খেলা

ভিভিএস লক্ষ্মণ

ভিভিএস লক্ষ্মণ  (V.V.S. Lakshman) একজন প্রাক্তন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় ক্রিকেটার। তিনি ডানহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন এবং স্ট্রোক মারার জন্য বিখ্যাত। তিনি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেট খেলেছেন।  পেস এবং স্পিন বোলিং সমান দক্ষতায় খেলতে পারতেন তিনি। তাঁর স্ট্রোক, লেগ ফ্লিক শটগুলির প্রশংসা ক্রিকেটপ্রেমীমাত্রই করেন। ভালোবেসে তাঁর ভক্তরা ভিভিএস লক্ষণ  নামের পুরো অর্থ করা হয়েছে ‘ভেরি ভেরি স্পেশাল লক্ষণ’। তিনি বর্তমানে ক্রিকেট ধারাভাষ্য করেন।

১৯৭৪ সালে ১ নভেম্বর ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের হায়দ্রাবাদে ভিভিএস লক্ষ্মণের জন্ম হয়। তাঁর পুরো নাম ভাঙ্গিপুরাপু ভেঙ্কটা সাই লক্ষ্মণ। তাঁর বাবার নাম ছিল শান্তারাম এবং তাঁর মায়ের নাম সত্যভামা। তাঁরা দুজনেই বিজয়ওয়াড়ার নামকরা চিকিৎসক ছিলেন। লক্ষণ ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের দূরসম্পর্কের আত্মীয় হন। ২০০৪ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারী কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনের ছাত্রী জি. আর. শৈলজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন লক্ষ্মণ । তাঁদের এক পুত্র এবং এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

তিনি হায়দ্রাবাদের লিটল ফ্লাওয়ার হাইস্কুল থেকে পড়াশোনা করেন। তিনি ভীষণই মেধাবী এক ছাত্র ছিলেন। দশম শ্রেণীতে বিজ্ঞানে আটানব্বই শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন তিনি। স্নাতক হওয়ার জন্য মেডিকেল স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন বটে কিন্তু কেরিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন ক্রিকেটকে।

১৯৯৪ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে লক্ষ্মণ তাঁর অনূর্ধ্ব -১৯ (under 19) খেলা শুরু করেন ভারতের হয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের মাধ্যমে। প্রথম ম্যাচেই তিনি ৮৮ রান করেন। সেই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি প্রথম ইনিংসে ১৫১ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৭ রান করেছিলেন। এই সিরিজের শেষ খেলায় তিনি প্রথম ইনিংসে ৩৬ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৪ রান করে সেই সিরিজের সবথেকে বেশি রান সংগ্রাহক হন। সেই বছরের আগস্ট মাসে ভারত যখন ইংল্যান্ডে যায় ওয়ান ডে ও টেস্ট সিরিজ খেলতে তখন তিনি খুব ভালো স্কোর করতে পারেননি। তিনি মাত্র ২০ এবং ৫ রান করেন। তবে তারপর খেলা তিনটি টেস্ট ম্যাচের প্রথমটিতে তিনি ১১৯ রান এবং তার পরের দুটিতে ২৮ এবং ৪ রান করেন। ১৯৯২-৯৩ সালের রঞ্জি ট্রফির খেলায় তিনি হায়দ্রাবাদের হয়ে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে প্রথম ইনিংসে শূন্য এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭ রান করেন। তার পরের মরশুমে তিনি হায়দ্রাবাদের হয়ে মাত্র একটি ম্যাচে খেলেন। এরপর লক্ষ্মণ ১৯৯৪-৯৫ সালের দলীপ ট্রফিতে কোন উল্লেখযোগ্য স্কোর করতে পারেননি। এরপরের রঞ্জি ট্রফি সিজনে তিনি পাঁচটি ম্যাচ মিলিয়ে ৫৩২ রান করেন। এরমধ্যে গড়ে প্রতিটি ম্যাচে তিনি ৭৬ রান করেন এবং দুটি ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন। ১৯৯৫-৯৬ সালের দলীপ ট্রফির সেমিফাইনালে তিনি প্রথম ইনিংসে ৪৭ এবং পরের ইনিংসে ১২১ রান করেন এবং রাহুল দ্রাবিড়ের সাথে যৌথভাবে ১৯৯৯ রান করেন। এরপরের রঞ্জি ট্রফিতে তিনি এগারোটি ইনিংস মিলিয়ে ৭৭৫ রান করেন। তিনি গড়ে প্রতি ইনিংসে ৮৬ রান এবং কর্নাটকের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ২০৩ রান করেন। যদিও সেমিফাইনালে শেষ অবধি হায়দ্রাবাদ হেরে যায়। এরপর তিনি ইরানি কাপ খেলেন। ১৯৯৬-৯৭ সালের রঞ্জি ট্রফিতে তিনি মাত্র তিনটে ম্যাচ খেলেন এবং তিনটি সেঞ্চুরি ও একটি হাফ সেঞ্চুরি করেন। এরপর তাঁকে ভারতীয় টেস্ট টিমে মনোনীত করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলার জন্য। তিনি ল্যাঙ্কাশায়ারের ওভারসিজ প্লেয়ার (overaeas player) হিসেবে যোগদান করে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের (county championship) পাঁচটি ম্যাচ খেলেন। সারের বিরুদ্ধে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে একটি সেঞ্চুরিও করেছিলেন লক্ষ্মণ।

১৯৯৬ সালে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটে লক্ষ্মণের আত্মপ্রকাশ আমেদাবাদে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামার মধ্য দিয়ে। তিনি সেই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০ রান করেছেন। এর পরের খেলা ছিল কলকাতায়। সেখানে তিনি প্রথম ইনিংসে ১৪ এবং পরের ইনিংসে এক রান করেন। এর পরের মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিনি মাত্র একটি টেস্টে খেলেন। এরপর কিংস্টনে ওপেনার (opener) হিসেবে তিনি প্রথম ইনিংসে ৬৪ রান করেন। কিন্তু সারা সিরিজে ওপেনার হিসেবে তাঁর গড়ে মাত্র ২৮ রান ছিল। এর পরের তিন বছরে তাঁর ক্রীড়া জীবনে তেমন কিছু উল্লেখযোগ্য সাফল্য নেই। ১৯৯৮ সালে কলকাতায় তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওপেনিংয়ে ৯৫ রান করেন। এরপর তাঁকে নিউজিল্যান্ড সফরের টেস্ট স্কোয়াডে (test squade) খেলোয়াড় হিসেবে মনোনীত করা হয়। সেই বছরেই তিনি তাঁর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে ডেবিউতে ডাক স্কোর করেন। তাঁর পারফরম্যান্স খারাপ থাকার কারণে তাঁকে এক বছরের জন্য ওয়ান ডে দল থেকে সরিয়ে রাখা হয়। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুটো টেস্টে তিনি ৬৬ রান করেন এবং তাঁর গড়ে রান ছিল মাত্র ১৬। সেই বছরের পরের দিকে এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (Asian Test Championship) তিনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬৭ রান করেন। কিন্তু তারপর তাঁর পারফরম্যান্স তেমন উল্লেখযোগ্য না হওয়ায় তাঁকে টেস্ট দল থেকে বাদ দেওয়া হয়।

লক্ষ্মণের জীবনের আরেকটি বড় মাইলফলক হল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (Indian Premier League, IPL) খেলা। তিনি ডেকান চ্যালেঞ্জার্সের (Deccan Challengers) হয়ে এই সিরিজ খেলেন। তিনি প্রথম সেশনে তাঁর দলের অধিনায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের দল সেই সেশানে খুব খারাপ ফলাফল করায় তিনি সেশানের মাঝখান থেকে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর জায়গায় অ্যাডাম গ্রিলক্রিস্ট অধিনায়ক হয়েছেন। তিনি সেই সিজনে ছটি ম্যাচ খেলে ১৫৫ রান করেছিলেন প্রতিটি খেলায় গড়ে ৩১ রান করেছেন এবং তাঁর স্ট্রাইক রেট (strike rate) ছিল ১১৮। ২০১১ সালে নিলামে তাঁকে নতুন তৈরি হওয়া কোচি টাস্কার্স কেরালা (Kochi Taskers Kerala) কিনে নেয়। কিন্তু তিনি প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলে তারপরে চোটের কারণে আর কোন ম্যাচ খেলতে পারেননি। পরের বছর ২০১২ সালে তাঁর নামে নিলাম হলেও তাঁকে কোনো দলই কেনে নি তাই তাঁর সে বছর আগে খেলা হয়নি। ২০১৩ সালে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ (Sunrisers Hyderabad) দলের পরামর্শদাতা (mentor) হিসেবে তাঁকে নিয়োগ করা হয়।

১৯৯৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে লক্ষ্মণের প্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়। যদিও প্রথম ম্যাচেই তিনি শূন্য রানে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। ১৯৯৮ সালে তাঁর একদিনের ক্রিকেটের রান ছিল নিরাশাজনক ফলে তাঁকে বসিয়ে রাখা হয়েছিল এক বছরেরও বেশি সময়। ১৯৯৯-এ পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি টেস্ট ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৬৬ রান৷ ভালো খেলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে না পারার জন্যই তাঁকে টেস্ট টিম থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল৷ এইসময় রঞ্জি ট্রফিতে ফিরে এসে রেকর্ড ভাঙলেন। এর ফলস্বরূপ ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসে ফের ডাক পেলেন ভারতীয় দল থেকে অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য এবং তৃতীয় অর্থাৎ শেষ টেস্টে ১৬৭ রান করলেন খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে। লক্ষ্মণ বুঝেছিলেন ওপেনার হিসেবে খেলা তাঁর জন্য ঠিক নয়, ফলে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে পেরত আসার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও ২০০০ সালের শেষে আবার ডাক পান এবং ২০০১ এ অস্ট্রেলিয়া সফরেও জায়গা পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই ম্যাচে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্য হয়। এই টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে প্রথম ইনিংসে তিনি ৫৯ রান করেন এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ২৮১ রান করেন। এর মাধ্যমে তিনি সুনীল গাভাস্কারের করা ভারতীয় টেস্ট রেকর্ড স্কোর (২৩৬) ভাঙ্গেন। পরে বীরেন্দ্র শেহবাগ লক্ষণের এই রেকর্ডটি আবার ভাঙ্গেন। তিনি তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত  খেলার স্টাইল (style), আক্রমণাত্মক মনোভাব এবং টেকনিক্যাল সাউন্ডের (technical sound) জন্য জনপ্রিয়।

২০০১ সালের এই সিরিজই তাঁর জীবনের এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায় বলা চলে। কলকাতার ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে লক্ষ্মণের ব্যাট থেকে এল ২৮১ রান। সুনীল গাভাস্কারের ২৩৬ রানে অপরাজিত থাকার দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভেঙে দিলেন লক্ষ্মণ। সেই ইনিংসেই রাহুল দ্রাবিড় ও লক্ষ্মণের ৩৭৬ রানের এক স্মরণীয় পার্টনারশিপ গড়ে উঠেছিল। উইসডেনের তালিকায় সেরা ১০০টি টেস্ট ইনিংসের মধ্যে লক্ষ্মণের এই ইনিংসটি ষষ্ঠ স্থান পেয়েছে। টেস্টের পর একদিনের ক্রিকেটে তিন নম্বরে ব্যাট করেও অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছিলেন। এরপর লক্ষ্মণ ওয়ানডে এবং টেস্ট ক্রিকেটে নিজের জায়গা অন্তত কিছু বছরের জন্য পাকা করে ফেলেছিলেন৷ ২০০৩-০৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে তিনি ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলেছিলেন। ২০০৫ এর ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে, ২০০৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করে ভারতকে জয় এনে দিয়েছেন লক্ষ্মণ। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সফরে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ২০০৭-০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট সিরিজে লক্ষ্মণের ফর্ম ছিল দুর্দান্ত। দ্বিতীয় দিনে করেছিলেন ১০৯ রান। এটি ছিল টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ১২তম সেঞ্চুরি। একটি মাঠে ১০০০ রান করবার রেকর্ড পর্যন্ত রয়েছে তাঁর। দুর্ভাগ্যের বিষয় তিনি কখনও বিশ্বকাপের একটি ম্যাচও খেলবার সুযোগ পাননি। এভাবেই নানা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ার। ২০১২ সালের ১৮ আগস্ট তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন।

 তিনি বিসিসিআই (BCCI) এর ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটির (Cricket Advisory Committee) সদস্য হন। এই তিনজনের পরামর্শদাতা কমিটির আরো দুজন সদস্য হলেন সচিন তেন্ডুলকার এবং সৌরভ গাঙ্গুলী। এই কমিটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যার মধ্যে অন্যতম ছিল অনিল কুম্বলেকে বোলিং (bowling) কোচ হিসেবে নিয়োগ করা এবং রবি শাস্ত্রীকে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ মনোনীত করা।

ক্রিকেটে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিবিধ পুরষ্কারে সম্মানিত হয়েছেন তিনি। ২০১১ সালে পেয়েছিলেন ‘পদ্মশ্রী’ পুরষ্কার। খেলাধুলায় অবদানের জন্য ২০০১ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘অর্জুন পুরষ্কার’ প্রদান করেছিল। ২০০২ সালে পেয়েছেন ‘উইসডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার’ (Wisden Cricketer of the Year)। নয়াদিল্লির টেরি বিশ্ববিদ্যালয় (Teri University) তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধি প্রদান করেছিল।

ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁর অবদান চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আগামী প্রজন্ম তাঁকে একজন কিংবদন্তি ক্রিকেটার হিসেবে মনে রাখবে।

সববাংলায় পড়ে ভালো লাগছে? এখানে ক্লিক করে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ভিডিও চ্যানেলটিওবাঙালি পাঠকের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে যোগাযোগ করুন – contact@sobbanglay.com এ।


Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

বাংলাভাষায় তথ্যের চর্চা ও তার প্রসারের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন