মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিজাত সাহিত্যের যে স্বতন্ত্র ধারা তা বাংলা সাহিত্যের বৈচিত্র্যময় ভান্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলেছে। সেই নির্দিষ্ট সাহিত্য ঘরানাটির কথা বললে যেসব সাহিত্যিকের প্রসঙ্গ উঠে আসে, তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান বাংলা ভাষাচর্চার ক্ষেত্রে অবশ্য স্মরণীয়। কমিউনিস্ট মতাদর্শে বিশ্বাসী বাংলা ভাষার তেমনই একজন সাহিত্যসাধক ছিলেন সোমেন চন্দ (Somen Chanda)। তবে কেবল সাহিত্যসাধক বললেই তরুণ সোমেন চন্দের পরিচয় সম্পূর্ণ হয় না। শ্রমজীবী মানুষদের সঙ্গে মিশে, মাঠে-ময়দানে নেমে তাঁদের অধিকারের জন্য লড়াই করেছেন তিনি এবং তাঁদের জীবনযাপনকে আত্মস্থ করে নিজের সাহিত্যের মধ্যে মিশিয়ে দিয়েছেন। তাই তাঁর রচনায় শ্রমিক, কৃষকের যে জীবন প্রস্ফুটিত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে নিখাদ বাস্তবতা এবং গভীর ও নিবিড় উপলব্ধির প্রতিফলন। ঢাকায় প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ গঠনেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। মার্কসবাদে দীক্ষিত সোমেন চন্দ রেল ইউনিয়নের নেতাও ছিলেন একসময়ে। মানবদরদী, সাম্যবাদে বিশ্বাসী, স্বল্পায়ু এই তরুণ সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
১৯২০ সালের ২৪ মে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ঢাকার কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া গ্রামে মাতামহের বাড়িতে সোমেন চন্দের জন্ম হয়। এখানে উল্লেখ্য যে তাঁর সম্পূর্ণ নাম সৌমেন্দ্র কুমার চন্দ। তাঁদের নিজস্ব বাড়ি ছিল পাশের ধীতপুর গ্রামে এবং আদিবাড়ি ছিল নরসিংদী জেলার বালিয়ায়। তাঁর পিতা ছিলেন নরেন্দ্রকুমার চন্দ এবং সোমেনের মায়ের নাম হিরণবালা। বাবা নরেন্দ্রকুমার ছিলেন ঢাকার মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজের স্টোরস ডিপার্টমেন্টের কর্মচারী। পারিবারিক অবস্থা তাঁদের খুব একটা ভাল ছিল না। সোমেনের যখন মাত্র চার বছর বয়স তখন তাঁর মাতৃবিয়োগ হয়। ফলত শিশু সোমেনের যথাযথভাবে লালন-পালনের কথা চিন্তা করেই নরেন্দ্রকুমার দ্বিতীয় বিবাহ করেন। ড. শরৎচন্দ্র বসুর মেয়ে সরযূদেবীকে বিবাহ করেন নরেন্দ্রকুমার। সরযূদের বাড়ি অর্থাৎ সোমেনের নতুন মাতুলালয় ছিল ধউরে। সেটি তাঁর অন্যতম প্রিয় এক বেড়াবার জায়গা হয়ে ওঠে।
তবে সোমেন চন্দের শৈশবের অধিকাংশ দিন অতিবাহিত হয়েছিল পুরনো ঢাকার তাঁতবাজারে। নরেন্দ্রকুমার ছেলেকে পড়াশোনার জন্য ভর্তি করেছিলেন পোগোজ স্কুলে। সেই বিদ্যালয় থেকেই সোমেন ১৯৩৪ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন তিনি এবং ১৯৩৬ সালে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষাতেও সফলতা পান।
ইন্টারমিডিয়েট পাশ করবার পরে ১৯৩৬ সালেই ঢাকার মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজে ডাক্তারি পড়বার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন সোমেম চন্দ। কিন্তু সেই সময়েই নিদারুণ শারীরিক অসুস্থতা তাঁর পড়াশোনার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। প্লুরিসি বা ব্রঙ্কাইটিস জাতীয় কঠিন রোগে সেসময় আক্রান্ত হন তিনি। সেই অসুস্থতা এবং দারিদ্র্যতার ফলে ডাক্তারি পড়া ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন সোমেন চন্দ।
উল্লেখ্য যে, সোমেনের পিতা পুলিন দাসের আখড়ায় যোগদান করে বিপ্লবের রাজনীতির শিক্ষা লাভ করেন এবং বিপিন চন্দ্র পালের অনুসারী হয়ে সক্রিয় রাজনীতিও শুরু করেছিলেন। সাহিত্যের চর্চা এবং রাজনীতির প্রাথমিক পাঠ পরিবার থেকেই পেয়েছিলেন সোমেন।
সোমেন চন্দের বয়স তখন ১৭ বছর। তাঁর বাবা তখন ঢাকা শহরের দক্ষিণে মৈশুন্ডিতে লালমোহন সাহা স্ট্রিটের ভাড়াবাড়িতে বসবাস করতেন৷ সেই সময় ঢাকায় চতুর্দিকে যুবকদের অনেক রাজনৈতিক সংঘ গড়ে উঠেছিল, কিন্তু সেইসব সংঘের কর্মসূচীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হওয়ায় সোমেন চন্দ সেগুলিতে যোগদানের কোন তাগিদ অনুভব করেননি বরং সাহিত্যের প্রতি সেই সময় তাঁর মনোযোগ ছিল প্রবল। ঢাকার বিভিন্ন মাসিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় তখন তাঁর গল্প প্রকাশিত হত। কলকাতার জনপ্রিয় ‘দেশ’ পত্রিকাতেও তাঁর লেখা প্রকাশিত হত।
সেই ১৯৩৫-৩৬ সাল কিন্তু সাহিত্যের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৩৫ সালে লন্ডনে কিছু প্রবাসী ভারতীয় প্রগতি লেখক সংঘের ইস্তেহার প্রকাশিত হয় এবং ১৯৩৬ সালে লক্ষ্ণৌয়ের এক অধিবেশনে মুন্সী প্রেমচন্দের সভাপতিত্বে সংগঠনের নাম হয় নিখিল ভারত প্রগতি লেখক সংঘ। বঙ্গদেশেও প্রগতি লেখক সংঘ গড়ে উঠেছিল সেই ১৯৩৬ সালেই।
এই সংগঠন সাহিত্যে যে প্রভাব বিস্তার করেছিল, সেই প্রভাব থেকে সোমেন চন্দের পক্ষে দূরে থাকা সম্ভব ছিল না, তিনি প্রবলভাবে আকৃষ্ট হলেন। ১৯৩৭ সালে সোমেন চন্দের প্রথম গল্প ‘শিশু তপন’ প্রকাশিত হয়েছিল সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায়। সেই ১৭ বছর বয়সেই বাংলাদেশে বন্যার ফলে হওয়া দুর্ভোগ এবং আরও নানা সমস্যা সংকটের দিক নিয়ে সোমেন রচনা করেছিলেন ‘বন্যা’ উপন্যাসটি, যা ‘নবশক্তি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও পরবর্তীকালে সেই উপন্যাসের এক বিরাট অংশ হারিয়ে যাওয়ায় বর্তমানে তা অসম্পূর্ণ অবস্থাতেই ছাপা হয়।
১৯৩৭ সাল নাগাদ কমিউনিস্ট আন্দোলনে যোগদান করেছিলেন সোমেন। ১৯৩৮ সালের শেষদিকে দক্ষিণ মৈশুন্ডির জোড়পুল লেনে মার্কসবাদীরা প্রগতি পাঠাগার গড়ে তুলেছিলেন৷ সেখানে গোপনে কমিউনিস্ট পাঠচক্র বসত রোজ এবং শ্রমিকদের ও তরুণ যুবকদের মার্কসবাদী দর্শনে উদ্বুদ্ধ করা হত। তরুণ সোমেন সেখানে উপস্থিত থেকে সেইসব আলোচনা মনোযোগ সহকারে শুনতেন। সেই পাঠচক্রের প্রধান আয়োজক আন্দামান ফেরৎ মার্কসবাদে দীক্ষিত কয়েকজন বিপ্লবীর সঙ্গে সেখানেই পরিচয় হয় সোমেনের এবং তারপর তাঁর জীবনাদর্শের আমূল পরিবর্তন ঘটে গিয়েছিল। তাঁদের মধ্যে সতীশ পাকড়াশি এবং রণেশ দাশগুপ্তের দ্বারা ভীষণভাবে প্রভাবিত হন তিনি। রণেশ দাশগুপ্তের সান্নিধ্যে এসে তিনি বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, ম্যাক্সিম গোর্কি, রোমা রঁল্যা, মপাসাঁ, আঁদ্রে জিদ প্রমুখ সাহিত্যিকদের রচনার সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত হন। স্পেনের গৃহযুদ্ধে রালফ্ ফক্স, ফেদেরিকো লোরকাদের প্রাণ বিসর্জনেের কথা তাঁকে অন্তর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছিল, তাঁদের নিয়ে কবিতাও রচনা করেছিলেন তিনি। সতীশ পাকড়াশির মতো মানুষের সংস্পর্শে এসে মার্কসবাদের সঙ্গে বিশদে পরিচিত হয়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও সাম্যবাদের স্বপ্ন এবং শোষিতের জন্য সংগ্রামের উদ্যমে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছিলেন সোমেন। তাঁর সাহিত্য গণসাহিত্যের রূপ নিতে থাকে। কমিউনিস্ট পাঠচক্রের আলোচনা তাঁর লেখায় প্রভাব ফেলতে থাকে। তাঁর ‘সংকেত’-এর মতো গল্প শাসক এবং শোষিতদের কথা নগ্নভাবে প্রকাশ করে। এমনকি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে রচিত তাঁর ‘দাঙ্গা’ গল্পটিও যেন সেই জ্বলন্ত সময়ের দলিল হয়ে রয়েছে। তাঁর ‘ইঁদুর’ গল্পটি ৬৭টি ভাষায় অনূদিত হয়েছিল, যার মধ্যেও ছিল দরিদ্র মানুষের কঠোর জীবনযাপনেরই ছবি। মোট ২৮টি গল্প, একটি উপন্যাস, ৩টি কবিতা, ২টি নাটক এবং কিছু চিঠিপত্র—এই নিয়েই তাঁর রচনাসম্ভার।
প্রথমদিকে রণেশ দাশগুপ্ত উক্ত গোপন পাঠচক্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করতেন। পরবর্তীকালে একনিষ্ঠ, মনোযোগী ও মেধাবী সোমেন চন্দের হাতে সেই পাঠচক্র তথা পাঠাগার পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেন সংগঠনের কর্মকর্তারা। ১৯৩৯ সালে ঢাকায় প্রগতি লেখক সংঘের সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হয়। সেই কমিটিতে সোমেন ছিলেন অন্যতম একজন এবং এই প্রগতি লেখক সংঘের প্রতিষ্ঠায় সোমেন-সহ প্রগতি পাঠাগারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই ছিলেন নেপথ্য কান্ডারি। ১৯৪০ সালে গেন্ডারিয়া হাইস্কুলের মাঠে আয়োজিত এক সম্মেলনের দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘের প্রতিষ্ঠা হয়। এই সম্মেলনে রণেশ দাশগুপ্তকে প্রগতি লেখক সংঘ সংগঠনের সম্পাদক এবং সোমেন চন্দকে সহ-সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। ১৯৪১ সালে অক্টোবর মাসে সদরঘাটের ব্যাপ্টিস্ট মিশন হলে প্রগতি লেখক সংঘের ঢাকা জেলা শাখার দ্বিতীয় অধিবেশন হয় এবং সেখানে সোমেন চন্দকে সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
১৯৪০ সালের শেষ দিকে প্রগতি লেখক সংঘের একটি প্রকাশনা ‘ক্রান্তি’ প্রকাশ পায়, যা একবারই মাত্র প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ক্রান্তির প্রকাশক হিসেবে গুরুদায়িত্ব পালন করেন সোমেন এবং সেই সংকলনে তাঁর ‘বনস্পতি’ নামক ছোটগল্পটিও প্রকাশিত হয়।
সেই সময় বারংবার শ্রমজীবী মানুষদের মধ্যে গিয়ে মিশে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠত সোমেনের। পার্টির নেতাদের কাছে তিনি ঢাকেশ্বরী মিল ও নারায়ণগঞ্জের পাটকলে সাংগঠনিক কাজের মাধ্যমে শ্রমিকদের সঙ্গে মেশার ইচ্ছেও প্রকাশ করেছিলেন।
রেল শ্রমিকদের মধ্যে দিনরাত পড়ে থাকতেন তিনি। তাদের কর্মপদ্ধতি বোঝবার চেষ্টা করতেন। মাত্র দুমাস সেখানে কাজ করবার পর রেল শ্রমিকদের খুব প্রিয় পাত্র হয়ে উঠেছিলেন সোমেন। ১৯৪১ সালে তিনি সর্বসম্মতিক্রমে শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই মাঠে-ঘাটে নেমে মানুষের ঘাম-রক্তে মিশে গিয়ে যে উপলব্ধি তিনি অর্জন করেছিলেন তারই প্রতিফলন লক্ষ করা যায় তাঁর সাহিত্যে।
সেটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। ১৯৪১ সালে হিটলার সোভিয়েতের ওপর আক্রমণ হানলে বঙ্গদেশে সোভিয়েতের সমর্থনে গড়ে ওঠে ‘সোভিয়েত সুহৃদ সমিতি’। ঢাকা জেলার প্রগতি লেখক সংঘ ও ‘সোভিয়েত সুহৃদ সমিতি’ যৌথ উদ্যোগে ফ্যাসীবাদ বিরোধী জনমত গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছিল। ১৯৪২ সালে ঢাকায় যে ‘সোভিয়েত মেলা’ হয়েছিল সেটিরও প্রধান আয়োজকদের মধ্যে একজন ছিলেন সোমেন চন্দ।
১৯৪১ সালের শেষদিকে মার্কসবাদীদের সঙ্গে জাতীয়তাবাদীদের বিবাদ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। এই বিবাদই করাল রূপ ধারণ করে অকালে সোমেনের মতো প্রতিভাবান এক তরুণ স্বপ্নের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল।
১৯৪২ সালের ৮ মার্চ একটি ফ্যাসীবাদ বিরোধী সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছিল। সেই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল। প্রথম পক্ষ ছিল সম্মেলনের পক্ষে, দ্বিতীয় পক্ষ ছিল সরাসরি বিপক্ষে এবং তৃতীয় পক্ষ মূলত নিরপেক্ষ একটা ভাব বজায় রাখার চেষ্টা করেছিল। ওই বিপক্ষ দলে ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী বিশেষত শ্রীসংঘ এবং অন্যান্যরা। সোমেন চন্দদের রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে তখন সুভাষপন্থী রাজনীতির এক স্পষ্ট বিভাজনও তৈরি হয়েছিল। কমিউনিস্টরা সেই সময় সুভাষ চন্দ্র বসু এবং তাঁর দলকে অমার্জিত ভাষায় আক্রমণ করছিল। তারই ফলে ক্রুদ্ধ জাতীয়তাবাদীদের রোষানলে পড়তে হল সোমেন চন্দকে।
৮ মার্চ আয়োজিত সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী কিছু দল বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করে। রেল শ্রমিকদের নিয়ে মিছিল করে সোমেন চন্দ সেই সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। হৃষীকেশ দাস রোড পেরিয়ে তাঁদের মিছিল লক্ষ্মীবাজারের কাছে আসতেই জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলের ফ্যাসিস্ট গুন্ডার দল তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। রড ও ভোজালি দিয়ে চোখ উপড়ে, নাড়িভুড়ি বের করে নৃশংস ভাবে তারা হত্যা করে রেল শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক, তরুণ সাহিত্যিক সোমেন চন্দকে।
১৯৪২ সালের ৮ মার্চ মাত্র ২১ বছর ৯ মাস বয়সে এই তরুণ প্রতিভা সোমেন চন্দের মৃত্যু হয়েছিল।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।
তথ্যসূত্র
- ‘সোমেন চন্দ ও তাঁর রচনা সংগ্রহ’, সম্পাদনা :- দিলীপ মজুমদার, নবজাতক প্রকাশন, কলকাতা, আগস্ট, ১৯৫৭।
- https://en.m.wikipedia.org/
- https://bangla.thedailystar.net/
- https://www.anandabazar.com/
- https://www.songbadprokash.com/
- https://rpnews24.com//
- https://bangla.thedailystar.net/


আপনার মতামত জানান