ইতিহাস

রাজেন্দ্রলাল মিত্র

রাজেন্দ্রলাল মিত্র

ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যতম পথিকৃৎ গবেষক এবং ঐতিহাসিক হিসেবে ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র (Rajendra Lal Mitra)। বাংলার নবজাগরণের এক অন্যতম পথিকৃৎ রাজেন্দ্রলাল মিত্র এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল-এর অগ্রগণ্য সদস্য ছিলেন। ভারতীয় সংস্কৃত সাহিত্যের সমালোচক হিসেবেও খ্যাতি ছিল তাঁর। ১৮৪৬ সালে এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল-এর গ্রন্থাগারিকের পদে নির্বাচিত হন তিনি। এশিয়াটিক সোসাইটির প্রথম ভারতীয় সভাপতি ছিলেন তিনি। রাজেন্দ্রলাল মিত্রই ছিলেন প্রকৃত অর্থে প্রথম আধুনিক ভারততত্ত্ববিদ। তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে ভারতীয় ভাষাগুলির ধ্বনিতত্ত্ব এবং রূপতত্ত্ব বিষয়ে গভীরভাবে গবেষণা করেন।

১৮২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব কলকাতার শুঁড়ায় প্রাচীন সম্ভ্রান্ত কুলীন কায়স্থ পরিবারে রাজেন্দ্রলাল মিত্রের জন্ম হয়। বর্তমানে কলকাতার এই শুঁড়া অঞ্চল বেলেঘাটা নামে পরিচিত। তবে তাঁর জন্মতারিখ ও সাল নিয়ে মতভেদ রয়েছে। রাজেন্দ্রলালের বাবা জনমেজয় মিত্র ফার্সী ও সংস্কৃত ভাষায় এক পণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন এবং বাংলা ভাষাতেও বহু বই লিখে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি রসায়ন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছিলেন। তাঁর ছয় পুত্রের মধ্যে রাজেন্দ্রলাল ছিলেন তৃতীয় পুত্র। রাজেন্দ্রলালের এক বোনও ছিল। জনমেজয় ছয় পুত্র আর এক কন্যাকে লালন-পালন করতে অসমর্থ হলে বিধবা ও নিঃসন্তান পিসিমার কাছেই মানুষ হন রাজেন্দ্রলাল মিত্র । তাঁর বংশের প্রথম পুরুষ ছিলেন কালিদাস মিত্র, তাঁর অষ্টাদশ বংশধর রামচন্দ্র মিত্র মূর্শিদাবাদের দেওয়ান ছিলেন। পরে রামচন্দ্রের পুত্র অযোধ্যারাম ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধি লাভ করেন। রাজেন্দ্রলাল মিত্রের প্রপিতামহ পীতাম্বর মিত্র অযোধ্যা ও দিল্লির রাজ দরবারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং ‘রাজাবাহাদুর’ উপাধি পেয়েছিলেন। তাঁর প্রপিতামহ প্রভূত অর্থসম্পদের অধিকারী হলেও তাঁর ঠাকুরদাদা বৃন্দাবন মিত্রের বিলাস-ব্যসন এবং ব্যয় বাহুল্যের জন্য সেই অর্থসম্পদ সংরক্ষিত থাকেনি। আবার রাজেন্দ্রলালের বাবা জনমেজয় বাঁধা বেতনে চাকরি করতে চাননি কখনও, তাই শৈশবে এক প্রকার দারিদ্র্যের মধ্যেই বড় হয়েছেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় ১৮৩৯ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে কলকাতার নিমতলা নিবাসী ধর্মদাস দত্তের তৃতীয় কন্যা শ্রীমতি সৌদামিনীকে বিবাহ করেন তিনি। তাঁদের এক পুত্র ও এক কন্যা ছিল। ১৮৪৪ সালের ২২ আগস্ট প্রথমা স্ত্রীর মৃত্যু হলে ১৮৬০-৬১ সাল নাগাদ ৩৮ বছর বয়সে ভবানীপুরের কালীধন সরকারের কন্যা ভুবনমোহিনীর সঙ্গে রাজেন্দ্রলালের পুনর্বিবাহ হয়। ভুবনমোহিনী এবং রাজেন্দ্রলালের দুই পুত্র যথাক্রমে রমেন্দ্রলাল এবং মহেন্দ্রলাল।  


এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com


 

পাঁচ বছর বয়সে রাজেন্দ্রলালের হাতেখড়ি হয়। পাঠশালার গুরুমশাইয়ের কাছে বাংলা ও ফার্সী শেখার পর দ্বারকানাথ নন্দীর কাছে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের পাঠ নেন রাজেন্দ্রলাল। এরপর পাথুরিয়াঘাটার একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তি হন তিনি। দশ বছর বয়সে তিনি কলকাতার হিন্দু স্কুলে ভর্তি হন। স্কুলের পাঠ শেষ করে ১৮৩৭ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা মেডিকেল কলেজে ডাক্তারি পড়তে শুরু করেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। এখানেও তাঁর মেধার স্ফূরণ লক্ষ্য করেছিলেন অধ্যাপকেরা। কিন্তু এরপর হঠাৎ ডাক্তারি পড়া ছেড়ে কিছুদিন আইননিয়ে পড়াশোনা করার পর শেষ পর্যন্ত ভাষাচর্চায় নিয়োজিত হন তিনি । ফার্সী, উর্দু, হিন্দি, সংস্কৃত ইত্যাদি নানা ভাষায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন তিনি।

১৮৪৬ সালের ৫ নভেম্বর রাজেন্দ্রলাল মিত্র মাসিক ১০০ টাকা বেতনে বঙ্গীয় এশিয়াটিক সোসাইটির সহ সচিব ও গ্রন্থাগারিক পদে নিযুক্ত হন। দীর্ঘ দশ বছর এই সংস্থাতেই গ্রন্থাগারিক ও সহ সচিবের পদে কাজ করেছেন তিনি। তারপর ১৮৫৬ সালে তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির সচিব নির্বাচিত হন। এমনকি পরবর্তীকালে গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যপদও পেয়েছিলেন তিনি। মোট তিন বার সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি এবং সবশেষে ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি নির্বাচিত হন। রাজেন্দ্রলাল মিত্রই ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রথম ভারতীয় সভাপতি। এই সংস্থায় কাজ করার সময় বহু প্রাচীন পুঁথি-পত্রের সন্ধান পেয়েছিলেন তিনি এবং সংস্কৃত সাহিত্যের নানা নিদর্শন সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিলেন তিনি। তাঁর কার্যকালের সময়পর্বের মধ্যেই বহু গবেষণাপত্র লিখেছিলেন রাজেন্দ্রলাল যেগুলি এশিয়াটিক সোসাইটির জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। এমনকি কিছু কিছু প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্য-গ্রন্থও সম্পাদনা করেছিলেন তিনি যা এশিয়াটিক সোসাইটির ‘বিবলিওথেকা ইণ্ডিকা’ (Bibliotheca Indica) গ্রন্থমালায় সম্পাদিত হয়েছিল। এশিয়াটিক সোসাইটিতে থাকাকালীন বহু বিখ্যাত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। পণ্ডিত উইলিয়াম জোন্স, এইচ টি কোলব্রুকের মতবাদ ও দর্শনের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন তিনি। ভারতের বিভিন্ন জাতিগুলির তুলনামূলক ইতিহাস চর্চায় রাজনৈতিক ইতিহাসের পরিবর্তে সাংস্কৃতিক ইতিহাস চর্চায় মনোনিবেশ করেছিলেন রাজেন্দ্রলাল। ইন্দো-আর্যদের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি প্রাচ্যবাদী আখ্যান রচনার জন্য তুলনামূলক ভাষাতত্ত্ব এবং তুলনামূলক পুরাণবিদ্যা প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। ১৮৫৬ সালে কলকাতায় ‘ওয়ার্ডস ইন্সটিটিউশন’ প্রতিষ্ঠিত হলে মাসিক তিনশো টাকা বেতনে এই সংস্থার পরিচালক পদে নিযুক্ত হন রাজেন্দ্রলাল। ১৮৮০ সাল পর্যন্ত এই সংস্থা টিকে ছিল, তারপরে সংস্থা বন্ধ হয়ে গেলে মাসিক ৫০০ টাকা পেনশন নিয়ে অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

একজন দক্ষ পুরাকীর্তিবিদ হিসেবে ঐতিহাসিক শিলালিপি, মুদ্রা এবং প্রত্নলেখ আবিষ্কার ও পাঠোদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। শকাব্দের সঙ্গে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জী মিলিয়ে গুপ্ত সম্রাট কনিষ্কের সিংহাসনে আরোহনের সময়কাল নিরূপণ করেছিলেন তিনি। বাংলার পাল ও সেন যুগের শাসনকালের নানা ঐতিহাসিক নিদর্শনের বিচার-বিশ্লেষণ করে রাজেন্দ্রলাল মিত্র বাংলার মধ্যযুগের ইতিহাসের পুনর্নির্মাণ করেন। এশিয়াটিক সোসাইটির গ্রন্থাগারিক হিসেবে প্রাচীন গ্রন্থের আর্কাইভ তৈরিতে সমকালীন ব্যক্তিদের মধ্যে রাজেন্দ্রলাল মিত্র ছিলেন শ্রেষ্ঠ। বহু প্রাচীন গ্রন্থ ও পুঁথির শ্রেণীক্রম নির্মাণেও তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। প্রাগৈতিহাসিক যুগের আর্য স্থাপত্যের নথিপত্র বিষয়ে গভীর নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। রয়্যাল সোসাইটি অফ আর্টস এবং ব্রিটিশ সরকারের বদান্যতায় রাজেন্দ্রলাল মিত্র ১৮৬৮-৬৯ সালে ওড়িশার ভুবনেশ্বর অঞ্চলে ভারতীয় ভাস্কর্যের বিভিন্ন নিদর্শন সন্ধানের কাজে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই কাজের ফলাফল পরবর্তীকালে ‘অ্যান্টিকুইটিস অফ ওড়িশা’ নামে তাঁর একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন রাজেন্দ্রলাল। আলেকজাণ্ডার কানিংহামের সঙ্গে তিনি মহাবোধি মন্দিরের খনন ও পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। বোধগয়া নামে তাঁর আরেকটি বইতে গৌতম বুদ্ধের সমাধিস্থল বুদ্ধগয়া সম্পর্কে বিভিন্ন পণ্ডিতদের পর্যবেক্ষণকে একত্রিত করে লিপিবদ্ধ করেন তিনি। ইউরোপীয় পণ্ডিতরা যে মনে করতেন ভারতের স্থাপত্যকর্মগুলি সবই গ্রিক ভাস্কর্যের অনুকৃতিমাত্র এবং আর্য সংস্কৃতিতে কোনো স্থাপত্যই সেভাবে তৈরি হয়নি, রাজেন্দ্রলাল মিত্র নিজের উদ্যোগে এই ভাবনা ও মতামত খণ্ডন করেন নিজের গবেষণা এবং বইয়ের মাধ্যমে। জেমস ফার্গুসন নামের এক বিখ্যাত ইউরোপীয় পণ্ডিতের সঙ্গে রাজেন্দ্রলালের বিরোধ প্রায় কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছিল।

রাজেন্দ্রলাল মিত্রই প্রথম ভারতীয় যিনি ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব ও রূপতত্ত্বের বিচার-বিশ্লেষণে কাজে মানুষের ভূমিকার উল্লেখ করেন এবং তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বকে একটি বিজ্ঞান শাখার সমকক্ষ করে তুলতে সচেষ্ট হন। বাংলা ভাষায় মানচিত্র প্রকাশের কাজে তিনিই প্রথম সচেষ্ট হয়েছিলেন এবং তিনিই প্রথম প্রচলিত ভৌগোলিক পরিভাষাগুলিকে ইংরেজির পরিবর্তে বাংলায় রূপান্তরিত করার প্রয়াস নেন। বাংলা ভাষায় উচ্চশিক্ষার বই প্রকাশের জন্য জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর যে সারস্বত সমাজ গড়ে তুলেছিলেন, রাজেন্দ্রলাল সেই সমাজের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং ১৮৮২ সালে তিনি লেখেন ‘এ স্কিম ফর দ্য রেণ্ডারিং অফ ইউরোপীয়ান সায়েন্টিফিক টার্মস ইন ইন্ডিয়া’ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ যেখানে বিজ্ঞানের পাঠক্রমের বঙ্গীকরণের ধারণা দিয়েছিলেন। তাছাড়া ‘ভার্নাকুলার লিটারেচার সোসাইটি’, ‘ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি’র সদস্যও ছিলেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। তাঁর লেখা বহু গ্রন্থ স্কুলের পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, এমনকি রাজেন্দ্রলালের লেখা ব্যাকরণ ও ‘পত্র-কৌমুদী’ বইটি জনমানসে প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছিল। ১৮৫১ সাল থেকে ভার্নাকুলার লিটারেচার সোসাইটির আর্থিক অনুদানে ‘বিবিধার্থ সংগ্রহ’ নামে তিনি একটি সচিত্র মাসিক সাময়িক পত্রিকা প্রকাশ করতে শুরু করেন। এই ধরনের পত্রিকা বাংলায় এর আগে একটিও প্রকাশিত হয়নি যার প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল ভারতীয়দের পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের নানাবিধ দিক সম্পর্কে অবগত করা। প্রচুর পাঠক ছিল এই পত্রিকার এবং এখানেই প্রথম বাংলা ভাষায় সাহিত্য সমালোচনা এবং পাঠ-প্রতিক্রিয়া ছাপা শুরু হয়। মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনাবলী প্রথম এই পত্রিকাতেই প্রকাশিত হতে শুরু করে। ১৮৫৬ সালে ‘বিবিধার্থ সংগ্রহ’ পত্রিকার সম্পাদকের পদ থেকে অবসর নেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। ১৮৬৩ সালে এইরকমই আরেকটি পত্রিকা প্রকাশ করা শুরু করেন তিনি যার নাম ‘রহস্য সন্দর্ভ’। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর ধরে এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়েছিল। তাছাড়া ‘হিন্দু প্যাট্রিয়ট’ পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগের নানাবিধ কাজও সামলাতেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। বেথুন সোসাইটির কার্যনিবাহী কমিটি সদস্য ছিলেন তিনি। এছাড়া ক্যালকাটা ফোটোগ্রাফিক সোসাইটির অনুবাদক, সোসাইটি ফর দ্য প্রমোশন অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল আর্ট সংস্থার এক অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে বহু সমাজ-হিতকর কাজে যুক্ত ছিলেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যা সোসিয়েশন-এর তিন দফায় সভাপতি ছিলেন তিনি। এই সভার সদস্য হিসেবে আঞ্চলিক রাজনীতির উপর বহু বক্তৃতা দিয়েছিলেন তিনি। কলকাতায়  আয়োজিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলনে রাজেন্দ্রলাল মিত্র কংগ্রেসের ‘রিসেপশন কমিটি’র সভাপতি নির্বাচিত হন। সর্বোপরি ‘কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন’-এর ‘জাস্টিস অফ দ্য পীস্‌’ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি বহু বছর। ১৮৭৬ সাল থেকে এই সংস্থার কমিশনারের পদও অলঙ্কৃত করেছিলেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র।

১৮৯১ সালের ২৬ জুলাই কলকাতায় ৬৭ বছর বয়সে রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মৃত্যু হয়।        

তথ্যসূত্র


  1. শ্রী ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, 'রাজেন্দ্রলাল মিত্র', সাহিত্য সাধক চরিতমালা-৪০, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, চৈত্র ১৩৫০, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৫-৩৮
  2. অলোক রায়, 'রাজেন্দ্রলাল মিত্র', বাগর্থ, ১৯৬৯, কলকাতা, পৃষ্ঠা ২৯-৭৮
  3. https://en.wikipedia.org/
  4. https://timesofindia.indiatimes.com/
  5. https://www.jstor.org/

1 Comment

1 Comment

  1. Pingback: আজকের দিনে ।। ১৬ ফেব্রুয়ারি | সববাংলায়

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

বিধান রায় ছিলেন আদ্যোপান্ত এক রসিক মানুষ। তাঁর রসিকতার অদ্ভুত কাহিনী



বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন