লাহা, যোগেশচন্দ্র শীল, যামিনী রায়, অতুল বসু প্রমুখ শিল্পীবৃন্দ। এই এক শিল্পীবৃত্ত গঠনের জন্য এবং বেঙ্গল স্কুলের শিল্পাদর্শের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ১৯১৯ সালে হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার বিডন স্ট্রীটে নিজের বাসভবনে গড়ে তুলেছিলেন ‘ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’। এই গোষ্ঠী সেবছরেই ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ ওরিয়েন্টাল আর্টের নান্দনিক মানকে চ্যালেঞ্জ করবার জন্য ‘সোসাইটি অফ ফাইন আর্টস’ নির্মাণ করে। এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯২১-২২ সালে সারা ভারতের অ্যাকাডেমিক শিল্পীদের প্রায় হাজারটারও বেশি ছবি নিয়ে তাদের প্রথম প্রদর্শনী করেছিল। বেঙ্গল স্কুলের ঘরানার বিপরীতে দাঁড়িয়ে এই পদক্ষেপ ছিল প্রশংসনীয়। ১৯২০ সালে উক্ত ‘ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’ প্রতিষ্ঠানের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ আর্ট’। এর আগে সম্ভবত কলকাতা থেকে এই আকারের আর কোনও শিল্প পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। শিল্পসংক্রান্ত লেখালেখি ছাড়াও গসিপ, ভ্রমণকাহিনী, ছোটগল্প ইত্যাদির স্থানও ছিল সেই পত্রিকায়। তাছাড়া বেঙ্গল স্কুলের জার্নাল ‘রূপম’-এর একাধিপত্যকে প্রতিহত করবার একটা অভিপ্রায়ও কাজ করেছিল উক্ত ত্রৈমাসিক পত্রিকাটি প্রকাশ করবার ক্ষেত্রে। যদিও আর্থিক অসুবিধার কারণে খুব বেশিদিন চলেনি এই কাগজ। হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার ‘শিল্পী’ নামের একটি চিত্রশিল্প বিষয়ক পত্রিকার সূচনা করেছিলেন ১৯২৯ সালে। তাছাড়া এ.এম.টি আচার্যের সম্পাদিত ভারতীয় চিত্রশিল্পীদের ছবির সংগ্রহ ‘ইন্ডিয়ান মাস্টার্স’-এ স্থান পেয়েছিল হেমেন্দ্রনাথ মজুমদারের ছবি। 

ভারতের বিভিন্ন শিল্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করতেন হেমেন্দ্রনাথ। ১৯২০ সালে তাঁর অনবদ্য ছবি ‘স্মৃতি’র জন্য ‘বম্বে আর্ট সোসাইটি’ থেকে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন। পরপর মোট তিনবছর এই সোসাইটি থেকে চিত্রকলার জন্য পুরস্কার লাভ করেছিলেন তিনি। ১৯২১ সালে কলকাতা ‘সোসাইটি অফ ফাইন আর্ট’ তাঁকে তাঁর ‘পল্লীপ্রাণ’ ছবিটির জন্য পুরস্কৃত করেছিল। স্নানের পর এক নারীর ভেজা শাড়িকে অত্যাশ্চর্য বাস্তবতার সঙ্গে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি এই ছবিতে। এছাড়াও ‘ঝঙ্কার’ এবং ‘কর্দমময় কমল’ ছবি দুটির জন্য ১৯২২ এবং ১৯২৩ সালে মাদ্রাজ এবং বম্বে থেকে পুরস্কার পান হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার। এসময় শিল্পী হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বাংলার বিভিন্ন জার্নালে ও সাময়িকপত্রে এসময় তাঁর ছবির প্রতিরূপ প্রকাশিত হতে থাকে। ১৯২৬ সাল নাগাদ আর্থিক সাফল্য অর্জন করেন হেমেন্দ্রনাথ যখন তাঁর ছবির প্রতিরূপ নির্মাণের অধিকার নিয়ে নেয় একটি বাণিজ্যিক ফার্ম।

১৯২৯ সালে নিজেদের সচিত্র ত্রৈমাসিক পত্রিকায় হেমেন্দ্রনাথ ‘দ্য মেকিং অফ আ পিকচার’ নামের একটি প্রবন্ধে দেখিয়েছিলেন যে তাঁর কাজের প্রক্রিয়ার সঙ্গে ব্রিটিশদের পছন্দের প্রচলিত অ্যাকাডেমিক কৌশলের সামঞ্জস্য প্রচুর। প্রথমে প্রাথমিক এক প্রস্তুতিমূলক স্কেচ, তারপর আরও গভীর এবং বিশদে পেন্সিলের কাজ ও তারও পরে রঙের ব্যবহারের সাহায্যে ইউরোপীয় অ্যাকাডেমিক ন্যাচারালিস্ট ঘরানার ছবি নির্মাণ করতেন হেমেন্দ্রনাথ। রাজা রবি বর্মার ঐতিহ্যই যেন অনুসরণ করেন তিনি শৈলীতে এবং বিষয়ে নারীর নানাবিধ রূপাঙ্কনেও। অসামান্য ল্যান্ডস্কেপ কিছু অঙ্কন করলেও নারীর মোহময়ী রূপ তাঁর রঙ-তুলিতে যেন জীবন্ত হয়ে উঠত। তাঁর ছবির এক অভাবনীয় দিক ছিল তিনি ভেজা শাড়ির চিত্র নিঁখুত এবং বাস্তবের মতোই ফুটিয়ে তুলতেন ক্যানভাসে। কামাতুর এবং আবেদনময়ী নারীর চিত্রাঙ্কনে হেমেন্দ্রনাথ ছিলেন অতুলনীয়। নগ্ন নারীদেহ অঙ্কন করে সেসময়ে যথেষ্ট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। বাংলার ফর্সা চামড়ার অভিজাত নারীদের যৌন আবেদনকে তাঁর একের পর এক ক্যানভাস ধারণ করে আছে। বিবিধ নারীর চিত্রাঙ্কণের জন্য হেমেন্দ্রনাথের মডেল বা অনুপ্রেরণা ছিল তাঁর নিজেরই স্ত্রী, এমনটা মনে করেন অনেকে। ১৯৫২ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বের মহান সুন্দরীদের প্রতিকৃতির একটি প্রদর্শনীতে হেমেন্দ্রনাথের ছবি উচ্চ প্রশংসা লাভ করেছিল। কৃষ্ণের কাছ থেকে রাধার বাঁশি বাজানো শেখার চিত্রটি তাঁর প্রাথমিক কাজগুলির একটি। এর মধ্যে চিয়ারো স্কুরোর প্রভাবকে কাজে লাগাতে দেখা যায়। এছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চিত্রকর্ম হল ‘হারমোনি’, ‘নীল শাড়ি’, ‘কানের দুল’, ‘লা ড্রেপ মউইলি’, ‘দ্য উন্ডেড ভ্যানিটি’, ‘দিল্লি কা লাড্ডু’, ‘আকাঙ্ক্ষার অস্পষ্ট বস্তু’ ইত্যাদি।

বিভিন্ন প্রদেশের রাজা-মহারাজারা তাঁর চিত্রকর্ম বিশেষত কামোত্তেজক মোহময়ী নারীদেহের ছবিগুলি দেখে আকৃষ্ট হয়ে হেমেন্দ্রনাথকে নিজেদের দরবারী শিল্পী হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন। ১৯৩১ সালে কাশ্মীরের মহারাজা তাঁকে দরবারে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে পাতিয়ালার মহারাজা ভূপেন্দ্রনাথ সিং মাসিক দু’হাজার টাকা বেতনের বিনিময়ে পাঁচ বছরের জন্য হেমেন্দ্রনাথকে দরবারী-চিত্রকর হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন। ১৯৩৮ সালে রাজার মৃত্যু হলে উপাজিত অর্থ নিয়ে কলকাতায় এসে নিজস্ব স্টুডিও তৈরি করতে পেরেছিলেন তিনি। পাতিয়ালার মহারাজের জন্য তিনটি সুন্দর চিত্র অঙ্কন করে পার্টিশন স্ক্রিন তৈরি করেছিলেন হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার। এসময় যোধপুর, বিকানির, জয়পুরের রাজাদের জন্যেও অনেক ছবি এঁকেছিলেন হেমেন্দ্রনাথ।

হেমেন্দ্রনাথের অনবদ্য এবং শ্রেষ্ঠ কাজগুলির মধ্যে স্বাধীনতার পরবর্তী বছরে ১৯৪৮ সালে অল ইন্ডিয়া এগজিবিশনের জন্য তৈরি একটি ম্যুরালকে অবশ্যই গণ্য করতে হবে। বাংলায় তাঁর শৈশব-যাপনের নানা মুহূর্তের দৃশ্য এই ম্যুরালে তুলে ধরেছিলেন হেমেন্দ্রনাথ।

১৯৪৮ সালের ২২ জুলাই ৫৩ বছর বয়সে হেমেন্দ্রনাথ মজুমদারের মৃত্যু হয়।

  • অফিস ও হোম রিলোকেশন

     

    বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

  • প্যাকার্স ও মুভার্স এর বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান 

    বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন

তথ্যসূত্র


  1. সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু (সম্পা:),'সংসদ বাঙালী চরিতাভিধান', সাহিত্য সংসদ, মে ১৯৬০, পৃষ্ঠা ৬১০
  2. https://en.wikipedia.org/
  3. https://www.christies.com/
  4. https://amp-scroll-in.cdn.ampproject.org/
  5. https://mapacademy.io/
  6. https://www.chitrakootart.com/
  7. https://auctions.bidandhammer.com/
  8. https://www.askart.com/

1 Comment

1 Comment

  1. Pingback: আজকের দিনে ।। ২২ জুলাই | সববাংলায়

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

ঈশ্বরচন্দ্র ও তাঁর পুত্রের সম্পর্ক



বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন