বাংলা সাহিত্যের এক বিস্মৃতপ্রায় জ্যোতিষ্ক যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি (Jogeshchandra Roy Vidhyanidhi)। তিনি ছিলেন এক বহুশাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত, যাঁর পাণ্ডিত্য ওড়িশার পণ্ডিত মহলেও স্বীকৃত ছিল এবং তাঁরাই তাঁকে ‘বিদ্যানিধি’ উপাধিতে ভূষিত করেন। দুঃখজনকভাবে, আজ তিনি বাঙালির স্মৃতি থেকে প্রায় মুছে গেছেন।
বিজ্ঞান ও সাহিত্যে সমান পারদর্শী ছিলেন যোগেশচন্দ্র। উড়িষ্যার বিভিন্ন কলেজে তিনি উদ্ভিদতত্ত্ব, রসায়নবিদ্যা এবং পদার্থবিজ্ঞানের মতো কঠিন বিষয়গুলো দক্ষতার সঙ্গে পড়াতেন। একই সাথে, তিনি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানসম্মত অভিধান রচনার পথিকৃৎ ছিলেন। পুরাণ, ধর্ম, জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং ইতিহাস নিয়েও তিনি অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন। দেশীয় ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার প্রসারে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
১৮৫৯ সালের ২০ অক্টোবর হুগলী জেলার দিগড়া গ্রামে যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধির জন্ম হয়। তাঁর পারিবারিক নাম হল যোগেশচন্দ্র রায়, পরবর্তীকালে বিদ্যানিধি উপাধি পেয়েছিলেন। তাঁর বাবা ছিলেন বাঁকুড়া জেলা আদালতের সহকারী বিচারক।
বাবার কাজের সুবাদে যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধির প্রথাগত শিক্ষাজীবন শুরু হয় বাঁকুড়া জেলা স্কুল থেকে। তবে বাবার মৃত্যুর পর তিনি নিজের গ্রামে ফিরে যান এবং বর্ধমানের রাজস্কুলে ভর্তি হন। এই বিদ্যালয় থেকেই তিনি এন্ট্রান্স পরীক্ষায় পাশ করেন ১৮৭৮ সালে। এরপর ১৮৭৯ সালে তিনি বৃত্তিসহ এফ.এ পরীক্ষায় পাশ করেন। তারপর ১৮৮২ সালে হুগলী কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে বি.এ ও ১৮৮৩ সালে ওই বছরের একমাত্র ছাত্র হিসাবে উদ্ভিদবিদ্যাতে দ্বিতীয় বিভাগে এম.এ পাশ করেন।
এক নজরে যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধির জীবনী:
- জন্ম: ২০ অক্টোবর, ১৮৫৯
- মৃত্যু: ৩০ জুলাই, ১৯৫৬
- কেন বিখ্যাত: যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানের প্রচার ও পাঠ্যবই রচনায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তিনি পাঠানী সামন্তের ‘সিদ্ধান্ত দার্পণ’ অনুবাদ করে ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করে তোলেন। তাঁর লেখা বহু বই শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়েছে।
- পুরস্কার: বিদ্যানিধি উপাধিতে ভূষিত হওয়া ছাড়াও যোগেশ্চন্দ্র রায় রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার, রামপ্রাণ গুপ্ত পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া উৎকল ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডি লিট পেয়েছেন।
কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষকতার মধ্যে দিয়ে যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধির কর্মজীবন শুরু হয়। তারপর তিনি চট্টগ্রাম কলেজ, প্রেসিডেন্সি কলেজে চাকরি করেন। প্রেসিডেন্সি কলেজে জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণাগারে সহায়কপদে কাজ করতেন তিনি। এই চাকরি তাঁর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করেছিল, আসলে যোগেশচন্দ্র উদ্ভিদবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন আর জগদীশচন্দ্র বসুর সাহায্যে তিনি পদার্থবিদ্যা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার সুযোগ পান। তিনি প্রায় আট মাস ওই পদে চাকরি করেন, এরপর তিনি কটক র্যাভেনশ কলেজে লেকচারার পদে যোগ দেন এবং এই কলেজে বিজ্ঞানের সমস্ত বিষয়ই তিনি দক্ষতার সঙ্গে পড়াতেন। বহু বছর অধ্যাপনা করার পর তিনি ১৯১৯ সালে অধ্যাপক পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি নিজের অধ্যাপনা জীবনেই বাংলা ভাষাচর্চা, জ্যোতির্বিদ্যাচর্চা, দেশীয় কলাচর্চাসহ নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ওইসময় ‘প্রবাসী’, ‘সাহিত্য’, ‘বঙ্গদর্শন’, ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকাতেও নিয়মিত লেখালেখি করতেন।
যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি নিজে দীর্ঘদিন বিজ্ঞানচর্চা করেন। তিনি ছিলেন লোক-বান্ধব স্বদেশী প্রযুক্তির অন্যতম উদ্ভাবক। অতি সহজে বসানো ও চালানো যায় এমন নলকূপের একটি নকশা তৈরি করেন তিনি, স্বয়ং রাজশেখর বসু যার স্বত্বাধিকার নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হল বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার প্রসার ঘটানো। ব্রিটিশ ভারতে ইংরেজরা নিজেদের কাজের সুবিধার্থে পাশ্চাত্য শিক্ষা দ্বারা ভারতবাসীকে শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা করেন, আর তাই শিক্ষাক্ষেত্রে দেশীয় ভাষার তুলনায় ইংরাজি ভাষাকেই বেশি গুরুত্ব দিতেন তাঁরা। কিন্তু যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধি উপলব্ধি করেন শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষত বিজ্ঞানক্ষেত্রে দেশীয় ভাষা ব্যবহার একান্ত আবশ্যক। তিনি মনে করতেন বিদেশী ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা হলে বিজ্ঞান সারাজীবন বাঙালির কাছে বিদেশীই হয়ে থাকবে। তাই তিনি বিজ্ঞান অনুশীলনের জন্য সহজ, সরল দেশীয় ভাষায় বেশ কিছু বই লেখার ব্যবস্থা করেন। এইজন্য যোগেশচন্দ্র ১৮৮৭ সালে ‘সরল পদার্থবিজ্ঞান’ নামে একটি পাঠ্যপুস্তক লেখেন। এছাড়া ‘দাশগুপ্ত অ্যান্ড কোম্পানি’ থেকে ১৮৯০ সালে তাঁর ‘রসায়ন প্রবেশ’ প্রকাশিত হয়। অল্প বয়স্ক বিজ্ঞান পড়ুয়াদের জন্য এই বইটি একেবারে আদর্শ – এতে রসায়নের দ্রবীকরণ, অম্ল, ক্ষার, বায়ু, জল, অঙ্গারক, গন্ধক, জড়পদার্থ, চুন, মৃত্তিকা, পদার্থের গঠন এইসব নিয়ে সাধারণ আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া ১৮৯৭ সালে ডাক্তারি পড়ুয়াদের জন্য তাঁর লেখা পদার্থবিজ্ঞানের পাঠ্যবইটি ক্লাসে পড়ানোর জন্য শিক্ষাদফতরের কাছে অনুরোধ করেন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু। এরপর যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধি ১৮৯৮ সালে তিনটি খণ্ডে ‘সরল রসায়ন’ বই প্রকাশ করেন। এছাড়া ভারতের অন্যান্য অবাঙালী ছাত্রদের জন্য ইংরাজিতে তিনি লেখেন ‘প্র্যাক্টিক্যাল কেমিস্ট্রি ফর বিগিনারর্স’ (Practical Chemistry for Beginners)। তাছাড়া ওড়িয়া ভাষাতেও তিনি বেশ কিছু গ্রন্থ লেখেন। আর তিনি জীবনবিজ্ঞান বিষয়ক নানা প্রবন্ধও লিখেছিলেন। আবার গণিতের শঙ্কু বিষয়ে তিনি রচনা করেন ‘শঙ্কুনির্মাণ’। ভূগোল বিষয়ে তিনি লেখেন ‘সরল প্রাকৃত ভূগোল’, ‘ভারতী’ পত্রিকায় প্রাকাশিত হয় তাঁর অসাধারণ গবেষণাকর্ম ‘ভূগোল পাঠনা’।
বিজ্ঞানের পাশাপাশি সাহিত্য ক্ষেত্রেও যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধির অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি বাশুলী চণ্ডীদাস নামক পুঁথি আবিষ্কার করেন। এছাড়া তিনি বাংলা বানানে দ্বিত্ব বর্জন রীতির প্রচলন করেন অর্থাৎ বানানের মধ্যে একই বর্ণের পুনরাবৃত্তি কমানোর চেষ্টা করেন তিনি। এছাড়া তিনি বাংলার ‘পুজা পার্বণ’ গ্রন্থও রচনা করেন, যাতে হিন্দুধর্মের নানা পূজাপার্বণের উৎপত্তি, তাৎপর্য ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান বিষয়ে বইটিতে নানা তথ্য লেখা ছিল। হিন্দু শাস্ত্র বিষয়ে যোগেশচন্দ্র লেখেন ‘শ্রীশ্রীদুর্গা’। আবার ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী দ্বিতীয় ভাস্কর (Bhaskara II) বা ভাস্করাচার্য মহাকাশে পৃথিবীর অবস্থান বিষয়ে কী যুক্তি পেশ করেছিলেন তা নিয়েই যোগেশচন্দ্র আলোচনা করেছেন ‘আমাদের জ্যোতিষ ও আমাদের জ্যোতিষী’ নামক অমূল্য গ্রন্থে, যা ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। এছাড়া প্রাচীন ভারতবাসীর জীবনযাত্রা সম্পর্কে তিনি লেখেন ‘এনসিয়েন্ট ইন্ডিয়ান লাইফ’ (Ancient Indian Life)। তাছাড়া তিনি লেখেন – ‘বাঙ্গালা ভাষা’, ‘বেদের দেবতা ও কৃষ্টিকাল’, ‘রত্নপরীক্ষা’, ‘ক্ষুদ্র ও বৃহৎ’। আবার হিন্দু পুরাণের নানা কাহিনী ও চরিত্র নিয়ে রচনা করেন ‘পৌরাণিক উপাখ্যান’।
এছাড়া তিনিসর্বপ্রথম সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্লেষণাত্মক বাংলা অভিধান ‘বাঙ্গালা শব্দকোষ’, আত্মজীবনী ‘আত্মচরিত’ রচনা করেন। অভিধান রচনার ক্ষেত্রে তাঁর কাছে বিশেষভাবে ঋণ স্বীকার করেছেন হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার সমাজ ও শিক্ষাবিষয় নিয়ে তিনি লেখেন আটটি প্রবন্ধ সম্মিলিত গ্রন্থ ‘কোন পথে?’ । এইগুলি ছাড়া যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধির লেখা বেশ কিছু চিঠি পাওয়া যায়, যা দুই খণ্ডে ‘পত্রালী’ নামে প্রকাশিত হয়। এখানে বিজ্ঞান ও ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ মতামত পাওয়া যায়। একদিকে সাধারণ পাঠক-পাঠিকার সাধারণ জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য এই চিঠিগুলি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ আবার বৈজ্ঞানিক তথ্য সমারোহের সঙ্গে সাহিত্যের অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে উক্ত চিঠিগুলিতে।
ওড়িশার প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞানী পাঠানি সামন্ত বা মহামহোপাধ্যায় চন্দ্রশেখর সিংহ হরিচন্দন মহাপাত্র সামন্তের (Mahamahopadhyaya Chandrasekhara Singha Harichandana Mahapatra Samanta) বাঁশের যন্ত্রপাতির সাহায্যে পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব পরিমাপ করেছিলেন, এছাড়া ওড়িশার ক্যালেন্ডার তৈরিতে তাঁর গণনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আর যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হল এই পাঠানি সামন্তকে আবিষ্কার। তিনি পাঠানি সামন্তের গবেষণা দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। যোগেশচন্দ্র পাঠানি সামন্তকে ইউরোপের প্রাক-দূরবীক্ষণ যুগের শ্রেষ্ঠ জ্যোতিঃপর্যবেক্ষক টাইকো ব্রাহের (Tycho Brahe) সমতুল্য বলে মনে করতেন। এই কারণে তিনি ‘আ মডার্ন টাইকো’ নামে সামন্তের পরিচয় দিয়ে ‘নেচার’ পত্রিকায় একটি প্রবন্ধ লেখেন, তাঁর এই লেখা চারিদিকে আলোড়ন সৃষ্টি করে। আর পরবর্তীকালে ‘নেচার’ পত্রিকায় পাঠানি সামন্তের কাজের আলোচনা প্রকাশিত হলে তাঁর কৃতিত্ব ব্রাহকেও ছাপিয়ে যায়। পাঠানি সামন্তের ‘সিদ্ধান্তদর্পণ’ বইটি ছিল ওড়িয়া লিপিতে সংস্কৃত ভাষায়, তবে যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধি ওই বইটি দেবনাগরী লিপিতে ছাপানোর ব্যবস্থা করে দেন। এককথায় বলা যায় যে, তিনিই পাঠানি সামন্তকে ওড়িশার বাইরের মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। এই কারণে ওড়িশাবাসী যোগেশচন্দ্রের কাছে বিশেষ ভাবে ঋণী। তাঁর পাণ্ডিত্যে মুগ্ধ হয়ে ওড়িয়া পণ্ডিতরা ১৯১০ সালে তাঁকে ‘বিদ্যানিধি’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এক্ষেত্রে বলা যায় যে, ভারতের বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে যতদিন চন্দ্রশেখর সামন্তর নাম থাকবে ততদিন যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধির নামও অক্ষয় হয়ে থাকবে।
যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধি নিজের জীবনে নানা সম্মান ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। ‘এনসিয়েন্ট ইন্ডিয়ান লাইফ’-এর জন্য তিনি রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার, ‘পূজাপার্বণ’ গ্রন্থের জন্য বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে রামপ্রাণ গুপ্ত পুরস্কার, আর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক ও সরোজিনী পদক লাভ করেন। এছাড়া উৎকল বিশ্ববিদ্যালয়ের তাঁকে সাম্মানিক ডক্টরেট সম্মানে ভূষিত করেন। আর ১৯৫৬ সালে বাঁকুড়ায় অনুষ্ঠিত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে তাঁকে ডক্টরেট উপাধি দেয়। এছাড়া তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের বিশিষ্ট সভার সদস্য, সহ-সভাপতি ও সভাপতি হিসাবেও কাজ করেছিলেন। তিনি বিজ্ঞান পরিষদ, উদ্ভিদবিদ্যা পরিষদ ও উৎকল সাহিত্য সমাজেরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।
১৯৫৬ সালের ৩০ জুলাই বাঁকুড়ায় যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধির মৃত্যু হয়।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।
তথ্যসূত্র
- ‘সংসদ বাঙালী চরিতাভিধান’, সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত (সম্পাদিত), সাহিত্য সংসদ, ১৯৭৬, পৃষ্ঠা:-৪৩৮-৪৩৯
- https://www.dainikstatesmannews.com/
- https://othervoice.in/
- https://www.gramnagarbarta.com/


আপনার মতামত জানান