সববাংলায়

আল্লুরি সীতারাম রাজু

আল্লুরি সীতারাম রাজু (Alluri Sitarama Raju) একজন তামিল আদিবাসী বিদ্রোহী যিনি রাম্পা বিদ্রোহে আদিবাসী কৃষক সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। একাধারে বিদ্রোহী এবং সন্ন্যাসী এই মানুষটি ব্রিটিশদের তৈরী মাদ্রাজ অরণ্য আইনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য নিপীড়িত নিম্নবর্গীয়দের একত্র করেছিলেন। ১৮৮২ সালে আইন করে আদিবাসীদের নিজস্ব বাসভূমি অরণ্যতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের গতিবিধি সীমিত করে দিয়েছিল ব্রিটিশরা। ঐতিহ্যবাহী পোডু কৃষিপদ্ধতিতেও বাধা সৃষ্টি করেছিল তারা। এই সকল অন্যায়ের প্রতিবাদে এগিয়ে এসেছিলেন সীতারাম। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনস্থ থানাগুলিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রশস্ত্রও লুট করতেন তিনি।

১৮৯৭ সালের ৪ জুলাই ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত (বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশ) পান্দ্রাঙ্গি গ্রামে একটি তেলেগুভাষী পরিবারে আল্লুরি সীতারাম রাজু র জন্ম হয়। তাঁর বাবা ভেঙ্কটা রামা রাজু ছিলেন একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার। তিনি তাঁর পেশার কারনেই রাজমুন্দ্রি শহরে বসতি স্থাপন করেছিলেন। সীতারামের মা সূর্য নারায়ণাম্মা ছিলেন ধার্মিক একজন গৃহিণী। সীতারামের এক ভাই, তাঁর নাম সত্যনারায়ণ রাজু এবং এক বোন যাঁর নাম সীতাম্মা দান্তুলুটি।

সীতারামের জন্মস্থান এবং জন্ম তারিখ নিয়ে অবশ্য কিছু বিতর্ক রয়েছে। কেউ কেউ বলে থাকেন, যে, ১৮৯৭ সাল নয়, ১৮৯৮ সালে জন্মেছিলেন সীতারাম। আবার সরকারী প্রতিবেদন অনুযায়ী ভীমাভারামে নাকি তাঁর জন্ম হয়েছিল। আবার অন্য কয়েকটি সূত্র অনুসারে, পশ্চিম গোদাবরী জেলার মোগাল্লু গ্রামকে সীতারামের জন্মস্থান বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এত জলঘোলার পর অবশেষে নতুন গবেষণায় দেখা গেছে পান্দ্রাঙ্গিই আসলে সঠিক গ্রামের নাম।

সীতারামের বাবা মুক্তমনা ও জাতীয়তাবোধে উদ্দীপ্ত এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন মানুষ ছিলেন। তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয়দের অভিবাদন জানানোর জন্য যে স্যালুট করার রীতি ছিল তার অনুশীলন করবার জন্য একদিন তিনি তরুণ সীতারামকে ভীষণরকম তিরস্কার করেছিলে। সীতারামের ভিতরে স্বাধীনতা, দেশাত্মবোধের বীজ অজান্তেই রোপণ করেছিলেন তাঁর বাবা। তবে বাবাকে বেশিদিন নিজের সঙ্গে পাননি তিনি, যখন স্কুলে পড়ছিলেন সেসময়ে ভেঙ্কটা রামা রাজু অর্থাৎ সীতরামের বাবার মৃত্যু হয়েছিল।

প্রাথমিকভাবে সীতারাম কাকিনাড়ার হাইস্কুলে ভর্তি হন। সেখানে তিনি বন্ধু হিসেবে ভবিষ্যতের বিশিষ্ট বিপ্লবী মাদুরি অন্নপূর্ণাইয়া এবং উচ্চ খ্যাতিসম্পন্ন পন্ডিত রাল্লাপল্লী অচুতা রামাইয়ার সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। স্কুলে পড়াকালীনই মাত্র আট বছর বয়সে তাঁর বাবার মৃত্যু আমূল নাড়িয়ে দিয়েছিল সীতারামকে। এরপর তিনি তাঁর মামা পশ্চিম গোদাবরী জেলার নরসাপুরের একজন তহসিলদার ‘রামা কৃষ্ণম রাজুর সান্নিধ্যে থেকে বড় হয়ে উঠেছিলেন। সেই মামা তাঁকে টেলর উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দিয়েছিলেন৷ আরও পড়াশুনার জন্য মাত্র পনেরো বছর বয়সে সীতারাম চলে যান বিশাখাপত্তনমে। সেখানে মিসেস এভিএন কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন সীতারাম। বিশাখাপত্তনম জেলার দুরবর্তী অঞ্চলগুলিতে তিনি ঘুরতেন এবং সেই ভ্রমণের সময়তেই সেখানকার উপজাতিদের সংগ্রামের সঙ্গে পরিচিত হন সীতারাম। এই সময়তেই এক ধনী ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় তাঁর। সেই বন্ধুর বোন সীতার প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি । কিন্তু সীতার অকাল প্রয়ান তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে ফেলেছিল। নিজের ভালোবাসাকে অক্ষয় করার জন্য তিনি নিজের নামের সঙ্গে সীতার নাম জুড়ে সীতারাম হয়ে উঠলেন। এরপর কলেজের কোর্স সম্পূর্ণ না করেই ফিরে আসেন তিনি।  নিজের প্রচেষ্টাতে তেলেগু, সংস্কৃত, হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষার সাহিত্যে দক্ষতা অর্জন করেন। এছাড়াও জ্যোতিষশাস্ত্র, ভেষজবিদ্যা, হস্তরেখাবিদ্যা এবং অশ্বারোহন বিদ্যায় তাঁর প্রভূত উৎসাহ ছিল।

ক্রমে আধ্যাত্মিকতার প্রতি আকৃষ্ট হন সীতারাম। মাত্র আঠারো বছর বয়সে তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন। বিশাখাপত্তনমে থাকাকালীন গোদাবরী এজেন্সির চারপাশে ঘুরে বেড়ানোর সময় সেখানকার আদিবাসীদের চাহিদা, অভাবগুলি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তিনি। আদিবাসীরাও তাঁর উজ্জ্বল ব্যক্তিত্বের প্রতি স্বাভাবিকভাবেই আকৃষ্ট হয়েছিল। ১৮৮২ সালে ব্রিটিশ সরকার পাশ করে মাদ্রাজ অরণ্য আইন। এই আইন ঐতিহ্যবাহী পোডু চাষের জন্য জমিতে এবং নিজস্ব বাসভূমি অরণ্যে আদিবাসীদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রিত করে দিয়েছিল। গতিবিধি এভাবে সীমাবদ্ধ করবার উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের ক্রমে ক্রমে কুলির কাজে লাগানো৷ ব্রিটিশ এবং তার ঠিকাদাররা স্থানীয় কৃষকদের রাস্তা নির্মাণের কাজে লাগিয়ে যথেচ্ছ অত্যাচার অনাচার চালিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, সেসময় পার্বত্য অঞ্চলের কর আদায়কারীদের ক্ষমতাও হ্রাস করে দিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার। এদেরকে এমন বেসামরিক কাজ দিয়েছিল ব্রিটিশরা যাতে কর আদায়ের কোনো ক্ষমতা তাদের না থাকে। এই ঔপনিবেশিক শাসন কৃষক এবং কর আদায়কারী এই দুই স্তরের মানুষদেরই একত্র করে ফেলেছিল। এটি এক ঐতিহাসিক ঘটনাই বটে। অত্যাচার চরম সীমায় পৌঁছলে সমস্ত বিত্তের মানুষই এক সমতলে এসে একত্র হয়ে জেগে উঠতে চায়। এক্ষেত্রেও হয়েছিল তাই। কর আদায়কারী শাসক ও শোষিত কৃষক এক হয়ে গিয়েছিল ব্রিটিশ সরকারের অমানবিক আচরণে। এই সম্মিলিত ক্ষোভকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের চেহারা দেওয়ারই প্রয়াস করেছিলেন আল্লুরি সীতারাম রাজু। তবে কেবল একটিমাত্র অঞ্চলের কথা বললে ভুল হবে। ১৯২১ সালে আল্লুরি সীতারাম গঙ্গোত্রী এবং নাসিক ভ্রমণ করেন। দেশ ভ্রমণকালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিপ্লবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক দুরবস্থা দেখে আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। সেসময় ব্রিটিশ শাসনের কবল থেকে আদিবাসীদের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সীতারাম। সীতারাম রাজু আদিবাসীদের সাথে দেখা করতে এবং তাদের ভারতের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করতে গোন্ড ভূমির অরণ্যেও গিয়েছিলেন। এখানে উল্লেখ্য, এর আগে ১৮৫৭ সালের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গোন্ড ভূমির হাজার হাজার আদিবাসী তাদের দেশের জন্য জীবন দিয়েছিল।

গোদাবরী জেলার কাছে পাপি পাহাড়ে বসতি গড়েন সীতারাম। সেখানকার জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দারুণ ঘনিষ্ঠভাবে মেশেন। সেসময় লক্ষ্য করেছিলেন পার্বত্য উপজাতিদের ধর্মান্তরিত করার জন্য খ্রিস্টান মিশনারীরা প্রাণপণ চেষ্টা করছেন। একেও সাম্রাজ্যবাদেরই অন্য একরকম পন্থা বলা চলে। সেই উপজাতিদের মধ্যে শত অভাব ও কষ্টের মধ্যেও থেকেছেন সীতারাম। তাদের কাছ থেকে নিতেন কেবল ফল আর মধু, আর বাকি সব ফিরিয়ে দিতেন। খুব শীঘ্রই গ্রামবাসীদের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আদিবাসীদের অভিযোগ এবং তাদের সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করে, সীতারাম অধিকার সম্পর্কে তাদের সংগঠিত ও শিক্ষিত করতে শুরু করেন। বন ও রাজস্ব কর্মকর্তা, ধর্মপ্রচারক এবং পুলিশের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য তাদের প্রস্তুত করেন তিনি৷ বিস্তীর্ণ বনভূমিতে ঘুরেছিলেন সীতারাম, ফলে জঙ্গলের ভুগোলটি হাতের তালুর মতো চেনা হয়ে গিয়েছিল, যা ভবিষ্যতে তাঁকে গেরিলা আক্রমণে সাহায্য করেছিল।  এই সময়ে যখন ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ তাদের পৈতৃক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তখন গাম মালুদোরা এবং গাম গন্তামদোরা নামে দুই কোয়া উপজাতির আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধা সীতারামের দলে যোগ দিয়েছিলেন।

১৯২১ সালে যখন মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলনের ঢেউ তুলেছেন, সেই আন্দোলনের দ্বারাও ভীষণভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন সীতারাম। জনগণের সমর্থন পাওয়ার জন্য অসহযোগ আন্দোলনের কিছু জনপ্রিয় পন্থাকে গ্রহণ করেছিলেন সীতারাম।

যেমন ঔপনিবেশিক আদালত বয়কট, গ্রামের মানুষকে মদ্যপান করতে নিষেধ করা, খাদি পরা ইত্যাদি। যদিও সীতারামের আন্দোলন কখনোই শান্তিপূর্ণ কোনো পথ অবলম্বন করেনি, বরং তা ছিল ভয়ঙ্কর সশস্ত্র সংগ্রাম। ১৯২২ সালে সংগঠিত এই আন্দোলন মূলত রাম্পা বিদ্রোহ নামে পরিচিত।

সীতারাম তাঁর সমর্থকদের নিয়ে একটি শক্তিশালী সেনা তৈরি করার প্রয়াস করেছিলেন, যারা ব্রিটিশ সরকারের শক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়তে পারে। এই সেনাদলের মধ্যে উপজাতি সম্প্রদায় এবং বংশগত কর আদায়কারীরাও উপস্থিত ছিলেন। ধনুক-তীর ও বর্শার মতো ঐতিহ্যবাহী অস্ত্রের প্রয়োগ এবং নিজেদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের জন্য শিস ও ঢোল পিটিয়ে কৌশল প্রয়োগ করে বিপ্লবীরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রামে প্রাথমিকভাবে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ঐতিহ্যবাহী অস্ত্রশস্ত্র খুব একটা কাজে আসবে না বুঝতে পেরে সীতারাম আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহের কাজে মন দেন। ১৯২২ সালের ২২ থেকে ২৪ আগস্টের মধ্যে সীতারাম মোটমাট ৫০০ জনের সৈন্যদলের নেতৃত্ব প্রদান করে যারা চিন্তাপল্লী, কৃষ্ণদেবীপেটা এবং রাজাভোমঙ্গীর পুলিশ স্টেশনে অভিযান ও লুণ্ঠন চালায়। অভিযানের পর তারা বিপুল পরিমাণ বন্দুক, বেয়নেট, কার্তুজ ও তলোয়ার উদ্ধার করে। পরবর্তীকালে সেইসব অঞ্চল পরিদর্শনে যান এবং তাঁকে খু্ঁজতে যাওয়ার বাহিনীর অংশ এক পুলিশ অফিসারকে হত্যা করেন তিনি। ২৩ সেপ্টেম্বর সীতারাম অতর্কিত আক্রমণ করে আরও দুই পুলিশ অফিসারকে হত্যা করলে অসন্তুষ্ট মানুষের মধ্যে সীতারামের খ্যাতি আরও ছড়িয়ে পড়েছিল। সেসময় ব্রিটিশ পুলিশ বাহিনীর ওপর আরও দুবার আক্রমণ করেছিলেন সীতারাম। তাছাড়া তিনি আবার পেদ্দাবলাসায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করেন এবং তাদের পরাজিত করেন যার ফলে তাদের ব্যাপক প্রাণহানি সহ্য করতে হয় এবং অবশেষে পিছু হটে ব্রিটিশরা। পর পর এইধরনের আক্রমণগুলির ভঙ্গী দেখে বুঝতে ব্রিটিশের বাকি ছিল না, যে, একরকম গেরিলা রণকৌশল অনুসরণ করে চলেছেন আল্লুরি সীতারাম। এটি লক্ষ করে তৎক্ষনাৎ ব্রিটিশরা স্পেশাল মালাবার ফোর্স গঠন করেছিল যারা সীতারামের বিশেষ এই রণকৌশলের মোকাবিলা করতে পারে।

১৯২২ সাল থেকে ১৯২৪ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশদের সঙ্গে নানাস্থানে খণ্ডযুদ্ধ চালিয়ে গেছেন সীতারাম এবং পরাজিতও করেছেন ইংরেজকে। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই এই ব্যক্তিটিকে যে খুব একটা হালকাভাবে ব্রিটিশ নেবে না, তা বলাই বাহুল্য। বিদ্রোহ পুরোদমে চলার কারণে আসাম রাইফেলস রেজিমেন্টের সৈন্যদলগুলিকে শেষ পর্যন্ত তা দমন করার জন্য আনা হয়েছিল। বিদ্রোহের অবসান ঘটাতে এবং সীতারাম রাজুকে বন্দী করতে, তৎকালীন জেলা কালেক্টর, পূর্ব গোদাবরীর ব্র্যাকেন এবং বিশাখাপত্তনমের আরটি রাদারফোর্ড, গ্রাম পোড়ানো থেকে শুরু করে ফসল নষ্ট করা পর্যন্ত সমস্ত উপায় ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সমতলের কংগ্রেস সমর্থকদেরও নিজের পাশে আনার চেষ্টা করেছিলেন সীতারাম, কিন্তু তাঁর পথ অহিংস আন্দোলনের পথ যেহেতু নয়, তাই কংগ্রেসীরা তাঁকে সমর্থন জানায়নি৷

প্রায় দুবছর ধরে ব্যপক চেষ্টা চালানোর পর কোয়রু গ্রামের  চিন্তাপল্লের জঙ্গলে সীতারামকে বন্দী করে ব্রিটিশ পুলিশ। ১৯২৪ সালের ৭ মে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে গুলি করে হত্যা করা হয় স্বাধীনতা সংগ্রামী আল্লুরি সীতারাম রাজুকে। তখন তাঁর বয়স সাতাশ। মহাত্মা গান্ধী আল্লুরির জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছিলেন, “যদিও আমি তাঁর সশস্ত্র বিদ্রোহকে অনুমোদন করি না, আমি তার সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। এছাড়াও জওহরলাল, নেতাজি তা়ঁর সাহস ও আত্মত্যাগের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। জনগণ সীতারামকে ‘মান্যম ভিরুডু’ অর্থাৎ ‘জঙ্গলের নায়ক’ বলে সম্মানিত করেছিল।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading