ব্রিটিশ অধ্যুষিত পরাধীন ভারতের দিকে তাকালে সেই সময়ের এমন অনেক বাঙালির নাম উঠে আসবে যাঁরা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই রকমই এক সমাজসেবী, জাতীয়তাবাদী মানুষ হলেন রাজা সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিক (Subodh Chandra Basu Mallik) যিনি জনমানসে রাজা সুবোধ মল্লিক বলেই বেশি পরিচিত। সুবোধ মল্লিক জাতীয় শিক্ষার ভিত্তি প্রস্তুত করতে অসাধারণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন এবং বেঙ্গল ন্যাশানাল কলেজের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। স্বদেশী আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল ওতপ্রোত। তাঁর বসতবাটি বিপ্লবীদের আস্তানাও হয়ে উঠেছিল। অরবিন্দের সম্পাদিত ‘বন্দে মাতরম’ পত্রিকার অর্থায়ন করেছিলেন তিনি। আবার আলিপুর বোমা ষড়যন্ত্র মামলার প্রেক্ষিতে তাঁকে নির্বাসনও দেওয়া হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ, বিপিনচন্দ্র পাল প্রমুখ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে ছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। জাতীয় শিক্ষা পরিষদে তাঁর অবদানের জন্য মানুষ তাঁকে ‘রাজা’ উপাধিতে সম্মানিত করেছিল।
১৮৭৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতার পটলডাঙায় বসু মল্লিক বাড়িতে বিকেল ৩টের সময় সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিকের জন্ম হয়। উল্লেখ্য যে, এই মল্লিক পরিবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোং লিমিটেড, জাহাজ নির্মাণের ব্যবসা ইত্যাদিতে সফল হয়েছিল এবং বৈঠকখানা বাজারে, ওড়িশায় ছিল তাদের কেনা জমিজমা। মোটকথা বেশ রাজকীয় সম্পত্তির অধিকারী হয়ে ছিল এই পরিবার। সুবোধ মল্লিকের পিতার নাম প্রবোধ চন্দ্র বসু মল্লিক এবং মা কুমুদিনী। সুবোধের জন্মের পরেই তাঁর পিতা ওয়েলিংটন স্কোয়ারের পূর্বে একটি জমি ক্রয় করেন এবং ১২, ওয়েলিংটন স্কোয়ারে গড়ে ওঠে প্রাসাদোপম একটি বাড়ি। এই বাড়িতেই সুবোধ মল্লিক বড় হয়ে উঠেছিলেন। মাত্র নয় বছর বয়সে সুবোধচন্দ্রের পিতার মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকে তিনি তাঁর কাকা হেমচন্দ্রের কাছেই লালিত-পালিত হয়েছিলেন। এই হেমচন্দ্র ছিলেন অত্যন্ত অভিজাত স্বভাবের ফ্যাশনদুরস্ত, বিলাসবহুল জীবনযাপনে অভ্যস্ত একজন মানুষ। গান-বাজনা, থিয়েটার ইত্যাদিতে হেমচন্দ্রের প্রভূত আগ্রহ ছিল এবং আচরণে তিনি একপ্রকার ব্রিটিশদের মতোই ছিলেন। সেই হেমচন্দ্রের ছেলে নিরোদের সঙ্গে সুবোধ মল্লিক প্রকৃত ভাইয়ের মতোই বড় হয়ে উঠছিলেন।
সিটি স্কুল এবং সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল থেকে সুবোধের মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল। তারপর প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পড়েন এবং বি.এ ক্লাসের ছাত্র থাকাকালীন সুবোধ মল্লিক চলে গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডে। ১৯০০ সালে কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন পড়াশোনার জন্য। কিন্তু পারিবারিক সমস্যার কারণে বিদেশের পড়াশোনা সমাপ্ত না করেই দেশে ফিরে এসেছিলেন তিনি।
কেমব্রিজ থেকে ফিরে আসার পরেই জাতীয়বাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এমনকি ওয়েলিংটনের নিজের প্রাসাদোপম বাড়িটি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে বিপ্লবীদের নানা কর্মকাণ্ডের আস্তানা। উল্লেখ্য যে, ১৯০৬ সালে, বঙ্গভঙ্গের সময় সুবোধ মল্লিকের ১২, ওয়েলিংটন স্কোয়ারের বাড়িটি বিপ্লবী অরবিন্দ ঘোষের বিশ্রামস্থল হয়ে উঠেছিল। এছাড়াও স্বদেশী আন্দোলনের সময় সেই বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাল গঙ্গাধর তিলক, সুরেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়, প্রিন্স কাউন্ট ওকুমা (জাপানের), গোপাল কৃষ্ণ গোখলে, আগা খান (তৃতীয়), সখারাম গণেশ দেউস্কর, মৌলভী আব্দুল রসুল, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ বিখ্যাত ব্যক্তিরা এসেছেন।
বঙ্গভঙ্গের আগে থেকেই ভারত তথা বাংলাদেশের চতুর্দিকে জাতীয় কংগ্রেসের হাত ধরেই রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়ে গিয়েছিল। ব্রিটিশ বিরোধী নানারকম আন্দোলন, প্রতিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠছিল।
সেই সময় ১৯০৪ সালে ব্রিটিশ সরকার ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট পাশ করে। ভারতীয় জাতীয় আন্দোলনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে হ্রাস করার এটি ছিল একটি পদক্ষেপ। আসলে বিংশ শতকের শুরু থেকেই ঔপনিবেশিক সরকার কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ব্রিটিশ বিরোধিতার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছিল। এরই সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বেশ কিছু প্রাইভেট কলেজ, যা ভারতীয়দের দ্বারা পরিচালিত হলেও ব্রিটিশ সরকার দ্বারা অনুমোদিত ছিল। ১৯০৪ সালের এই আইন পাশের মাধ্যমে স্টুডেন্ট গভর্নেন্স বডিতে সরকার-নিযুক্ত সদস্য বৃদ্ধি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেটে ছাত্রদের প্রভাবকে পঙ্গু করে দেওয়ার একটি চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি প্রচুর প্রাইভেট কলেজকেও সরকার ডিফান্ডিং এবং তাদের অধিভুক্তি বাতিল (Disaffiliation) করে দেয়। উল্লেখ্য যে, এই ১৯০৪ সালেই সুবোধচন্দ্র জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য হয়েছিলেন। জাতীয় আন্দোলনকে রোধ করতে আরও কড়া এক পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করলে সারা বাংলা তোলপাড় হয়ে যায়। চতুর্দিকে প্রতিবাদ গর্জে ওঠে। এরফলে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের প্রধান কর্মসূচির মধ্যে পড়ে বিদেশী দ্রব্য বর্জন এবং জাতীয় শিক্ষা। এর ফলস্বরূপ পার্ক স্ট্রীটে আয়োজিত একটি সভায় জাতীয় শিক্ষা পরিষদ বা ন্যাশানাল কাউন্সিল অব এডুকেশনের ধারণাটি উদ্ভুত হয়।
সেই ১৯০৫ সালেই শিবনারায়ণ দাস লেনে মহেন্দ্র নারায়ণ দাসের বাড়িতে ‘ফিল্ড অ্যান্ড একাডেমি’ নামে একটি সমিতি শুরু করেন সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিক। তিনিই ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়াও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-সহ অনেক দেশপ্রেমিক, ব্যারিস্টার, সমাজের বহু মান্যগণ্য কর্মকর্তা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন। ১৯০৫ সালে প্রথমে ৭ই কার্তিক ব্যারিস্টার এ.রসুলের সভাপতিত্বে ফিল্ড অ্যান্ড একাডেমির ব্যানারে একটি বড় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১০ই কার্তিক ২২, রাধানাথ মল্লিক লেনে ছাত্রদের একটি বড় সমাবেশ ও সভা হয়। সুবোধচন্দ্রের কাকা ক্ষেত্রচন্দ্র বসু মল্লিকের বাড়ির উঠোনে ১০০০ ছাত্র জমায়েত হয়েছিল। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। এই সভায় সিটি কলেজের ছাত্র শচীন্দ্রনাথ বসু একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন যার অর্থ ছিল ছাত্ররা সরকারি স্কুল ও কলেজ ত্যাগ করতে প্রস্তুত কিন্তু ব্রিটিশ সরকারকে তারা বঙ্গদেশ ভাগ করতে দেবে না।
রবীন্দ্রনাথও তাঁর সভাপতির ভাষণে ছাত্রদের সরকার বিরোধী আন্দোলনে যোগ দিতে উৎসাহিত করেন। ফলে ছাত্রদের মারধর এবং গ্রেফতার করা হতে থাকে। শিক্ষাব্যবস্থা এবং ছাত্রদের এই দুরাবস্থা লক্ষ করে সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিক ফিল্ড অ্যান্ড একাডেমির এক সভায় সরকারের সাহায্যের অপেক্ষা না করে স্কুল ও কলেজ চালু করার প্রস্তাব দেন এবং সেই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরিতে তিনি এক লক্ষ টাকা দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরের দিন, ১৯০৫ সালের ৯ নভেম্বর প্যান্থার গ্রাউন্ডে একটি সভায় সুবোধ মল্লিক সভাপতিত্ব করেন। সেখানে চিত্তরঞ্জন দাস জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, বিপিনচন্দ্র পাল, হীরেন্দ্রনাথ দত্তের মতো বিখ্যাত মানুষেরা। সেই সভাতেই বাংলায় ন্যাশানাল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য এক লক্ষ টাকা অনুদান প্রদানের ঘোষণা করেন সুবোধচন্দ্র। সেই সভাতেই বিপিনচন্দ্র পাল ডায়াসে দাঁড়িয়ে সুবোধচন্দ্র মল্লিককে ‘রাজা’ বলে উচ্চারণ করেন। ১৯০৬ সালের ১ জুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিল নিবন্ধিত হয়েছিল। এই ন্যাশানাল কলেজই কিন্তু আধুনিক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। শ্রী অরবিন্দ ঘোষ এই ন্যাশানাল কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ হয়েছিলেন। বউবাজারে একটি ভাড়া বাসায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
বিপ্লবী অরবিন্দ ঘোষের সঙ্গে সুবোধ মল্লিকের শুধু ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই ছিল না, একসঙ্গে সক্রিয়ভাবে দেশের কাজ করেছিলেন তাঁরা। বিপিনচন্দ্র পালের ‘বন্দেমাতরম’ পত্রিকা, পরবর্তীকালে অরবিন্দ ঘোষ যার সম্পাদনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন, সেই পত্রিকার সহ-প্রকাশক এবং পৃষ্ঠপোষক ছিলেন সুবোধচন্দ্র। ১৯০৬ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে সুবোধচন্দ্র তাঁর ২/১ ক্রিক রো-এর বাসভবন থেকে বন্দেমাতরম পত্রিকার প্রেস ও অফিস পরিচালনার অনুমতি দান করেন। এই পত্রিকায় অরবিন্দের কলামগুলি জাতীয় চেতনার জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। অরবিন্দ যখন কলকাতায় সুবোধ মল্লিকের বাড়িতে থাকতেন তখন তাঁরা দুজনে অনেকসময় গভীর রাতে একসঙ্গে পত্রিকা সম্পাদনার কাজ করতেন।
১৯০৬ সালের এপ্রিল মাসে বরিশালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি, অরবিন্দ ঘোষ প্রমুখের সঙ্গে সুবোধ মল্লিকও সেই সভায় যোগ দেন। পুলিশ সম্মেলন হতে দেয়নি। অনেককে মারধরও করে পুলিশ, সুরেন্দ্রনাথকে গ্রেফতার ও জরিমানা করে। এরপর সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিক পূর্ববঙ্গে ব্যাপকভাবে ভ্রমণ করেন এবং ছাত্রদের মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য লড়াই করার পরামর্শ দেন।
যখন অরবিন্দ এবং তাঁর জাতীয়তাবাদী দল (চরমপন্থী) ১৯০৭ সালে জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যপন্থীদের সঙ্গে অধিবেশনের জন্য সুরাটে গিয়েছিল তখন সেই অধিবেশনে যোগদানকারী বাংলার সমস্ত প্রতিনিধির খরচ বহন করেছিলেন সুবোধচন্দ্র।
বঙ্গভঙ্গের পর রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেই আলিপুর বোমা ষড়যন্ত্র মামলায় অরবিন্দ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়। ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকীর দ্বারা ম্যাজিস্ট্রেট ডগলাস কিংসফোর্ডকে হত্যার চেষ্টার পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলা শুরু হয়েছিল। অনুশীলন সমিতির মোট ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবার প্রয়াস করেছেন। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে রাজা সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিক-ও ছিলেন। ১৯০৮ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত তাঁকে বিনা বিচারে আটক রাখা হয় এবং প্রথমে বেরেলি জেলে ও পরে আলমোড়ার কারাগারে চোদ্দমাস নির্বাসিত করে রাখা হয়। ১৯১০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পেলে ওয়েলিংটন স্কোয়ারের বাড়িতে ততোদিনে মুক্তি পেয়ে যাওয়া অরবিন্দ ঘোষ তাঁকে দেখতে যান। সুবোধ মল্লিকের সঙ্গের অরবিন্দের সেই শেষ দেখা।
রাজা সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিক লক্ষ করেছিলেন যে, ভারতীয়দের মালিকানাধীন কোনও ব্যাঙ্ক বা বীমা কোম্পানি নেই। বিদেশী ও ভারতীয় ব্যাঙ্কের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। ব্যবসা তাঁর রক্তে ছিল না। তিনি বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয়দের ঋণ দিতে শুরু করেন কিন্তু সেই ঋণ কেউই আর শোধ করেননি। ১৯১৬ সালে নিজস্ব তহবিল ভেঙে সমস্ত আমানতকারীদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করে ব্যাঙ্কিংয়ের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ১৯১২ সালে তিনি বীমার ব্যবসাও শুরু করেন, প্রতিষ্ঠা করেন লাইফ অব এশিয়া ইনশিওয়েন্স কোম্পানি।
দেশের কাজে তো বটেই, তবে শিক্ষার জন্য সবচেয়ে বেশি অর্থ তিনি ব্যয় করেছিলেন। দেশের উন্নতির জন্য সর্বদাই ভাবিত ছিলেন তিনি। মানুষের হৃদয়ে তিনি যথার্থই একজন রাজা হিসেবে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন।
১৯২০ সালের ১৪ নভেম্বর মাত্র ৪১ বছর বয়সে এই মহান ব্যক্তিত্ব রাজা সুবোধ চন্দ্র বসু মল্লিকের মৃত্যু হয়। স্বাধীনতার পর, ওয়েলিংটন স্কোয়ার-এর নাম বদলে রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার রাখা হয়।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান