সববাংলায়

হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পিকনিক স্পট। শীতকাল হলেই সেখানে মানুষ সেখানে ভিড় জমায়, জায়গাগুলো কানায় কানায় ভরে ওঠে। আসুন এক নজরে হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট কী আছে দেখে নিই। এখানে হাওড়া জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট এবং হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলো আলাদাভাবে উল্লেখ করা হল।

হাওড়া জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট

১) গড়চুমুক

হাওড়া জেলার পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি গড়চুমুক। উলুবেড়িয়া-শ্যামপুর সড়কের পূর্ব দিকে নদীর ধারে খোলা আকাশের তলায় সাধারণত পিকনিক হয়। রাস্তার পশ্চিম দিকে রয়েছে চিলড্রেন’স পার্ক এবং মিনি  চিড়িয়াখানা। আম্ফান পরবর্তী সময় থেকে পিকনিক স্পট এবং চিড়িয়াখানা দুইই বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালে পিকনিক স্পটটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হলেও চিড়িয়াখানা এখনও বন্ধ আছে।

হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট » সববাংলায়
গড়চুমুক । ছবি ইন্টারনেট

পিকনিক স্পটে প্রবেশ মূল্য ১৫ টাকা।  এছাড়া দু চাকা, চারচাকা, টোটো, ভ্যান এবং বাস পারকিংয়ের জন্য পৃথক পৃথক মূল্য দিতে হবে। এখানে মূলত নিজেরা রান্নার মাধ্যমে পিকনিকের চলই বেশি। তবে নির্দিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে ক্যাটারিংয়ের ব্যবস্থাও আছে।  নিজেরা রান্না করতে চাইলে রান্না এবং খাবার পরিবেশন সংক্রান্ত যাবতীয় সামগ্রী নিজেদেরই বহন করে আনতে হবে। এখানে রাত কাটানোর জন্য সরকারী কটেজের ব্যবস্থাও আছে। সরকারী তরফে এখানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শৌচাগার এবং পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থাও আছে। নিজেদের মধ্যে খেলার আয়োজন করার ক্ষেত্রে সেইভাবে নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও বক্স বা ডিজে বাজানো, মদ্যপান করা এবং যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই পিকনিক স্পটটিতে থার্মোকল এবং প্লাস্টিকের খাবার সামগ্রী ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। 

পিকনিকের পাশাপাশি কাছেই অবস্থিত ৫৮ গেট লক গেট দেখতে যেতে পারেন । কাছেই দুই নদীর সঙ্গমস্থল, তাই বাচ্চারা খেলতে খেলতে যাতে নদীর কাছে না চলে যায় সেদিকে নজর রাখা খুব জরুরি। পিকনিকের পাশাপাশি এখানে নৌকা করে নদীতে ভ্রমণের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। পিকনিক ছাড়াও এখানে আলাদা যারা ঘুরতে যেতে চান, তাঁরা সেই সমস্ত খুঁটিনাটি জানতে পড়ুন এখানে

২) দেউলটি

হাওড়া জেলার বাগনানের একটি ছোট গ্রাম দেউলটি, হাওড়া জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম।  রূপনারায়ণ নদের চরে শীতকালে পিকনিক করার আদর্শ স্পট এই দেউলটি। পিকনিকের পাশাপাশি এখানকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হল কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বসতবাড়ি। 

হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট » সববাংলায়
দেউলটি । ছবি ইন্টারনেট

এখানে পিকনিক করার জন্য আলাদা করে কোন প্রবেশ মূল্য নেই। মূলত নদীর চরে নিজেরা রান্না করে খাওয়ার মাধ্যমে পিকনিক করাই এখানে রীতি।  গান বাজনা নিয়ে এখানে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই।  তবে নদীর কাছাকাছি পাড়ে নামায় প্রশাসনের তরফে নিষেধাজ্ঞা আছে। পিকনিকের আতিশয্যে এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন। ছোট বাচ্চারা যাতে নদীর তীরে না চলে যায় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। পিকনিকের মাঝে শরৎ চন্দ্রের বাড়ি ঘুরে আসতে পারেন। পিকনিক করা ছাড়াও দেউলটি একটি উল্লেখযোগ্য ভ্রমণস্থান। দেউলটি ভ্রমণের সেইসব খুঁটিনাটি জানতে পড়ুন এখানে

৩) গাদিয়ারা

হাওড়া জেলার শ্যামপুর ১ নং ব্লকের অন্তর্গত একটি গ্রাম হল গাদিয়ারা। হুগলী নদী,  দামোদর নদ এবং রূপনারায়ণ নদের সঙ্গমস্থলে অবস্থিত গ্রামটি হাওড়া জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং শহরের কোলাহল পেরিয়ে পিকনিকের জন্য আদর্শ জায়গা।

হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট » সববাংলায়
গাদিয়ারা । ছবি ইন্টারনেট

এখানে নদীর পাড়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পিকনিক করতে পারেন। পানীয় জলের চাহিদা মেটাতে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে তৈরি নলকূপ ব্যবহার করতে পারেন। নিজেরা রান্না করে খেতে যেমন পারেন তেমনি কেনা খাবার একসাথে খেতে খেতে নদীর রূপ প্রত্যক্ষ করতে পারেন। পিকনিকের দল নিজেদের পছন্দ মত গান-বাজনাও যেমন করতে পারবে, তেমন খেলাধূলার আয়োজনও করতে পারবে এখানে। গানবাজনা করা বা নিজেদের মধ্যে খেলার আয়োজন করার মধ্যে সেইভাবে নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও যেহেতু এটা প্রাইভেট পিকনিক স্পট নয়, তাই আপনার আনন্দ যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়ে দাঁড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কাছেই তিন নদীর সঙ্গমস্থল হওয়ায় বাচ্চারা খেলতে খেলতে যাতে নদীর পাড়ে না চলে যায় সেদিকে নজর রাখা খুব জরুরি।

পিকনিকের পাশাপাশি এখানে নৌকা করে নদীতে ভ্রমণের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। পিকনিক করার আনন্দের সাথে সাথে খেয়াল রাখবেন যত্রতত্র প্লাস্টিক, আবর্জনা এবং খাবার প্লেট ফেলবেন না। সরকারি তরফে আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানের ব্যবস্থা থাকলেও তার সংখ্যা অপ্রতুল। সুতরাং নিজেরা ময়লা আবর্জনা ফেলার কোন নির্দিষ্ট স্থানের ব্যবস্থা করে নেওয়া ভাল। মনে রাখবেন স্থানীয় মানুষ প্রতিদিন তাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে এই নদীর জল ব্যবহার করে থাকে। আপনার একদিনের আনন্দ যেন তাদের নিরানন্দের কারণ না হয়ে ওঠে সেদিকে লক্ষ্য রাখাও আপনার বিশেষ প্রয়োজন। তবে শুধু পিকনিকের জন্যই নয়, গাদিয়ারা অনেকেই ঘুরতে যান। গাদিয়ারা ভ্রমণের সেইসব খুঁটিনাটি জানতে পড়ুন এখানে

হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট

১) বনবীথি পার্ক

হুগলী জেলার বৈদ্যবাটিতে অবস্থিত বনবীথি পার্ক হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম। সবুজে ঘেরা বিশাল এই পিকনিক স্পটে নিয়মিত যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণের ছাপ প্রতি পদে অনুভব করবেন আপনি।

হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট » সববাংলায়
 বনবীথি পার্ক । ছবি ইন্টারনেট

পার্কটি সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এই পার্কে  ৩০০ বর্গফুটের দুই ধরনের পিকনিক স্পট আছে – একটি আসবেস্টসের ছাউনি দেওয়া যার ভাড়া ৪০০ টাকা অন্যটি আসবেস্টসের ছাউনি বিহীন খোলা আকাশের তলায় যার ভাড়া ৩০০ টাকা। এই পার্কে প্রবেশ মূল্য ৩০টাকা। পিকনিক না করে কেবল ভ্রমণের জন্য আপনি এই পার্কে নির্দিষ্ট প্রবেশ মূল্য সহ প্রবেশ করতে পারেন। আপনি চাইলে নিজেরা রান্না করতে পারেন আবার প্রয়োজনে সংস্থার ক্যাটারিং সার্ভিসও নিতে পারেন। এই পার্কে পিকনিকের সাথে সাথে আপনি পার্ক অধীনস্থ জলাশয়ে নির্দিষ্ট প্রবেশ মূল্যের বিনিময়ে বোটিং করতে পারেন।

পিকনিক করার সময় মাথায় রাখবেন এখানে কিন্তু বক্স দ্বারা গান বাজানোয় নিষেধাজ্ঞা আছে। এছাড়া প্লাস্টিক এবং থার্মোকলের ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা আছে। খাবারের প্লেট হিসেবে কাগজ বা শালপাতার প্লেট ব্যবহার করা বেশি উপযোগী।  জলাশয় থাকার কারণে বাচ্চারা যাতে খেলতে খেলতে সেদিকে চলে না যায় সেটা যেমন খেয়াল রাখতে হবে তেমনি পার্কের ফুলের গাছ থেকে ফুল বা পাতা যাতে বাচ্চারা না ছিঁড়ে ফেলে সেদিকে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে।

২) নিউ দীঘা বিনোদন পার্ক

হুগলী জেলার চন্দননগরে অবস্থিত নিউ দীঘা বিনোদন পার্কটি হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি স্পট হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠা নিউ দীঘা পর্যটন কেন্দ্রটি পিকনিক স্পট ও চিলড্রেন পার্ক এই দুই ভাগে বিভক্ত। 

হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট » সববাংলায়
নিউ দীঘা বিনোদন পার্ক । ছবি ইন্টারনেট

এই পর্যটন কেন্দ্রটি  সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যে ৬ টা অবধি খোলা থাকে। বড়দের জন্য ১০ টাকা এবং ছোটদের জন্য ৫ টাকা প্রবেশমূল্যের বিনিময়ে এই পর্যটন কেন্দ্রে আপনি প্রবেশ করতে পারবেন। এখানে পিকনিক স্পটেরও রকমফের আছে যেমন – কটেজ ছাড়া ও কটেজ সহ। কটেজ ছাড়া পিকনিক স্পটের ভাড়া ২৫ টাকা। অন্যদিকে কটেজ সহ পিকনিক স্পটের ভাড়া ১২৫ টাকা। একটা স্পটে সর্বাধিক ২৫ জন সদস্য পিকনিক করতে পারবে। এখানে আপনি চাইলে যেমন নিজেরা রান্নার আয়োজন করতে পারবেন আবার প্রয়োজনে ক্যাটারিং সার্ভিসও নিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে পার্কটির অফিসে এসে আগে থাকতে কথা বলে আসতে হবে।

পিকনিক করা ছাড়াও বাচ্চাদের জন্য একটি অত্যন্ত সুন্দর পার্ক আছে এখানে। এই চিলড্রেন পার্কে প্রবেশের জন্য প্রবেশমূল্য লাগে। এই পার্কের ভেতর টয়ট্রেন, জলাশয়ে বোটিং সহ আরও নানান বিনোদনের উপকরণ আছে । পৃথক পৃথক প্রবেশ মূল্যের বিনিময়ে এই সমস্ত রাইডগুলিতে চাপতে পারবেন। নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা মূলক ছোট খাটো খেলা এবং গান বাজনার অনুমতি থাকলেও প্রবল শব্দে ডি জে বক্স বাজানোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে। মনে রাখবেন এখানে থার্মোকল এবং প্লাস্টিকের খাবার সামগ্রী ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। 

৩) উল্লাস পিকনিক স্পট

হুগলী জেলার ব্যান্ডেলে সাম্প্রতিক সময়ে গড়ে ওঠা উল্লাস পিকনিক স্পট হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম। ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে মাত্র তিন কিমি দূরে অবস্থিত এই পিকনিক স্পটটি প্রায় তিন বিঘা জমি নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে কেবলই পিকনিকের অনাবিল আনন্দ দেওয়ার জন্য। পিকনিকের সময় সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫ টা। বিকেল ৫ টার পর স্পট থেকে বেরোতে দেরি হলে ঘন্টা পিছু ৩০০ টাকা করে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হয়। স্পটে ঢোকার জন্য কোন আলাদা প্রবেশ মূল্য নেই।

এই পিকনিক স্পটটি সম্পূর্ণ প্লাস্টিক মুক্ত একটি এলাকা। সর্বাধিক ২৫ জনের দলের জন্য দুটি স্পট রয়েছে যার ভাড়া ২০০০ টাকা।  সর্বাধিক ৪০ জনের দলের জন্য রয়েছে দুটি স্পট যার ভাড়া ৩০০০ টাকা। সর্বাধিক ৬০ জনের দলের জন্য রয়েছে তিনটি স্পট যার ভাড়া ৪০০০ টাকা। এই স্পটগুলি ছাড়াও আরও ছয়টি অতিরিক্ত স্পট তৈরি করা হয়েছে সর্বাধিক ৫০ জনের দলের জন্য, যার ভাড়া ২০০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা। প্রতিটি স্পটেই শৌচাগার, জলের ব্যবস্থা, ইলেকট্রিকের ব্যবস্থা, ছাউনি দেওয়া রান্না করার জায়গা এবং বিশ্রাম নেওয়ার জন্য কটেজের ব্যবস্থা আছে। বাচ্চাদের খেলার জন্য চিলড্রেন পার্কের ব্যবস্থাও আছে এখানে।

হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পট » সববাংলায়
উল্লাস পিকনিক স্পট । ছবি ইন্টারনেট

মাথায় রাখবেন এই পিকনিক স্পটটি কেবলই পরিবার, স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী বা অফিস পিকনিকের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়। শুধুমাত্র পুরুষদের দলের জন্য এই স্পটগুলি ভাড়া দেওয়া হয়না। এখানে গান বাজনা নিয়ে কোন রকম বিধি নিষেধ নেই। কিন্তু মাথায় রাখবেন বিকেল ৫ টার পর মাইক বাজানোর অনুমতি নেই। স্পট বুকিং করার সময় মোট ভাড়ার পঞ্চাশ শতাংশ অগ্রিম হিসেবে দিতে হবে অন্যথায় বুকিং গ্রহণ করা হবে না। বুকিং করার পর কোন কারণে পিকনিক বাতিল হলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। অন্য কোন দিন কোন স্পট ফাঁকা থাকলে সেদিন পিকনিক করা যেতে পারে। তবে যে স্পটের জন্য আপনি অগ্রিম দিয়েছিলেন সেই স্পট এক্ষেত্রে নাও পেতে পারেন। নিজেরা রান্না করে যেমন খেতে পারেন তেমনই এখানে নির্দিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে ক্যাটারিং পরিষেবারও ব্যবস্থা আছে।

স্পটের ভেতর বাস বাদে বাইক এবং চার চাকা গাড়ির জন্য কোন পার্কিং মূল্য নেই। বাসের জন্য ১০০ টাকা পার্কিং মূল্য লাগবে। পিকনিক স্পটের ভেতর মদ্যপান কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সিগারেট গুটখা ইত্যাদির প্যাকেট, খাবারের প্যাকেট, খাবারের থালা, গ্লাস, বাটি এবং খাবারের প্যাকেট এবং বেঁচে যাওয়া খাবার যেখানে সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলবেন, অন্যথায় জরিমানা দিতে হবে। বাচ্চারা যাতে গাছের ফুল না ছেঁড়ে সেদিকে অভিভাবকদের নজর দিতে হবে। চিলড্রেন’স পার্কের দোলনায় একজনের বেশি চাপবেন না। অতিরিক্ত চাপে দোলনা ছিঁড়ে বিপদ হতে পারে। 

এখানে উল্লিখিত হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলো ছাড়াও এই দুই জেলায় বেশ কিছু প্রাইভেট পিকনিক স্পটও রয়েছে। তবে সেই সমস্ত জায়গাকে হাওড়া ও হুগলী জেলার জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলোর তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি কারণ আগে সমস্ত পিকনিক মানেই বড় খোলা জায়গায় বা মাঠে পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে একসঙ্গে রান্না বান্না করে খাওয়া দাওয়া করা বোঝাত। বর্তমানে অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় পিকনিক বলতে দল বেঁধে রিসোর্ট ভাড়া করে সেখানে খাওয়া দাওয়া করাকে বোঝায়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিকনিকের সংজ্ঞা বিভিন্ন হওয়ার ফলে কোন জায়গাকে পিকনিক স্পট বলা হবে আর কোন জায়গাকে বলা হবে না তাই নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

তাই সববাংলায় এর থেকে “পিকনিক স্পট” আখ্যা দেওয়ার জন্য কিছু শর্ত বানানো হয়েছে এবং যে জায়গাগুলো সেই শর্তাবলী মানছে তাদের পিকনিক স্পটের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেই সমস্ত শর্তাবলীসমেত পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় পিকনিক স্পটগুলো নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন এখানে


সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২৫


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading