ইতিহাস

নন্দলাল বসু

নন্দলাল বসুু (Nandalal Bose) একজন ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী যাঁর হাত ধরে বিংশ শতাব্দীর শুরুতে পাশ্চাত্য শিল্প-আঙ্গিকের বাইরে বেরিয়ে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল এক নব্য শিল্প-চেতনার প্রতিশ্রুতি ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা ভূ-ভারতে। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে যে জাতীয় জাগরণ শুরু হয়েছিল সেখানে অনন্য ভূমিকা পালনকারী এই শিল্পরীতির মূল ধারা ও বাহক ছিলেন নন্দলাল বসুু। পৌরাণিক কাহিনী, নারী এবং গ্রামীণ জীবনের নানা দিক ছিল তাঁর ছবির মূল উপাদান। আদ্যন্ত দেশপ্রেমিক সেবাপরায়ণ, নিরহঙ্কারী ও প্রচারবিমুখ এই শিল্পীর সম্পর্কে ইন্দিরা গান্ধী বলেছিলেন, “নন্দলাল বসু ছিলেন একজন যথার্থ আচার্য। তিনি শুধু নিজে প্রতিষ্ঠা অর্জন করেননি, আরও অনেককেই প্রতিষ্ঠা অর্জনে সাহায্য করেছেন।” শিল্পী হিসাবে তিনি সকল বস্তুতেই তাদের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ও সৌন্দর্যের সন্ধান করতেন, এবং জনসাধারণের জীবনে শিল্পের প্রভাব যাতে আরও গভীর হয় সেদিকে সব সময় তাঁর সজাগ দৃষ্টি ছিল।

১৮৮২ সালের ৩ ডিসেম্বর বিহারের মুঙ্গেরে হাভেলি-খড়গপুরের এক মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারে নন্দলাল বসুর জন্ম হয়। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল হুগলী জেলার জেজুর অঞ্চলে। নন্দলাল বসুর বাবা পূর্ণচন্দ্র বসু ছিলেন দ্বারভাঙা এস্টেটের কর্মচারী। মা ক্ষেত্রমণি দেবী গৃহবধূ হলেও ছিলেন এক বিশেষ প্রতিভার অধিকারী। তিনি ছোট্ট নন্দলালের জন্য খেলনা মূর্তি তৈরি করতেন, কখনো আবার পুরনো খেলনাকে নবকলেবর দান করতেন। স্থাপত্য শিল্পের প্রতি আগ্রহ হয়তো নন্দলাল মায়ের থেকেই আহরণ করেছিলেন। ১৯০৩ সালে পারিবারিক সূত্রে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নন্দলাল।লাজুক ও মিতবাক নন্দলালের ব্যক্তিত্বকে পূর্ণতাদান করেছিল স্ত্রী সুধীরা বসুর রাশভারী স্বভাব। শিল্পচর্চার অনুপ্রেরণা ছাড়াও বাস্তববাদ দিয়ে শক্ত হাতে সংসারের হাল ধরে ছিলেন সুধীরা দেবী। ছেলেদের বিয়ে দেওয়ার পরে পাশেই আলাদা একটা বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়ে একদিকে পুত্রবধূকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেন, অপরদিকে একজন শিল্পীকে বিকশিত হওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন তাঁর অর্ধাঙ্গিনী।

নন্দলাল বসুর বসুর প্রাথমিক শিক্ষা খড়গপুরে। ১৮৯৮ সালে পনেরো বছর বয়সে কলকাতায় সেন্ট্রাল কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন তিনি। প্রথাগত শিক্ষাতে তাঁর কোনওদিনই আগ্রহ ছিলনা। বরং ছোট থেকেই বুঁদ হয়ে দেখতেন খড়গপুরের শিল্পীদের হাতের প্রতিমা নির্মাণশৈলী। ভালো লাগতো দেবদেবীর মূর্তি বানাতে,উৎসাহ ছিল মণ্ডপসজ্জার কাজে। ১৯০২ সালে ম্যাট্রিক পাশ করে পারিবারিক চাপে প্রথমে জেনারেল অ্যাসেমব্লিজ ইন্সটিটিউশনে এবং তারপর মেট্রোপলিটনে ভর্তি হন। কিন্তু সেখানেও অকৃতকার্য হয়ে শেষে ১৯০৫ সালে প্রেসিডেন্সী কলেজের বাণিজ্য শাখায় ভর্তি হন। এখানেও একাধিক বার ব্যর্থ হবার পর পরিবারের সকলের অনুমতি নিয়ে শেষে তিনি কলকাতার সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন। নন্দলাল বসু আর্ট কলেজে ভর্তি হতে গিয়েছিলেন ভাস্কর্য শিক্ষার আশায়। তিনি বলতেন সেই অপূর্ণ বাসনার প্রতিচ্ছবিই পরিস্ফুট হয় তাঁর প্রথম পর্বের ছবিগুলোতে। একজন গুরু তাঁকে শিখিয়েছিলেন ‘তুলিকে ছেনি করে ছবিতে ভাস্কর্য রচনার সাধ মেটানোর কারিগরি’। তৎকালীন সহ অধ্যক্ষ অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তত্ত্বাবধানে আর্ট স্কুলে তখন সবে শুরু হয়েছে দেশীয় শিল্পচর্চার কর্মযজ্ঞ। তাঁর শিক্ষা আর নন্দলালের প্রতিভার সমন্বয় সৃষ্টি হয় ‘কর্ণের সূর্যস্তব’, ‘কৈকেয়ী-মন্থরা’, ‘সতী’, ‘শিব ও সতী’, ‘উমার তপস্যা’র মতো বিখ্যাত কিছু ছবি।


প্রাকৃতিক খাঁটি মধু ঘরে বসেই পেতে চান?

ফুড হাউস মধু

তাহলে যোগাযোগ করুন – +91-99030 06475


 


অবনীন্দ্রনাথের সূত্রে ভগিনী নিবেদিতার সঙ্গে পরিচয় নন্দলালের। মাত্র পাঁচবছরের সান্নিধ্যেই প্রভূতভাবে সমৃদ্ধ হয়েছিল তাঁর শিল্পীসত্তা। ক্লাসিক্যাল চিত্রকলার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও পরীক্ষানিরীক্ষার প্রথম সুযোগ পান ১৯০৭ সালে। বিবেকানন্দের সহপাঠী, চিত্রকর প্রিয়নাথ সিংহের সঙ্গে দেশের প্রাচীন কলা-কেন্দ্রগুলি দেখার জন্য ভারত-ভ্রমণ করে কালীঘাটের পট আর লোকশিল্পে আগ্রহী হয়ে পটুয়া নিবারণ ঘোষের কাছে অতিদ্রুত রেখা ও রঙের কাজে হাত পাকালেন নন্দলাল। হেভেল সাহেবের অনুপ্রেরনায় ও ভগিনী নিবেদিতার আগ্রহে ১৯০৯-এ তিন বিদেশিনী শিল্পী ক্রিশ্চিয়ানা, কুমারী ডরোথি লারচার ও কুমারী লুককে সঙ্গে নিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়লেন অজন্তার পথে।

কলকাতায় অজন্তায় আঁকা স্কেচের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়তেই রবীন্দ্রনাথ দায়িত্ব দিলেন তাঁর নতুন কবিতার বই ‘চয়নিকা’-র ছবি আঁকার। নন্দলালের অলঙ্করণে প্রথম বইটি সফল না হলেও, রবীন্দ্রনাথ তাঁকে শান্তিনিকেতনে আহ্বান জানিয়ে সংবর্ধনা দিলেন। এরপর কবির সঙ্গী হয়ে শিলাইদহে গিয়ে শাজাদপুরে পদ্মার অপার্থিব সৌন্দর্যকে নিপুণ রেখায় ফুটিয়ে তুললেন ‘শীতের সন্ধ্যার পদ্মা’, ‘জলকে চল’, ‘পোকন মাঝি’র মধ্যে।

মাসিক বৃত্তিতে অবনীন্দ্রনাথের বাড়িতেই শিল্পের কাজে যোগ দিয়ে নন্দলাল জাপানি মনীষী ওকাকুরা, শিল্পী টাইকান, হিশিদা, আনন্দকুমারাস্বামী প্রমুখের থেকে রপ্ত করলেন জাপানি শিল্পের ধরণ-ধারন। কিছুদিন পর, রবীন্দ্রনাথের জোড়াসাঁকো বাড়ির বিচিত্রা স্টুডিয়োতে যোগ দিলেন। বছর দেড়েকের মাথায় ‘বিচিত্রা’ উঠে যাওয়ার পর টাকার জন্য হাজার আপত্তি সত্ত্বেও যোগ দিয়েছিলেন গগনঠাকুরের শিল্প সমিতিতে। ১৯১৯-এর জুলাই মাসে শান্তিনিকেতন আশ্রমে যোগ দেওয়ার পর ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব ওরিয়েণ্টাল আর্টের চিত্রবিদ্যা শিক্ষণের জন্য নন্দলালকে অবনীন্দ্রনাথ কলকাতায় ডেকে পাঠান। ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ ওরিয়েন্টাল আর্ট মুখ্যত সরকারি টাকায় চলতো। গান্ধীজির স্বদেশী কাজের অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত নন্দলাল সেই প্রতিষ্ঠানে মানসিক শান্তি না পেয়ে ১৯২১ সালে কলাভবনের ভার নিয়ে পাকাপাকিভাবে শান্তিনিকেতনে ফিরে এলেন। ১৯২২ থেকে অধ্যক্ষ হিসেবে কলাকেন্দ্রর হাল ধরলেন তিনি। তিন দশকে নন্দলাল শান্তিনিকেতনে একে একে ছাত্র হিসাবে পেয়েছিলেন বিনোদবিহারী, রামকিঙ্করের মতো শিল্পীকে। প্রখর গ্রীষ্মে মাথায় টোকা নিয়ে রামকিঙ্কর যখন কাঁকর-বালি-সিমেন্ট দিয়ে একের পর এক ভাস্কর্য গড়ছেন, নন্দলাল মাথায় ভেজা তোয়ালে জড়িয়ে কেটলি হাতে চা নিয়ে গিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থেকেছেন।

আশ্রম থেকে শিশু বিভাগ তুলে দেওয়ার কথা উঠলে রবীন্দ্রনাথকে নন্দলাল বলেন,” শিশুদের নিয়েই আমাদের আসল কাজ। আর শিশুদের সংস্পর্শ না হলে আমরা ইন্সটিটিউশন হিসাবেও বাঁচবো না। দিনান্তে একবার অন্তত দেবদর্শন করা চাই আমাদের।”

ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে পোস্টার আঁকতেন রাত জেগে নন্দলাল। গান্ধীজির অনুরোধে হরিপুরা কংগ্রেসের মূল মণ্ডপ সাজিয়েছিলেন তিনি। সামনে একটি চৌকোনা জায়গার মাটি ভরাট করে সেখানে ধান আর সরষে ছড়িয়ে নিয়মিত তাতে জল দেওয়াতে মণ্ডপ সবুজ আর হলুদের অবর্ণনীয় রূপ নিয়েছিল।

নানা রকম কাগজে, কাপড়ে, সিল্কে এবং কাঠের উপরে জলে ভেজা ওয়াশ পদ্ধতি, টেম্পারা ও চিনা বা জাপানি প্রথায় রঙিন, একরঙা ছবি বা স্কেচ এঁকে গিয়েছেন বিচিত্রবিষয়ে। কেবলমাত্র শান্তিনিকেতনের প্রতিটি উৎসব অনুষ্ঠানে পরিবেশ সৃষ্টি, অলঙ্করণ, আলোর ব্যবহার, অভিনেতাদের পোশাকেই নয়, তাঁর শিল্পবোধের সৃষ্টিশীল প্রকাশ দেখা গিয়েছে কলাভবনের ছাত্রাবাস, ভোজনাগারের সামনের চৈত্য এবং রবীন্দ্রগৃহ শ্যামলী জুড়ে। শিষ্য বিনোদবিহারীকে দিয়ে দেশ বিদেশের দেওয়াল চিত্র অঙ্কনের কলাকৌশল সংগ্রহ করে রামকিঙ্কর-সহ অন্যান্য ছাত্রদের নিয়ে নন্দলাল পোড়ামাটির ফলকের বদলে মাটির দেওয়ালে মাটিরই অলঙ্করণ করে নানা উপাদান মিশিয়ে ও আলকাতরার প্রলেপ দিয়ে তাকে শক্ত, জলপ্রতিরোধক করে তুলেছিলেন। পাকা বাড়িগুলোতে দেওয়ালচিত্রেও নতুন পরীক্ষা নিরীক্ষার ছাপ স্পষ্ট। কলাভবনের ছাত্রাবাসের দেওয়ালে তুষ, আলকাতরা মেশানো মাটির মূর্তি ও ছবিগুলিতে উজ্জ্বল নন্দলালের শিল্পকীর্তি। তাঁরই প্রেরণায় শান্তিনিকেতনে কাঁকর ও সিমেন্ট মিশ্রিত মূর্তি তৈরিতে হাত দিয়েছিলেন তাঁর ছাত্ররা।

আর্ত,বিপন্ন মানুষ দেখলে স্থির থাকতে পারতেন না। আশ্রমের সেবাকর্মীদের ছুটির দিনে যখন তাঁদের কাজের ভার নিতেন ছাত্র শিক্ষক-কর্মীরা, তিনি নিতেন মেথরের কাজটি। রান্নাঘরের বাগানের জন্য ময়লা, পচা পাতা আর কাটা জঙ্গল দিয়ে কমপোস্ট সার তৈরির কাজে পুরোধাও ছিলেন নন্দলাল বসু।

তিন দশক কলাভবনের কাজে ডুবে থাকার পর ১৯৫১-তে নন্দলাল অবসর নেন নন্দলাল। সারা জীবন অজস্র চিঠি লিখেছেন, তবে সে সব চিঠিতে লেখার থেকে ছবিটাই ছিল মুখ্য। যেমন এক ছাত্রকে পুরী থেকে চিঠিতে এঁকে পাঠিয়েছিলেন, একজোড়া তোপসে মাছের ছবি, সঙ্গে লিখেছিলেন, ‘এখানে মাঝে মাঝে ডিমভরা তোপসে পাওয়া যাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর অনুরোধে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান ‘ভারতরত্নে’র অশ্বত্থপাতা, নক্সাসহ পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণের মানপত্রের সচিত্রকরণ তাঁরই কৃতিত্ব। ভারতীয় সংবিধানের মূল পাণ্ডুলিপিটিও নন্দলাল ও তাঁর ছাত্র রামমনোহর সিংহের হাতেই অলঙ্কৃত।

 ১৯৭৬ সালে ইন্দিরা গান্ধীর উদ্যোগে আরো আটজন শিল্পীর সৃষ্টির সঙ্গে তাঁর শিল্পকলা দেশের চিরকালীন জাতীয় সম্পদ রূপে কেন্দ্রীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের সংস্কৃতি দপ্তরের (Archeological survey of India, Department of Culture, Government of India) দায়িত্বে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি ছাত্রদের বলেছিলেন, “জানো, মেয়ের ভাল বিয়ে হলে যেমন স্বস্তি হয়, তেমনই মনে হচ্ছে আমার।” বর্তমানে দিল্লীর ন্যাশনাল গ্যালারি অব মডার্ন আর্টে (National Gallery of Modern Art) তাঁর সৃষ্ট সাত হাজারের বেশী চিত্রসংগৃহীত রয়েছে।

১৯০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ ওরিয়েন্ট আর্ট থেকে প্রথম বৃত্তিপ্রাপক ছিলেন নন্দলাল। ১৯৫২ সালে বিশ্বভারতী নন্দলাল বসুকে দেশিকোত্তম উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৫৪ সালে ভারত সরকার এই মহান চিত্রকরকে পদ্মবিভূষণ সম্মান প্রদান করে। ১৯৫৬ সালে তিনি ললিত কলা অ্যাকাডেমির দ্বিতীয় ফেলো নির্বাচিত হন।১৯৫৭ তে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ডিলিট প্রদান করে। কলকাতার অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস তাঁকে রজত জয়ন্তী (Silver Jubilee Medal)পদকে ভূষিত করে। ১৯৬৫ সালে এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল তাঁকে রবীন্দ্রনাথ জন্মশতবার্ষিকী পদক(Rabindranath birth Centenary Medal) দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করে।

১৯৬৬ সালের ১৬ এপ্রিল ৭৯ বছর বয়সে নিজের শান্তিনিকেতনের বাসভবন ‘মাধবী’তে নন্দলাল বসুর মৃত্যু হয়।

  • এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

    আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com

  • সববাংলায় সাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আজই যোগাযোগ করুন
    contact@sobbanglay.com

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

আধুনিক ভ্রূণ বিদ্যার জনক পঞ্চানন মাহেশ্বরীকে নিয়ে জানুন



ছবিতে ক্লিক করে দেখুন ভিডিও