সববাংলায়

স্বদেশী আন্দোলন | বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন

বিভাগঃ ,

ভারতবর্ষে ব্রিটিশ রাজশক্তির শাসন, শোষণ ও দীর্ঘ সংগ্রামের পর স্বাধীনতা অর্জনের যে ইতিহাস, সেই দীর্ঘ ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল স্বদেশী আন্দোলন (Swadeshi Movement)। দীর্ঘকাল পরপদানত ভারতবাসীর হৃদয়ে যে জাতীয়তাবোধ জেগেছিল তা থেকেই জন্ম নিয়েছিল ব্রিটিশ অধীনতা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা। কুটিল ষড়যন্ত্রের ফলে বঙ্গভঙ্গের মতো যে কুৎসিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার, তাকে কেন্দ্র করেই জেগে উঠেছিল বাংলার মানুষ এবং সেই আগুন বাংলার বাইরেও ছড়িয়ে গিয়েছিল। বঙ্গভঙ্গ বিরোধিতা থেকে জন্ম নেওয়া এই আন্দোলনই ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন বা স্বদেশী আন্দোলন নামে পরিচিত। এই আন্দোলনে গণজাগরণ ব্রিটিশ শক্তির ভিতকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ভারতের রাজনীতিতে গান্ধীজির সক্রিয় উত্থানের পূর্বে একটি সফলতম আন্দোলন ছিল এই স্বদেশী আন্দোলন।

মূলত ১৯০৫ থেকে ১৯১১ সাল পর্যন্ত সময়কালকে স্বদেশী আন্দোলনের যুগ বলে ধরা হয়। তবে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ বিরোধিতার যে আগুন জ্বলেছিল তার ফল হয়েছিল সুদূরপ্রসারী।

১৮৮৫ সালে যখন জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তার প্রধান দায়িত্বভার ছিল বাঙালিরই হাতে। তৎকালীন ভারতবর্ষীয় রাজনীতিতে বাঙালির বুদ্ধিমত্তা ও রাজনৈতিক চিন্তাধারা খুবই সম্মানের আসনে স্থান পেয়েছিল। একপ্রকার তাঁদের হাত ধরেই যে জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটেছিল তা সমগ্র ভারতকেই প্রায় প্রভাবিত করেছিল এবং দেশ সম্পর্কে একটা দৃঢ় আবেগের সঞ্চার করে দিতে সক্ষম হয়েছিল সকলের মনে। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রচারিত দেশমাতৃকার কথা, বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতা, অরবিন্দ ঘোষের বক্তৃতা, হিন্দুমেলার কার্যকলাপ ইত্যাদি এই জাতীয়তাবোধের জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। সেই সঙ্গে অবশ্যই ছিল ব্রিটিশ সরকারের নানারকম বঞ্চনা, শোষণ ও নিষ্ঠুর ঔদাসিন্য।

বঙ্গদেশ থেকে উদ্ভুত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের এমন প্রভাব এবং বাঙালির এই প্রগতিশীল ও জাতীয়তাবাদী মনোভাবকে বড়লাট লর্ড কার্জন খুবই ভয় পেতে শুরু করেন। তিনি বাংলাকে সমস্ত ‘অশান্তির উৎস’ হিসেবে দেখতেন। সেই কারণেই বাংলার এই রাজনৈতিক চেতনাসম্পন্ন মানুষদের দুর্বল করতে এবং নয়া উদ্ভুত এই জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে ছত্রখান করে দেওয়ার জন্যই বঙ্গভঙ্গের মতো কুটিল এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং এই কার্জনের আমলেই তা কার্যকর হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, এর আগেও অনেকবার (১৮৫৪, ১৮৭৪, ১৮৯৬, ১৯০৩) বঙ্গভঙ্গ করবার প্রয়াস করা হয়েছিল। শেষপর্যন্ত ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জনের কুটনৈতিক মধ্যস্থতায় বঙ্গভঙ্গ সফল হয়েছিল। বঙ্গভঙ্গের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাকে ভাগ করে বিশেষত হিন্দু-মুসলিমকে বিভক্ত করে তাদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদকে দুর্বল করে দেওয়া। সেই সঙ্গে লর্ড কার্জন প্রথম থেকেই জাতীয় কংগ্রেসের বিনাশ সাধনের চেষ্টা করে গেছেন। কংগ্রেসকে প্রচন্ড এক ধাক্কায় পঙ্গু করে দেওয়ার এক হাতিয়ার হিসেবেও বঙ্গভঙ্গকে ব্যবহার করা হয়েছিল বললে হয়ত ভুল হবে না।

যদিও কার্জন বঙ্গভঙ্গের পক্ষে যেসব যুক্তি দেখিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হল, একজন গভর্নরের পক্ষে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত এই বিশাল প্রদেশের শাসনভার চালানো সম্ভবপর হচ্ছে না। বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব অনুযায়ী ঠিক হয় উত্তরবঙ্গ ও পূর্ববঙ্গকে আসামের সঙ্গে যুক্ত করে ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ নামে একটি প্রদেশ গঠিত হবে এবং বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হবে মূল ‘বাংলা প্রদেশ’, যার রাজধানী হবে কলকাতা। যাই হোক, ১৯০৫ সালের মে মাস থেকেই সংবাদপত্রগুলিতে বঙ্গভঙ্গের নতুন প্রস্তাব প্রকাশিত হতে থাকলে জনগণ তখন থেকেই সোচ্চার হয়ে ওঠে এবং ১৯ জুলাই সরকারিভাবে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা হলে এতদিনকার নানা পুঞ্জীভূত ক্ষোভ দাবানল হয়ে দেখা দেয়।

এই স্বদেশী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতীয় রাজনীতিতে মোট তিনটি ধারার জন্ম হয়, যথা নরমপন্থী, চরমপন্থী এবং বিপ্লববাদী ধারা। নরমপন্থায় বিশ্বাসী রাজনীতিকরা চেয়েছিলেন নিয়মতান্ত্রিক পথে আবেদন-নিবেদন নীতির পথে হাঁটতে। এই নীতিরই বিরোধিতা করে চরমপন্থার জন্ম হয়েছিল, যাঁরা স্বদেশি এবং বয়কট আন্দোলনের মাধ্যমে স্বরাজ অর্জন করতে চেয়েছিলেন। ঐতিহাসিকেরা বলেন যে, নরমপন্থী নেতাদের সীমাবদ্ধতা, পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রতি মোহ, আন্দোলনের দুর্বল পদ্ধতিই চরমপন্থার উদ্ভবের মূল কারণ ছিল। অন্যদিকে বিপ্লববাদীদের বিশ্বাস ছিল সশস্ত্র বৈপ্লবিক সংগ্রামে। সমগ্র ভারতেই এই বিপ্লববাদী কার্যকলাপ বিস্তৃত হয়েছিল কিন্তু এর মূল আতুঁড়ঘর ছিল বাংলা, মহারাষ্ট্র এবং পাঞ্জাব।

স্বদেশী আন্দোলনের শুরু থেকেই বিদেশি দ্রব্য বয়কট করার এবং স্বদেশী দ্রব্য প্রচার করবার ডাক দেওয়া হয়। ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতা সিটি হলে এই মর্মে একটি বয়কট প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং সকলে ম্যাঞ্চেস্টারের কাপড় এবং লিভারপুলের লবণ ব্যবহার বয়কট করতে সম্মত হন। বিদেশি বিভিন্ন দ্রব্য বর্জনের পাশাপাশি প্রকাশ্যে বিদেশি দ্রব্য পোড়ানো হয়, বিদেশি পণ্য বিক্রয়কারী দোকানে পিকেটিং করা হতে থাকে। কেবল শহরাঞ্চলে নয়, গ্রামেগঞ্জেও এই বিদেশি পণ্য বয়কটের ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। এই বয়কট আন্দোলন বাংলার বাইরেও ছড়িয়েছিল। মহারাষ্ট্রে লোকমান্য তিলক জনসাধারণের মধ্যে স্বদেশী মতবাদ ও বয়কট আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিবাজী ও গণপতি উৎসবের আয়োজন করেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বনির্ভর বা আত্মনির্ভরতার ওপর জোর দেওয়া হতে থাকে। শিক্ষাকে স্বনির্ভর করবার উদ্দেশ্যেই ন্যাশানাল কলেজ অব বেঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়, যার অধ্যক্ষ হন স্বয়ং অরবিন্দ ঘোষ। ১৯০৬ সালে গড়ে ওঠে জাতীয় শিক্ষা পরিষদ। ‘বন্দেমাতরম’ গানটি স্বদেশী আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীত হয়ে ওঠে। এছাড়াও রবীন্দ্রনাথ এসময় স্বদেশী আন্দোলনকে মাথায় রেখেই বহু গান রচনা করেছিলেন। হিন্দু-মুসলমানকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করবার জন্য রাখীবন্ধন অনুষ্ঠানেরও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। স্বদেশী আন্দোলনের নানারকম কর্মকাণ্ডের কথা রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসে উঠে এসেছে।

এরই পাশাপাশি এসময় বিভিন্ন বিপ্লবী গুপ্ত সমিতি গড়ে উঠেছিল। মূলত সশস্ত্র সংগ্রামই ছিল তাদের আন্দোলনের পথ। এই গুপ্ত সমিতি প্রসঙ্গে প্রথমেই পি. মিত্রের পরিচালনায় গড়ে ওঠা ‘অনুশীলন সমিতি’র কথা বলতে হয়। ঠিক এর পরপরই যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তেরও একটি গুপ্ত সমিতি গড়ে ওঠে। এই দুই সমিতির উদ্দেশ্য ও কর্মপদ্ধতি প্রায় সমান ছিল বলেই দুটি দল সংযুক্ত হয়ে যায় এবং একটা সময় পর অনুশীলন সমিতি বলতে এই দুটি দলকেই বোঝাত। তাঁরা লাঠিখেলা, মুষ্ঠিযুদ্ধ, অশ্বারোহণ, ব্যায়াম ইত্যাদির অনুশীলন করত। মনে রাখতে হবে অনুশীলন সমিতি ১৯০২ সালে গড়ে ওঠে। ১৯০৫ সালে যখন বঙ্গভঙ্গ হয় তখন এই সমিতির বিপ্লবীরা সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, কটক, ফরিদপুর ইত্যাদি স্থানে এবং কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় অনুশীলন সমিতির শাখা গড়ে উঠতে থাকে। তবে অনুশীলন সমিতির পাশাপাশি ‘সুহৃদ সমিতি’, ‘সাধনা সমিতি’, ‘ব্রতী সমিতি’ ইত্যাদি আরও কয়েকটি গুপ্ত সমিতি গড়ে উঠেছিল। ক্রমে বিপ্লবের পন্থা নিয়ে পি.মিত্রের সঙ্গে বারীন ঘোষ, উল্লাসকর দত্ত, হেমচন্দ্র দাস কানুনগো প্রমুখ বিপ্লবীর বিরোধ বাধে। বারীন ঘোষেরা সরাসরি সশস্ত্র বিপ্লবের পথ বেছে নেন। তাঁরা ‘যুগান্তর’ নামে পত্রিকা প্রকাশ করে সশস্ত্র সংগ্রামের পথে স্বাধীনতা অর্জনের বাণী প্রচার করতে থাকেন। তাঁরা যুগান্তর দল নামেই পরিচিত হন। অস্ত্র সংগ্রহ ও বোমার পরীক্ষানীরিক্ষা চালাতে থাকেন তাঁরা। এই সশস্ত্র বিপ্লবের পথে হেঁটেই ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী শহীদের মতো প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন। আলিপুর বোমা মামালায় বারীনদের পক্ষে উকিল হিসেবে লড়েছিলেন স্বয়ং দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। অধিকাংশ বিপ্লবীকেই ব্রিটিশ সরকার নির্বাসনে পাঠায়। আরও নানাভাবে এই বিপ্লব দমনের চেষ্টা করে ইংরেজ সরকার। ১৯০৯ সালে অনুশীলন সমিতি ও যুগান্তর দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও এই বিপ্লব এত সহজে ঠেকিয়ে রাখা যায়নি।

বাংলার বাইরেও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এই স্বদেশী আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে গিয়েছিল। মহারাষ্ট্রে বাসুদেব বলবন্ত ফাড়কের নেতৃত্বে প্রথম গুপ্ত সমিতি গড়ে উঠেছিল। ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার তাঁকে ‘বৈপ্লবিক জাতীয়তাবাদের জনক’ বলে অভিহিত করেছিলেন। লোকমান্য তিলকের কথা বলা হয়েছে আগেই। এখানে বিনায়ক দামোদর সাভারকারেরও নাম করতে হয়। ১৯০৬ সালে সাভারকার লন্ডনে গিয়ে সেখান থেকে বোম্বাইতে বিপ্লবীদের কাছে অস্ত্র ও বোমা তৈরির ফর্মুলা পাঠাতেন। অন্যদিকে পাঞ্জাব কেশরী লালা লাজপত রাইও পাঞ্জাবে বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লালা হরদয়াল, অজিত সিং-এর মতো মানুষেরা। সেখানে অজিত সিং ও অম্বাপ্রসাদ বিভিন্ন বিপ্লবী পত্রিকাও প্রকাশ করেছিলেন, সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ‘ঝঙ্গের-শিয়াল’ ও ‘ভারতমাতা’। কেবল ভারতেই নয় ভারতবর্ষের বাইরেও এই বৈপ্লবিক আন্দোলনের একটা ধারা গড়ে উঠেছিল। সাভারকারের কথা বলা হয়েছে আগেই। এই তালিকায় অবশ্যই বলতে হবে মাদাম কামার কথা যাঁকে বলা হয় ‘ভারতীয় বিপ্লববাদের জননী’।

এইভাবে বাংলা ছাড়িয়ে ভারত এবং ভারতের বাইরেও ব্রিটিশ বিরোধী এই বিপ্লবের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়েছিল।

স্বদেশী আন্দোলনে সংবাদপত্রগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। কৃষ্ণকুমার মিত্রের ‘সঞ্জীবনী’ পত্রিকায় সরাসরি বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করা হয়েছিল। এই পত্রিকাটিই সর্বপ্রথম ‘বয়কট’-এর ডাক দিয়েছিল। অন্যদিকে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জির পত্রিকা ‘বেঙ্গলি’তে বঙ্গভঙ্গকে ‘A great national disaster’ বলে অভিহিত করা হয়েছিল। এছাড়াও বাংলাভাষার পত্রিকা ‘দৈনিক হিতবাদী’, ‘সন্ধ্যা’, ‘বসুমতী’, ‘বঙ্গবাসী’, ‘স্বরাজ’, ‘নবশক্তি’, ‘যুগান্তর’ প্রভৃতিতে বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করা হয়। বিপ্লবের আগুনকে ছড়িয়ে দিতে এই পত্রপত্রিকাগুলির অবদানও কম নয়।

সর্বস্তরের এই বিরাট গণআন্দোলন এবং অবিরাম বৈপ্লবিক কার্যকলাপের ফলে অবশেষে ভীত হয়ে ব্রিটিশ সরকার ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হন। অতএব এই আন্দোলন সফলতা পেয়েছিল ঠিকই তবুও বাংলা তার পুরোনো বিশাল আয়তন ফিরে পায়নি। বিহার ও উড়িষ্যাকে যুক্ত করে একটি নতুন প্রদেশ গঠিত হয়েছিল। অন্যদিকে বাংলার পূর্ব ও পশ্চিম অংশ যুক্ত করে তৈরি হয়েছিল আরেকটি নতুন প্রদেশ এবং আসাম আগের মতোই একজন চিফ কমিশনারের অধীনেই গেল। ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়, ফলে কলকাতার গুরুত্ব কিছুটা কমে গিয়েছিল। তবে যাই হোক না কেন, স্বদেশী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এই যে এক বিশাল গণজাগরণ তা ইতিপূর্বে দেখা যায়নি। এই আন্দোলন নিঃসন্দেহেই ব্রিটিশ শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। ভারতবর্ষের ইতিহাসে ছয় বছর ব্যাপী এই আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

তথ্যসূত্র


  1. ‘স্বদেশ, সভ্যতা ও বিশ্ব’ (পুনর্মুদ্রণ), জীবন মুখোপাধ্যায়, শ্রীধর পাবলিশার্স, কলকাতা, জানুয়ারি, ২০২১
  2. https://en.m.wikipedia.org/
  3. https://byjus.com//
  4. https://testbook.com/
  5. https://www.drishtiias.com/
  6. https://unacademy.com/

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading