আজ বাংলা ১৪৩১ সালের ৬ বৈশাখ এবং ইংরাজি ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল। আজকের দিনে কী উৎসব বা অনুষ্ঠান আছে অথবা কার জন্ম বা মৃত্যু হয়েছিল বা ঐতিহাসিক ঘটনা কী ঘটেছিল সেই সমস্ত বাছাই করা তথ্য সংক্ষেপে পাবেন এই বিশেষ কন্টেন্টে। তারপর যে তথ্যটি বিস্তারিত জানতে চান, সেই তথ্যের নিচে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করে পড়ে নিতে পারবেন বিস্তারিত।
আজ মুকেশ আম্বানির জন্মদিন। টেলি-যোগাযোগ ব্যবস্থাই হোক বা তৈল শোধন শিল্প, বর্তমান ভারতে সবথেকে বড় কোম্পানি বলতে আমরা এক ডাকে চিনি রিলায়েন্সকে। এই রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এশিয়ার সবথেকে বড় ধনী ব্যক্তি তিনি। সমগ্র বিশ্বের মধ্যে ধনী ব্যক্তি হিসেবে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন মুকেশ আম্বানি। অ্যান্টিলিয়া বিল্ডিং-এ যেখানে তিনি এখন থাকেন তার ছাদে নাকি হেলিকপ্টারও নামতে পারে। ভারতের ধনকুবের ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানি কীভাবে এত বিপুল সম্পদের মালিক হলেন জানতে গেলে পড়ে ফেলুন এখানে https://sobbanglay.com/sob/mukesh-ambani/
আজ রাজা রাধাকান্ত দেব বাহাদুরের মৃত্যুদিন। উনিশ শতকের বঙ্গদেশে যে-কয়েকজন প্রভাবশালী মানুষ ছিলেন রাধাকান্ত দেব তাঁদের মধ্যে অন্যতম। জনশিক্ষার বিস্তারে এমনকি উনিশ শতকীয় প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে নারীশিক্ষার প্রসারের ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন রাধাকান্ত দেব। ছাত্রদের জন্য উপযুক্ত গ্রন্থও রচনা করেছিলেন। হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন রাধাকান্ত। প্রগতিশীল মানসিকতার পাশাপাশি রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের একজন দলপতিও ছিলেন তিনি। সতীদাহপ্রথা রদ, বিধবাবিবাহ ইত্যাদির তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। একইসঙ্গে প্রগতিশীল এবং রক্ষণশীল মানসিকতার এই ব্যক্তি রাধাকান্ত দেবের জীবন সম্পর্কে বিশদে জানতে পড়ুন এখানে— https://sobbanglay.com/sob/radhakanta-deb
আজ জিম করবেটের মৃত্যুদিন। ১৯৩৬ সালে তিনি কুমায়ুন পার্বত্য এলাকায় ভারতের প্রথম জাতীয় উদ্যান, হেইলি ন্যাশনাল পার্ক গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা নেন। পরে ১৯৫৭ সালে তাঁর প্রতি সম্মান জানাতে এই উদ্যানটির নামকরণ করা হয় তাঁর নামে। গোটা জীবনে তিনি ১৯টি বাঘ এবং ১৪টি চিতা শিকার করেছেন। তিনি জিম করবেট। তাঁর সম্পর্কে জানতে পড়ুন https://sobbanglay.com/sob/jim-corbett/
আজ চার্লস ডারউইনের মৃত্যুদিন। মানুষ এবং অন্যান্য জীবের বিবর্তনের সঙ্গে যে প্রাকৃতিক নির্বাচন ওতপ্রোতভাবে জড়িত তা বিস্তারিতভাবে প্রথম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিখ্যাত প্রকৃতিবিদ চার্লস ডারউইন। তাঁর প্রভূত জনপ্রিয় ‘অন দ্য অরিজিন অফ স্পিসিস’ বিবর্তন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। বিগল নামক জাহাজে দক্ষিণ আমেরিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপে ঘুরে ঘুরে উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবাশ্ম সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তাঁর প্রাকৃতিক নির্বাচনের তত্ত্ব। প্রতিভাশালী প্রকৃতিবিদ চার্লস ডারউইন সম্পর্কে বিশদে জানতে পড়ুন এখানে https://sobbanglay.com/sob/charles-darwin/
আজ পিয়ের ক্যুরির মৃত্যুদিন। আত্মভোলা এই মানুষটি পথ দূর্ঘটনায় মারা গেছিলেন অথচ বেঁচে থাকলেও হয় খুব বেশি দিন বাঁচতেন না কারণ পরীক্ষার জন্য স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় বিপুল পরিমাণে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের সম্মুখীন হয়েছিলেন। স্ত্রীয়ের সঙ্গে তাঁর যৌথভাবে আবিষ্কৃত তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়াম, পোলোনিয়াম বিজ্ঞানের জগতের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। আবার আজ সকলের হাতে হাতে থাকা ঘড়িতে লেখা কোয়ার্টজ তাঁরই আবিষ্কারের সফল প্রয়োগ। সেই বিশেষ মানুষটি অর্থাৎ পিয়ের ক্যুরি সম্বন্ধে বিশদে জানতে হলে পড়ুন এখানে https://sobbanglay.com/sob/pierre-curie/
শ্যামবাজার বলতে প্রথমেই মনে হয় পাঁচমাথার মোড় – নেতাজীর মূর্তি… সঙ্গে আছে দ্বারিক বা সেন মহাশয়ের মিষ্টি, গোলবাড়ির কষা মাংস। এসবের সঙ্গে ট্রাম জুড়ে দিলে যা তৈরি হয় তা হল এক তীব্র নস্ট্যালজিয়া। আসলে কলকাতার পুরনো ঐতিহ্যের সন্ধান পেতে হলে এখন একটাই গন্তব্য – শ্যামবাজার। সেই শ্যামবাজার নিয়ে পড়ুন এখানে https://sobbanglay.com/sob/shyambazar/
নির্বাচন এলেই বিভিন্ন প্রার্থীকে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সম্পর্কে বলতে শোনা যায় তিনি নাকি এতটাই কম ভোট পাবেন যে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যেতে পারে। এখন ভারতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এই জামানত ব্যাপারটা কি আর জামানত বাজেয়াপ্তই বা হয় কেন সেটা কিন্তু অনেকেই জানেন না। জানতে পড়ুন https://sobbanglay.com/sob/forfeiture-of-security-deposit/
আজ কী দেখবেন :
ধর্মীয় অনুষ্ঠান :
পুণ্যি পুকুর ব্রত চৈত্র সংক্রান্তিতে শুরু করে সারা বৈশাখ মাসজুড়ে পালিত হয়। বিশ্বাস করা হয় এই ব্রত করলে কুমারী মেয়েরা তার মনের মতো স্বামী পেয়ে থাকে এবং সধবারা সাবিত্রীর সমান পতিব্রতা হয়ে থাকে। জেনে নেওয়া যাক এই ব্রতের পেছনে প্রচলিত কাহিনী এখানে https://youtu.be/T6aJsyUxvxs
বিশেষ আকর্ষণীয় ভিডিও:
মহাভারতের রচয়িতা ব্যাসদেব, জন্মেছিলেন সত্যবতীর গর্ভে, শান্তনু রাজার সাথে তার বিবাহের আগেই। ব্যাসদেবের পিতা ছিলেন পরাশর মুনি। মহাভারতের রচয়িতা গুরু মহর্ষি কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসের জন্মদিনকে হিন্দুরা গুরুপূর্ণিমা হিসাবে পালন করে। তিনি হিন্দুদের কাছে মহাভারত ‘বেদ ব্যাস’ নামে পরিচিত। তাঁর স্মরণে এই দিনটি হিন্দু সন্ন্যাসীরা তাঁকে সর্বশ্রেষ্ঠ গুরু মেনে ২১৬ স্তোত্রের ‘গুরুগীতা’ থেকে স্তোত্র পাঠের মাধ্যমে বেদব্যাস এর পুজো করেন যা ‘ব্যাস পূজা’ নামে পরিচিত। তাঁর জন্মকথা বিস্তারিত দেখুন এই ভিডিওতে https://youtu.be/q8lrTsVPM2g
তথ্যমূলক কন্টেন্টের পাশাপাশি আপনার অবসর সময়ে পড়তে পারেন বিভিন্ন লেখকের কলমে অসাধারণ কিছু গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ বা রম্যরচনা এখানে – https://lekhalikhi.sobbanglay.com/
আপনার মতামত জানান