সববাংলায়

গড়চুমুক ভ্রমণ 

ভ্রমণপিপাসু মানুষ মানেই সাধারণত প্রকৃতিপ্রেমী হন তাঁরা। সেই সবুজ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানেই বিভিন্ন দিকে তাঁরা ছুটে যান। সবুজ বনানি ঘেরা বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং সেই সঙ্গে বিশালকায় নদীর সৌন্দর্য একত্রে যদি উপভোগ করতে হয় তবে সেইসব পর্যটকদের জন্য হাওড়া জেলার গড়চুমুক (Ggarchumuk ) একটি উপযুক্ত স্থান হতে পারে। নিস্তব্ধ আরণ্যক প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাওয়ার আনন্দ উপভোগ করবার অভিজ্ঞতা তো হবেই, সেইসঙ্গে উপরিপাওনা হতে পারে নদীর ওপর বিখ্যাত ৫৮ গেট, অরণ্যভূমির হরিণ প্রতিপালনের ক্ষেত্র এবং কুমির ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখির দর্শনলাভ। সব মিলিয়ে সপ্তাহের শেষে ছুটির দুই দিন কাটিয়ে আসবার জন্য গড়চুমুক হতে পারে একটি আদর্শ ভ্রমণস্থল।

হাওড়া জেলায় উলুবেড়িয়া সাব-ডিভিশনের মধ্যে হুগলী নদী ও দামোদর নদীর মিলনস্থলে অবস্থিত গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র। কলকাতা থেকে গড়চুমুকের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার এবং বর্ধমান থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার।

দামোদর এবং হুগলি নদীর মিলনস্থলের ওপরেই ৫৮টি গেট সম্বলিত সেই বিখ্যাত বাঁধ যার পোশাকি নাম উলুঘাটা আটান্ন স্লুইস গেট হলেও লোকমুখে এটি ৫৮ গেট নামে পরিচিত। এই গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রে যে মানবসৃষ্ট বনাঞ্চল লক্ষ করা যায় তা বন অধিদপ্তরের সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের অধীনে তৈরি করা হয়েছিল। গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রের বিস্তীর্ণ অরণ্য অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ হল হরিণ প্রতিপালন ক্ষেত্র যা ১৯৯১ সালে তৈরি হয়েছিল। মূলত বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতেই এই প্রকল্পটি তৈরি করেছিল বনদপ্তর। প্রায় ১৩৭ একর জায়গা জুড়ে গড়ে তোলা এই বনভূমি ‘উলুঘাটা সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও মৃগদাব’ নামে পরিচিত। বর্তমানে পর্যটন কেন্দ্রটির উন্নতির জন্য একটি বেসরকারি সংস্থাকে এর দায়িত্ব দেওয়া হলেও ভিতরে অবস্থিত মিনি জু-টির দায়িত্ব এখনও বন দফতরের হাতেই রয়েছে।

অরণ্যপ্রেমী মানুষদের জন্য এই গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র একটি আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থান হতে পারে। সবুজ গাছপালায় ভরা বিস্তীর্ণ ক্ষেত্র এবং মধ্যিখান দিয়ে আঁকাবাঁকা সুদৃশ্য ঢালাই রাস্তা সহজেই মন কেড়ে নেবে পর্যটকদের। সেই বিশাল বনানীর মধ্যেই একটি মিনি জু-ও গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে একেকটি বিরাট বিরাট খাঁচা, কখনও জলাশয় এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিশালাকার সেই হরিণ প্রতিপালন ক্ষেত্রটি দেখা যাবে। এই খাঁচাগুলিতে ময়ুর, গোল্ডেন ফেজান্ট, লোহিতপুচ্ছ বুলবুলি, টিয়া, চন্দনা, রোজ রিং প্যারাকিটের মত নানাধরণের পাখি দেখতে পাওয়া যায়। জলাশয়ে কুমির বা কচ্ছপেরও দেখা পাওয়া যায়। নিস্তব্ধ অরণ্যের মধ্যে বন্য পাখিদের ডাকে রীতিমতো শিহরণ জাগে শরীরে। তবে কেবলই তো এই অরণ্য প্রকৃতি নয়, পাশাপাশি রয়েছে বহুদূর বিস্তৃত বিশাল নদী, তাতে ইতস্তত ঘুরে বেড়ানো নৌকা, ট্রলার এবং দূরে দিগন্তের কাছে সবুজ বনরেখার আভাস। নদী তীর ধরে হাঁটতে হাঁটতে সুশীতল বাতাসে মন জুড়িয়ে যায়। ৫৮টি গেট থেকে তীব্র গতিতে জল বেরিয়ে আসার দৃশ্যও যদি চোখে পড়ে, তা এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা হয়ে থেকে যাবে। নদীর বুকে নৌকা ভাড়া করে ঘুরতে চাইলে তাও পারবেন। নদীর ওপর সেতুতে দাঁড়িয়ে দামোদর নদীর বুকে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের দৃশ্য যদি দেখা যায় তবে যেন চক্ষু সার্থক বলে মনে হবে। রক্তিম আকাশের বর্ণরঙিন প্রতিচ্ছবি যখন নদীর বুকে প্রতিফলিত হয়ে থাকবে, জলের কলরোল ভেসে আসবে মৃদু মৃদু, সেই নৈসর্গিক সৌন্দর্যে তখন মন থেকে মুছে যাবে সব গ্লানি, ক্লান্তি, হতাশা। এই অভিজ্ঞতা মনের মনিকোঠায় অম্লান হয়ে থেকে যাবে অনেকদিন।

ট্রেনে করে গড়চুমুক যেতে হলে হাওড়া থেকে উলুবেড়িয়াগামী অনেক লোকাল ট্রেন পাওয়া যাবে। ট্রেনে করে উলুবেড়িয়া পৌঁছাতে ৪৫ মিনিট মতো সময় লাগে। তারপর উলুবেড়িয়া স্টেশনে নেমে বড়রাস্তা থেকে অটো বা ট্রেকার ধরে সোজা চলে যাওয়া যাবে গড়চুমুক। যদি সড়কপথে বাসে করে যেতে হয় তবে ধর্মতলার শহীদ মিনার বাস টার্মিনাস থেকে গাদিয়াড়াগামী বাসে করে গড়চুমুক পৌঁছে যাওয়া যায়। এছাড়াও যদি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে যেতে হয় তবে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বোম্বে রোড দিয়ে উলুবেড়িয়া হয়ে চলে যাওয়া যাবে গড়চুমুক।

গড়চুমুকে থাকবার জন্য ধারেকাছে নদী তীরবর্তী অঞ্চলে সস্তা কিংবা দামি সমস্তরকম হোটেলই পাওয়া যেতে পারে, তাছাড়াও এখানে গড়চুমুক ইকো ট্যুরিজম সেন্টারের মতো সরকারী থাকবার জায়গাও পাওয়া যাবে। গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে গাছপালা ঘেরা অরণ্য-প্রকৃতির মাঝে অবস্থিত বাংলোতে আগে থাকবার ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু কোভিডের পর থেকে সেখানে ঘরভাড়া দেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

গড়চুমুকে দর্শনীয় যে-স্থানগুলি রয়েছে সেগুলি এখানে আলোচিত হল।

দামোদর নদ – গড়চুমুকের কাছে পৌঁছনোর আগেই দেখা পাওয়া যাবে সুবিশাল দামোদরের দিগন্তবিস্তৃত জলরাশি। তার বুকে ইতস্তত ভেসে বেড়ানো নৌকা ও ট্রলার লক্ষ করা যায়। কখনও কখনও নদীবক্ষে বড় জাহাজও দেখা যেতে পারে। ইচ্ছে হলে নৌকা ভাড়া করে নদীবক্ষে বেড়িয়ে আসাও যায়। নদীর বুক থেকে দূরের ৫৮টি গেট সম্বলিত সেতুটি অদ্ভুত সুন্দর দেখতে লাগে। নদীর তীর ধরে তার জলকল্লোল শুনতে শুনতে হাঁটাহাঁটি করতেও চমৎকার লাগে। নদীর বুকে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দারুণ উপভোগ্য।

৫৮ গেট – এরপর বলতে হয় গড়চুমুকে ৫৮টি গেট সম্বলিত নদী বাঁধটির কথা। এটি উলুঘাটা আটান্ন স্লুইস গেট নামে পরিচিত অবশ্য লোকমুখে তা হয়ে গেছে ৫৮ গেট। সেতুর ওপরের রাস্তা দিয়ে সর্বদাই গাড়িঘোড়া বা লোক চলাচল করে। যদি সেতুর নীচে সারি দিয়ে অবস্থিত ৫৮টি লকগেট দেখতে হয় তবে, পাশ দিয়ে সেতুর নীচে নদীতীরে ঘাসের ওপর নেমে যেতে হবে। সেখান থেকে ৫৮টি গেট স্পষ্ট দেখা যায়। অনেকসময় বর্ষাকালে সেখান থেকে জল ছাড়তে দেখা যায়। তখন একসঙ্গে ৫৮টি লকগেট থেকে তীব্র গতিতে জল বেরিয়ে আসার দৃশ্যটি দেখতে অসাধারণ লাগে।

গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র – বর্তমানে একটি বেসরকারী সংস্থার অধীনস্থ এই গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রটি এখানকার প্রধান আকর্ষণ। নীল রঙের প্রবেশদ্বার থেকে প্রথমেই টিকিট কেটে নিতে হয় এখানে ঢোকবার জন্য। টিকিটের দাম মাথাপিছু পনেরো টাকা তবে সঙ্গে বাইক বা গাড়ি থাকলে তার আলাদা ভাড়া লাগে। ভিতরে ঢুকলেই এক সবুজ আরণ্যক প্রকৃতির মধ্যে এসে হারিয়ে যায় মন। চন্দন, জারুল, শিশু, বাবলা, ঝাউ, ইউক্যালিপটাস নানারকম গাছের সমাহার লক্ষ করা যায় সেখানে। দুপাশে সবুজ এবং মাঝখান থেকে পরিচ্ছন্ন পিচের রাস্তা চলে গেছে। সেই রাস্তা থেকে ডাইনে-বায়ে নেমেও পড়া যায় জঙ্গলের মধ্যে। এখানে উল্লেখ্য যে, এই পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যেও পিকনিক করাতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে নোংরা করবেন না জায়গাটা।

মৃগদাব ও মিনি জু – গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ছোটখাটো একটি চিড়িয়াখানাও দেখা যাবে। চারিদিকে বিস্তৃত ক্ষেত্রটির একটি নির্দিষ্ট জায়গা জুড়ে গড়ে উঠেছে মৃগদাব। এটি আসলে একটি হরিণ প্রতিপালন ক্ষেত্র। একটি ঘেরাটোপের বাইরে দাঁড়িয়ে পর্যটকেরা দূরে প্রান্তরের মধ্যে চরে বেড়ানো অসংখ্য হরিণ দেখতে পাবেন এখানে। শিশুদের জন্য তো বটেই, বড়োরাও সেই দৃশ্য খুবই উপভোগ করবেন। মৃগদাবটি ছাড়াও এর আশেপাশে অনেকগুলি পাখির বিরাটায়তন খাঁচা এবং সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর দেখাও মিলবে। সেইসমস্ত খাঁচায় গোল্ডেন ফেজান্ট, টিয়া, চন্দনা, ময়ুর, চাইনিজ সিলভার ফেজান্ট, রোজ রিং প্যারাকিটের মতো নানা প্রজাতির পাখি দেখা যায়। ভিতরে থাকা জলাশয়টিতে দেখা যাবে কুমির। এছাড়াও কচ্ছপ, সজারু, গোসাপ, বনমোরগ ছাড়াও এখানকার জঙ্গলে বসন্তবৌরি, বুলবুলি, দোয়েল, শালিক ইত্যাদি নানারকম পাখি দেখা যায়। শীতকালে পরিযায়ী পাখিরাও এসে ভীড় করে এখানে। এই মিনি জু-তে অন্যান্য চিড়িয়াখানা থেকে আরও কিছু বন্যপ্রাণী আনবার পরিকল্পনা করা হয়েছে, এমনকি সেই প্রাণীদের তালিকায় বাঘও থাকতে পারে বলে জানা গেছে। করোনার পরে পর্যটন কেন্দ্র খুললেও সংস্কারের জন্য এই মিনি জু-টি কখনও কখনও বন্ধ রাখা হয়। আগে এই মিনি জু-এর জন্য টিকিট না-লাগলেও কোভিডের পরে এখানে প্রবেশের জন্য ২৫ টাকা করে টিকিট ধার্য করা হয়েছে।

এই কয়েকটি স্থান ছাড়াও গড়চুমুক থেকে কিছু দূরে রয়েছে বেলাড়ি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন এবং প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে গাদিয়াড়া থেকেও ঘুরে আসা যায়।

সারাবছরই প্রায় গড়চুমুকে পর্যটকদের ভীড় লেগে থাকে। তবে শীতকাল গড়চুমুক বেড়ানোর জন্য উপযুক্ত। শীতকালে গড়চুমুকে পিকনিক করতে আসার পরিকল্পনা করা যায়। শীতের আমেজে নদী তীরবর্তী এই অরণ্যভূমি অন্যরকম সুন্দর লাগে। তাছাড়াও বর্ষাকালে ৫৮ গেট থেকে জল ছাড়ার দৃশ্য চোখে পড়তে পারে, তাছাড়া আরও সবুজ হয়ে ওঠা অরণ্যভূমি মন কেড়ে নেয়। তবে বর্ষাকালে গেলে সাবধান হয়ে জঙ্গলের ভেতর হাঁটাচলা করতে হবে। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে গড়চুমুক ঘুরতে এলে তা দারুণ উপভোগ্য হতে পারে।

গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রের পাশেই স্থানীয় বাজার রয়েছে। সেখান থেকে নদীর টাটকা মাছ কিনতে পাওয়া যায়। এছাড়াও অন্যান্য নানা সামগ্রী কেনবার দোকানেরও অভাব হবে না।


ট্রিপ টিপস

  • কীভাবে যাবেন – ট্রেনে যেতে হলে উলুবেড়িয়াগামী ট্রেনে করে উলুবেড়িয়া স্টেশনে নেমে সেখান থেকে অটো বা ট্রেকারে করে চলে যাওয়া যায় গড়চুমুক। বাসে যেতে হলে ধর্মতলা বাস টার্মিনাস থেকে গাদিয়াড়াগামী বাস ধরতে হবে।
  • কোথায় থাকবেন – গড়চুমুকে নদী তীরবর্তী অঞ্চলে বিভিন্ন ভাড়ার থাকবার হোটেল যেমন পাওয়া যাবে তেমনি গড়চুমুক ইকো ট্যুরিজম সেন্টারের মতো সরকারী আবাসনও সেখানে রয়েছে।
  • কী দেখবেন – দামোদর নদের অপূর্ব দৃশ্য, নদীর ওপর যে সেতু রয়েছে তারই নীচে সারি সারি ৫৮টি লকগেট, যা ৫৮ গেট নামে পরিচিত, গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র যেখানে বিশাল এলাকা জুড়ে যে বনসৃজন করা হয়েছে তা অপূর্ব লাগবে দেখতে। সেইসঙ্গে এই পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে একটি মিনি জু। সেখানে মৃগদাব বা হরিণ প্রতিপালন ক্ষেত্রটি বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।
  • কখন যাবেন – নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে গড়চুমুক ঘুরতে এলে তা দারুণ উপভোগ্য হতে পারে।
  • সতর্কতা – 
    • গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে পিকনিক করলেও সেই অরণ্যভূমি কোনভাবেই আবর্জনা ফেলে নোংরা করবেন না।
    • জঙ্গলের গাছের ডাল ভেঙে নষ্ট করবেন না এবং বাচ্চাদের সেই কাজ থেকে বিরত রাখবেন।
    • চেঁচামেচি করে জঙ্গলের পরিবেশ নষ্ট করবেন না।
    • চিড়িয়াখানায় পশু-পাখির খাঁচার সামনে এমন কোন আচরণ করবেন না, যাতে প্রাণীদের ক্ষতি হতে পারে।
    • স্কুলের পোশাকে এই গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
  • বিশেষ পরামর্শ –
    • গড়চুমুকে গিয়ে নদীবক্ষে নৌকাবিহার করবার অভিজ্ঞতা যদি লাভ করা যায়, তবে তা এক অনবদ্য স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে।

সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২৩


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading