ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ

ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ

বঙ্গীয় নাট্যসাহিত্য যে সমস্ত প্রতিভাবান নাটককারের জাদুকলমের স্পর্শে সমৃদ্ধ হয়েছিল, ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ (Kshirode Prasad Vidyavinode) ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। গল্প, উপন্যাস এবং অনুবাদের কাজ করলেও মূলত বিভিন্ন ঘরানার নাটক রচনার জন্যই তিনি বাংলার সারস্বত সমাজে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর নাটকের মধ্যে দেশাত্মবোধ, স্বদেশচেতনা ইত্যাদি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল। ভক্তিরসাশ্রিত নাটকের বদলে রোম্যান্টিক নাটক তিনি রচনা করেছিলেন বেশি। গিরিশচন্দ্রের পৌরাণিক নাটকের ভক্তি বিহ্বলতা থেকে এই শ্রেণির নাটককে মুক্ত করে তার মধ্যেও রোম্যান্টিকতা সঞ্চারে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। এই ক্ষেত্রে নাটককার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কিছুটা অনুগামী বলা যায় তাঁকে। ঐতিহাসিক, পৌরাণিক, রোম্যান্টিক, গীতিধর্মী, রঙ্গনাট্য ইত্যাদি সমস্ত ধরনের নাটক রচনায় ক্ষীরোদপ্রসাদের স্বাতন্ত্র্য লক্ষ্যণীয়। অবশ্য পরবর্তীতে রবীন্দ্র-নাটকের প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে তাঁর নাটকে। জাতীয়তাবোধের প্রতিফলন ঘটায় ইংরেজ সরকার তাঁর নাটককে নিষিদ্ধও ঘোষণা করেছিল। সাহিত্য রচনা ছাড়াও তিনি ‘অলৌকিক রহস্য’ নামের একটি পত্রিকাও সম্পাদনা করতেন। একসময় ‘শ্রীমদ্ভাগবত গীতা’ অনুবাদও করেছিলেন তিনি। তাঁর লেখা ‘আলমগীর’ নাটক দিয়েই শিশিরকুমার ভাদুড়ী অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন। তাঁর জনপ্রিয় নাটকগুলির মধ্যে ‘আলিবাবা’, ‘পলাশীর প্রায়শ্চিত্ত’, ‘বঙ্গের প্রতাপাদিত্য’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

১৮৬৩ সালের ১২ এপ্রিল ব্রিটিশ শাসনাধীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত উত্তর ২৪ পরগণার খড়দহ জনপদের একটি ব্রাহ্মণ পরিবারে ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদের জন্ম হয়। যদিও ‘বিদ্যাবিনোদ’ তাঁর উপাধি, আসল নাম ক্ষীরোদচন্দ্র ভট্টাচার্য (Kshirode Chandra Bhattacharya)। তাঁর বাবা গুরুচরণ ভট্টাচার্য (Guru Charan Bhattacharya) সংস্কৃত পণ্ডিত হিসেবে ‘শিরোমণি’ উপাধি লাভ করেছিলেন। ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করতেন ক্ষীরোদপ্রসাদ।

বিদ্যালয় স্তরের পড়াশোনার জন্য ক্ষীরোদপ্রসাদ প্রথমে খড়দহ বঙ্গ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পরবর্তীতে ব্যারাকপুর গভর্নমেন্ট স্কুলে প্রবেশ করেন তিনি। তখনই তাঁর নামের মধ্যবর্তী অংশ ‘চন্দ্র’ বদলে ‘প্রসাদ’ করা হয়। ক্ষীরোদপ্রসাদ ১৮৮১ সালে ১৭ বছর বয়সে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হন, এরপর প্রথমে বিদ্যাসাগর কলেজে ভর্তি হলেও পরে জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশনে (বর্তমানে স্কটিশ চার্চ কলেজ) ভর্তি হন তিনি। এরপর ১৮৮৩ সালে জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন থেকেই ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ এফ.এ পাশ করেন। আরও উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন তিনি। বিজ্ঞানের প্রতি প্রবল আগ্রহ থেকে পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন নিয়ে পড়াশোনা করেন এবং উক্ত কলেজ থেকে ১৮৮৮ সালে বি.এ পাশ করেন। এরপর তিনি ভর্তি হন প্রেসিডেন্সি কলেজে এবং ১৮৮৯ সালে রসায়নে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনে সক্ষম হন। একজন বিজ্ঞানের ছাত্র কতটা দক্ষতার সঙ্গে সাহিত্য রচনা করতে পারেন, তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ক্ষীরোদপ্রসাদ নিজেই।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করার পর ক্ষীরোদপ্রসাদ প্রথমে চন্দননগর ডুপ্লেক্স কলেজে রসায়নের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তারপর তাঁর পূর্বতন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ ইনস্টিটিউশন অর্থাৎ স্কটিশ চার্চ কলেজে ১৮৯২ সালে রসায়নের অধ্যাপক হিসেবে যুক্ত হন। ১৮৯২ থেকে ১৯০৩ সাল পর্যন্ত টানা তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজে অধ্যাপনা করেছিলেন। স্বদেশি আন্দোলনের সময় যে জাতীয় মহাবিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল, তার অধ্যাপকের তালিকাতেও ক্ষীরোদপ্রসাদের নাম দেখতে পাওয়া যায়।

১৯০৩ সালে ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ অধ্যাপনার কাজ ছেড়ে দিয়েছিলেন সাহিত্যচর্চায় সম্পূর্ণরূপে আত্মনিয়োগ করবার অভিপ্রায়ে। ছাত্রাবস্থা থেকেই সাহিত্য রচনা করতেন তিনি। ১৮৮৫ সালে ‘রাজনৈতিক সন্ন্যাসী’ নামক তাঁর লেখা একটি আখ্যায়িকা দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে বাংলা নাট্যজগতের প্রতি প্রবল আকর্ষণ থেকেই তিনি নাটক রচনার প্রতি আগ্রহ অনুভব করতে শুরু করেন। যে সময়ে নাট্যরচনা শুরু করেছিলেন ক্ষীরোদপ্রসাদ, সেই সময়ে রবীন্দ্রনাথ, গিরিশচন্দ্র, দ্বিজেন্দ্রলালের বেশ কতকগুলি নাটক প্রকাশিত এবং যথেষ্ট সাড়া ফেলেছিল। তাঁদের নাটকের প্রভাব যে ক্ষীরোদপ্রসাদ এড়াতে পারেননি তা অস্বীকার করবার উপায় নেই। অধ্যাপনা এবং নাট্যচর্চার জন্য খড়দহ ছেড়ে তিনি উত্তর কলকাতার বাগবাজার অঞ্চলে চলে এসেছিলেন বসবাসের জন্য। ১৮৯৪ সালে অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা তাঁর প্রথম নাটক ‘ফুলশয্যা’ । এটিকে ক্ষুদ্র নাটিকাও বলা চলে। এর মধ্যে বেশ উচ্চমানের কাব্য সৌন্দর্য থাকায় এটি সারস্বতসমাজে প্রশংসা পেয়েছিল। ঐতিহাসিক পটভূমিতে এই রচিত এই নাটিকার মধ্যে রবীন্দ্রনাথের কাব্যনাট্যের প্রভাব লক্ষ্যণীয়। ১৮৯৭ সালে আরব্য উপন্যাসের কাহিনী অবলম্বনে ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ রচিত নাচ-গানে ভরপুর রঙ্গনাট্য ‘আলিবাবা’ বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল তখন। ক্লাসিক থিয়েটারে এই নাটক অভিনীত হওয়ার পর থেকে দিকে দিকে নাট্যকার রূপে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর নাম। মঞ্চাধ্যক্ষদের অনেকের মধ্যেই ক্ষীরোদপ্রসাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল। এই চটুল এবং হালকা চালের নাটকটির মধ্যেই তখনকার আমোদপ্রিয় বাঙালি দর্শক তৃপ্তি লাভ করেছিল, ফলে তা মঞ্চ সাফল্য লাভে সক্ষম হয়। যে সমস্ত সফল গীতিনাট্য তিনি রচনা করেছিলেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘বৃন্দাবন বিলাস’, ‘বেদৌরা’, ‘রূপের ডালি’, ‘মিনতি’, ‘ভূতের বেগার’, ‘বরুণা’, ‘বাসন্তী’ ইত্যাদি। পরবর্তীকালে ১৯১৮ সালে ‘কিন্নরী’ নামে একটি গীতিনাট্য রচনা করেছিলেন তিনি।

‘বভ্রুবাহন’ নামক একটি পৌরাণিক নাটক রচনা করেই ‘বিদ্যাবিনোদ’ উপাধি লাভ করেন ক্ষীরোদপ্রসাদ। তৎকালীন পৌরাণিক নাটককে গিরিশচন্দ্রের প্রভাব থেকে বেশ খানিকটা মুক্ত করেছিলেন তিনি। গিরিশ ঘোষ অনুভব করেছিলেন ভারতবর্ষের মর্মে মর্মে ধর্ম বিরাজ করে এবং সেকারণেই তিনি ভক্তি-রসাশ্রিত, ভাববিহ্বল পৌরাণিক নাটক রচনা করেন। কিন্তু ক্ষীরোদপ্রসাদ সেই পৌরাণিক ভক্তিরসের আবহের মধ্যে তর্কাতীতভাবে আত্মসমর্পণের বদলে যুক্তি, বুদ্ধিরও আমদানি করেছিলেন। যদিও তার ফলে কল্পনা, সৌন্দর্য ও রসবোধ তাঁর হারিয়ে যায়নি। সংস্কৃত ভাষার ধর্ম এবং শাস্ত্রগ্রন্থ থেকে নাটকের বীজ তুলে নিয়ে সমসাময়িক যুগধর্মের আলোকে তা পরিবেশন করতেন তিনি। গিরিশচন্দ্রের ভক্তিরসোচ্ছ্বাসকে প্রতিরোধ করে ক্ষীরোদপ্রসাদ দর্শক মনোরঞ্জনের দিকে বেশি জোর দিয়েছিলেন। রোম্যান্টিকতা দ্বারা নাটকের ভক্তিরসপ্রবাহকে বাধা দিয়েছিলেন বলা যায়। এদেশীয় পৌরাণিক বিশ্বাসকেও অবজ্ঞা করেননি তিনি। এই ধরনের নাটক রচনায় তাঁর ওপরে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের প্রভাব লক্ষ্যণীয়৷ ক্ষীরোদপ্রসাদের অন্যতম জনপ্রিয় কয়েকটি পৌরাণিক নাটক হল ‘নরনারায়ণ’, ‘ভীষ্ম’, ‘উলুপী’, ‘দূর্গা’, ‘সাবিত্রী’, ইত্যাদি। এখানে উল্লেখ্য যে, ‘নরনারায়ণ’ ক্ষীরোদপ্রসাদের সর্বশেষ রচিত নাটক। এই নাটকের নামকরণ প্রথমে করেছিলেন ‘কর্ণ’, পরে পরিবর্তন করে রাখেন ‘নরনারায়ণ’।

ঐতিহাসিক নাটক রচনায় ক্ষীরোদপ্রসাদের প্রতিভার আলো সবচেয়ে বেশি বিচ্ছুরিত হয়েছিল বলা যায়। অধ্যাপনার কাজ ছেড়ে যখন তিনি সম্পূর্ণভাবে নাটক রচনায় মনোনিবেশ করবেন ঠিক করেন তখন স্টার থিয়েটারের নট ও নাট্যকার অমৃতলাল বসুর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন তিনি৷ সেবছরে অর্থাৎ ১৯০৩ সালেই তিনি লিখে ফেলেন বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক ‘বঙ্গের প্রতাপাদিত্য’। হয়তো এ-নাটকের মূল্যায়ন সেকালে যথাযথভাবে না হলেও প্রতাপাদিত্যের মধ্যে আদর্শ এক বাঙালির চরিত্রকে ধরবার চেষ্টা করেছিলেন ক্ষীরোদপ্রসাদ। তাছাড়াও তাঁর ইতিহাস-নির্ভর এই সমস্ত নাটকে অতীতকালের ঘটনার মধ্যে দিয়ে আসলে দেশাত্মবোধের উদ্বোধন ঘটানোর একটা প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়। ঐতিহাসিক চরিত্রদের অবলম্বন করে সার্থক প্রেমের নাটক রচনা করেছিলেন তিনি। এখানে উল্লেখ্য যে, গিরিশচন্দ্র এবং দ্বিজেন্দ্রলালের মতো ইতিহাসকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করেননি তিনি নাটক রচনার জন্য। বরং কল্পনার আশ্রয়ে বহুস্থান পূরণ করে নিয়েছিলেন। প্রয়োজন অনুযায়ী নানা কাল্পনিক চরিত্রেরও আমদানি করেছিলেন ক্ষীরোদপ্রসাদ। ‘বঙ্গের প্রতাপাদিত্য’ ছাড়াও তাঁর আরও কয়েকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক হল ‘চাঁদবিবি’, ‘রঘুবীর’, ‘পলাশীর প্রায়শ্চিত্ত’, ‘অশোক’, ‘পদ্মিনী’, ‘বাঙলার মসনদ’, ‘গোলকুণ্ডা’, ‘আলমগীর’ প্রভৃতি। এখানে উল্লেখ্য যে, বঙ্গ রঙ্গমঞ্চে এক নবযুগের সূচনাকারী নাট্যাচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল ‘আলমগীর’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমেই। তাঁর নাটকে জাতীয়তাবাদী ভাব এবং দেশাত্মবোধে ও স্বদেশপ্রীতির কথা এতটাই স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়েছে, যে, তাঁর ‘পলাশীর প্রায়শ্চিত্ত’ এবং ‘নন্দকুমার’ নাটকটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং বাজেয়াপ্ত করে নেয়।

তবে কেবলমাত্র নাটক নয়, উপন্যাস ও গল্পেরও বেশ কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন ক্ষীরোদপ্রসাদ। সব মিলিয়ে মোট ৫৮টি গ্রন্থ রচনা করেন তিনি। তবে কেবলমাত্র সাহিত্যচর্চা করেই ক্ষান্ত হননি তিনি। ১৯০৯ সালে অর্থাৎ ১৩১৬ বঙ্গাব্দে ‘অলৌকিক রহস্য’ নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করা শুরু করেছিলেন। ১৯১৫ সাল পর্যন্ত সেই পত্রিকাটি চলেছিল। এছাড়া অনুবাদের কাজেও ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ ছিলেন সিদ্ধহস্ত। ১৯০০ সালে ‘শ্রীমদ্ভাগবত গীতা’ অনুবাদ করেছিলেন তিনি।

ক্ষীরোদপ্রসাদ আধ্যাত্মিক জগতের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করতেন। শ্রীশ্রী মা সারদাদেবীর কাছে তিনি দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। রামকৃষ্ণ মিশনের দুই মহারাজ স্বামী সারদানন্দ এবং স্বামী শিবানন্দের সঙ্গেও বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাঁর। তাঁদেরকে একটি করে নাটকের বইও উৎসর্গ করেছিলেন ক্ষীরোদপ্রসাদ। এমনকি থিওসফিক্যাল সোসাইটিরও সদস্য হয়েছিলেন পরবর্তীকালে। একসময় তিনি কলকাতা ছেড়ে বাঁকুড়ার কাছে বিকনা গ্রামে চলে যান। শেষজীবনটা সেখানেই অতিবাহিত করেছিলেন ক্ষীরোদপ্রসাদ।

১৯২৭ সালের ৪ জুলাই ৬৫ বছর বয়সে এই প্রতিভাবান নাটককার ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদের মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র


  1. 'সংসদ বাঙালী চরিতাভিধান', শ্রী সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু (সম্পা:), সাহিত্য সংসদ, মে ১৯৬০, পৃষ্ঠা ১১১
  2. https://en.wikipedia.org/
  3. https://www.socialvillage.in/
  4. https://www.indianetzone.com/

আপনার মতামত জানান