সববাংলায়

শুভেন্দু অধিকারী

বিভাগঃ , ,

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) একজন জনপ্রিয় নেতা হলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সাথে যুক্ত। নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময় অন্যতম প্রধান সংগঠক হিসাবে তিনি সকলের নজরে আসেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটে এবং বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের উত্থানকে আরও শক্তিশালী করেছিল। পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন তিনি কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক, তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একসময় তৃণমূল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহকারী হিসাবে কাজ করলেও ২০২০ সালে বিজেপিতে যোগদানের পর তিনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠেন। ২০২১ সালে তিনি নন্দীগ্রাম বিধানসভা ও ২০২৬ সালে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতৃত্ব ও তৃণমূল কংগ্রেসের একচ্ছত্র আধিপত্যের বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ের জন্য এই নেতা বিশেষভাবে পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গে ঐতিহাসিক জয়লাভ করার পর ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করা হয়। এই জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ২০২৬ সালের ৯ মে শপথ গ্রহণ করেছেন।

১৯৭০ সালের ১৫ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় শুভেন্দু অধিকারীর জন্ম হয়। তাঁর বাবার নাম শিশির অধিকারী ও মায়ের নাম গায়ত্রী অধিকারী। জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ শিশির অধিকারী ভারতের সাধারণ নির্বাচনে কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে পরপর তিনবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। মনমোহন সিং-এর নেতৃত্বাধীন ইউপিএ-২ সরকারের আমলে তিনি পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবেও কাজ করেছেন। শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী ২০১৯ সালে তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। এছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর আরেক ভাই সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি পরবর্তীকালে ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন।

শুভেন্দু অধিকারী কাঁথি প্রভাতকুমার কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমদিকে তিনি কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদের মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ শুরু করেন। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বামফ্রন্টের শক্তিশালী অবস্থান থাকলেও স্থানীয় স্তরে তিনি ধীরে ধীরে একজন সক্রিয় সংগঠক হিসেবে পরিচিতি পান।

১৯৯৫ সালে শুভেন্দু অধিকারী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে থাকাকালীন কাঁথি পৌরসভার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত হন। কাঁথি কার্ড ব্যাঙ্ক, কাঁথি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক, বিদ্যাসাগর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। রাজনীতিক পরিবারে বড় হওয়া শুভেন্দু অধিকারী নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে বিশেষ জনপ্রিয়।

১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে শুভেন্দু অধিকারী সেই দলে যোগ দেন। তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়ে সিপিআই(এম)-এর শক্তিশালী গড় পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের ভিত্তি সুসংহত করেন। ২০০১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মুগবেড়িয়া কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে এই নির্বাচনে তিনি কিরণময় নন্দের কাছে হেরে যান। তারপর ২০০৬ সালে তিনি কাঁথি দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এরপর তৃণমূল কংগ্রেসের এই উঠতি নেতা ধীরে ধীরে মেদিনীপুর জেলার প্রভাবশালী নেতা হয়ে ওঠেন।

২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি। সেই সময় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার নন্দীগ্রাম অঞ্চলে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের জন্য কৃষিজমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। জমি অধিগ্রহণের এই সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় কৃষকরা প্রতিবাদ শুরু করে ও ‘ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি’ গঠন করে তারা তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। এই সময় শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে একটি সুসংহত আন্দোলন সংঘটিত করেন। এই আন্দোলন চলাকালীন পুলিশের গুলিতে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। পরবর্তীকালে তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়ে সরকার এই প্রকল্প বাতিল করতে বাধ্য হয়। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর অন্যতম সহযোগী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী বাংলার রাজনীতির কেন্দ্রে উঠে আসেন। নন্দীগ্রামে সাফল্যের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জঙ্গলমহল অঞ্চলের দায়িত্ব দেন। এই সময় তিনি জঙ্গলমহলে তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন মজবুত করার পাশাপাশি এলাকার সার্বিক পর্যবেক্ষক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০০৯ সালে শুভেন্দু অধিকারী তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনে তিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির (মার্কসবাদী) প্রার্থী লক্ষ্মণ শেঠকে দেড় লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। এই ঐতিহাসিক জয়ের পর বামফ্রন্টের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত তমলুক কেন্দ্রে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর দক্ষিণ ও মধ্য বাংলা জুড়ে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব বাড়তে শুরু করে। তিনি বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটিগুলিকে এক এক করে তৃণমূলের শিবিরে নিয়ে আসেন। তিনি ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও পুনরায় জয়ী হন। তবে ওই বছর থেকেই সারদা চিটফান্ড মামলার তদন্তে সিবিআই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করে।

এরপর ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নারদা স্ট্রিং ভিডিওতে তাঁর নাম উঠে আসে। এই ভিডিওতে শুভেন্দু অধিকারীসহ বেশ কিছু তৃণমূল নেতাকে ক্যামেরার সামনে টাকা নিতে দেখা যায়। ফুটেজগুলি প্রকাশের পর রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। তবে এই বিতর্ক তাঁর জনপ্রিয়তায় কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি। ২০১৬ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে বিধায়ক পদে নির্বাচিত হন। এরপর নিয়ম অনুসারে তিনি তমলুকের লোকসভার সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার পরিবহণ মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

তবে মন্ত্রী হওয়ার কিছুদিন পর থেকেই নানা কারণে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের দূরত্ব বাড়তে থাকে। মনে করা হয় যে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে উত্থান এবং তাঁকে দলের ভবিষ্যৎ উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা শুভেন্দু অধিকারী ভালভাবে নিতে পারেননি। এছাড়া দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছিলেন তিনি। আবার তাঁর একচ্ছত্র অধিকারের উপর দলীয় বিধিনিষেধ তাঁকে ক্ষুব্ধ করে। ২০২০ সালে তাঁকে জঙ্গলমহলসহ বেশ কয়েকটি জেলার পর্যবেক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শুভেন্দু অধিকারী মনে করেছিলেন, এই সিদ্ধান্তটি দলের প্রবীণ নেতাদের জন্য খুবই অসম্মানের। দলে নিজের প্রভাব বজায় রাখতে শুভেন্দু অধিকারী কোনও দলীয় প্রতীক ছাড়া ‘আমরা দাদার অনুগামী’ নামে আলাদা একটি মঞ্চ তৈরি করেন। পরবর্তীকালে এই নিয়ে তৃণমূলের হাইকমান্ডের সাথে তাঁর সরাসরি সংঘাত শুরু হয়।

এইভাবে রাজ্যের তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার কারণে তিনি ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর হুগলী রিভার ব্রিজ কমিশনার্সের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তারপরের দিন অর্থাৎ ২৭ নভেম্বর তিনি পশ্চিমবঙ্গের পরিবহণ, সেচ ও জলপথ দপ্তরের মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর তিনি বাংলার বিধানসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন। ১৭ ডিসেম্বর তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যপদ ত্যাগ করেন। তারপর ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর তিনি ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগদানের পর তৃণমূল কংগ্রেস বারবার সারদা ও নারদা কাণ্ডের জন্য শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি করলেও কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁকে আর তলব করেনি, এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজা এখনও বিদ্যমান।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। এই নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচিত হন। বিরোধী দলনেতা হিসেবে এই সময় তিনি আক্রমণাত্মক বিরোধী রাজনীতি শুরু করেন। নির্বাচনের পর সহিংসতা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবাদের নেতৃত্ব দেন তিনি। এছাড়া এই রাজ্যের দুর্নীতি, বেকারত্ব, আইনশৃঙ্খলার মতো বিষয়গুলিকে নিয়ে বিজেপি কর্মীদের সংগঠিত করে রাজ্য সচিবালয় ‘নবান্ন’ অভিযানের নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি। তিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সবসময় দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে থেকে কাজ করেছেন।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। পাশাপাশি, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে সক্ষম হয়। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেয়। অদম্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রয়োগ করতে নির্ভীক এই নেতা ২০২৬ সালের ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে রাজ্যের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন।

২০২৬ সালের মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর রাজ্য সচিবালয় নবান্ন-তে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রথাগত গার্ড অব ওনার দেওয়া হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading