আধ্যাত্মিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যেসব স্থান পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে, সেগুলির মধ্যে কচুয়া ধাম অন্যতম। মনে করা হয় এখানেই বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর জন্ম হয়েছিল। অবশ্য কচুয়া থেকে কিছুদূরে অবস্থিত চাকলা ধামে লোকনাথবাবার জন্ম হয়েছিল বলেও অনেকে মনে করেন। এই নিয়ে সংশয়ের অবসান হয়নি, তাই ভক্তেরা দুই স্থানেই বাবার জন্মভূমি মনে করে ভিড় করেন। সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে লোকনাথ বাবার মঠ ও মন্দিরটিতে অদ্ভুত এক শান্তি বিরাজ করছে। শুধু লোকনাথ বাবার মন্দিরই নয়, তাঁর বাল্যবন্ধু এবং তাঁর গুরুদেবের বাড়িও মন্দিরের একদম নিকটেই রয়েছে্। সবুজ গাছপালায় ঘেরা আশ্রমের মতো শান্ত, স্নিগ্ধ এই পরিবেশের আনন্দ নিতে অবশ্যই কচুয়া ধাম ভ্রমণ করতে যেতে হবে।
কচুয়া ধাম কোথায়
কচুয়া ধাম পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বসিরহাট ২ ব্লকের অন্তর্গত। এটি বারাসাত জেলা সদর থেকে দক্ষিণ দিকে ২৭ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এবং কৃষ্ণপুর উপজেলা সদর থেকে এর দূরত্ব ২৮.৯ কিলোমিটার। এটি শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার দূরে, কলকাতা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে এবং বর্ধমান থেকে প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কচুয়া ধামে নিকটবর্তী দুটি গ্রাম ধান্যকুড়িয়া এবং খোলাপোতা থেকে এই স্থানের দূরত্ব যথাক্রমে ২.৪ কিলোমিটার এবং ৮.৬ কিলোমিটার। আরও বিশেষভাবে বলতে গেলে কচুয়া ধাম কচুয়া স্বরূপনগরের মন্দির রোডে অবস্থিত।
কচুয়া ধামের ইতিহাস
বাবা লোকনাথ বা লোকনাথ ব্রহ্মচারী ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী তথা সিদ্ধপুরুষ। বাঙালি হিন্দুদের কাছে তিনি অত্যন্ত পূজনীয়। তাঁর বাবার নাম রামকানাই ঘোষাল, মায়ের নাম কমলাদেবী। বাবার ইচ্ছায় বালক লোকনাথ ব্রহ্মচর্য ধারণ করে গৃহত্যাগ করেন। তাঁর কর্মময় তীর্থক্ষেত্র হল বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বারদী আশ্রম। তিনি বলতেন ভক্তরাই ভগবান। ভক্তের মাঝেই ভগবান বিদ্যমান। তাঁর বিখ্যাত উক্তি – “রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়িবে, আমাকে স্মরণ করিও, আমি রক্ষা করিব।” ভক্তদের মনে সান্ত্বনা দেয়।

তাঁর ভক্তেরা কোন বিপদে পড়লে তাঁকে স্মরণ করেন। তবে তাঁর জন্মস্থান নিয়ে একাধিক মতভেদ রয়েছে। মনে করা হয় ১১৩৭ বঙ্গাব্দে অর্থাৎ ১৭৩০ সালে এই কচুয়া ধামেই বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর জন্ম হয়েছিল। অবশ্য তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে, কারণ কেউ কেউ আবার ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চাকলা ধামকে বাবার আবির্ভাব স্থান বলে মনে করে থাকেন। ত রাজা নৃসিংহ দেব রায় চাকলা ধামের মন্দিরটির নির্মাণ শুরু করেন এবং পরে তাঁর বিধবা স্ত্রী রানী শঙ্করী মন্দিরের নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করেন। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে নিত্যগোপাল সাহা নামের এক ব্যক্তি এই জন্মস্থান বিতর্কে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন এবং কচুয়া ধামের পক্ষে জয়লাভ করেছিলেন। অতএব আইনত কচুয়া ধামই হল বাবা লোকনাথের জন্মভূমি। কিন্তু ভক্তদের কাছে কচুয়া ধাম এবং চাকলা ধাম দুটি স্থানই সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং তাঁরা দুই স্থানেই তীর্থ করতে যান। লোকনাথ এবং বেণীমাধব যাঁর কাছে দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন সেই ভগবানচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িও ছিল এই কচুয়ায়, যা আজও দেখতে পাওয়া যায়। মন্দির সংলগ্ন দুধপুকুরেই স্নান করে লোকনাথ এবং তাঁর বাল্যবন্ধু বেশীমাধব সন্ন্যাস গ্রহণ করেছিলেন।
কচুয়া ধামে কীভাবে যাবেন
ট্রেনে করে কচুয়া ধাম যেতে হলে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাসনাবাদগামী ট্রেন ধরে কাঁকড়া মির্জানগর হল্ট স্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে অটো কিংবা টোটোয় চেপে পাঁচ-দশ মিনিটের মধ্যেই কচুয়া ধামে পৌঁছে যাওয়া যাবে। বাসে যেতে চাইলে ধর্মতলার শহীদ মিনার বাস টার্মিনাস থেকে সরাসরি কচুয়া ধাম যাওয়ার বাস পাওয়া যাবে। বারাসাত থেকে বারাসাত-বসিরহাট রুটের বাসে চেপে স্বরূপনগর নেমে সেখান থেকে ভ্যান-রিক্সা করেও খুব সহজেই কচুয়া ধামে পৌঁছে যাওয়া যায়। যদি ব্যাক্তিগত গাড়িতে যেতে হয় তবে বারাসাত চাঁপাডালি মোড় থেকে টাকি রোড ধরে কচুয়া ধামে চলে যাওয়া যাবে।
কচুয়া ধামে কোথায় থাকবেন
কচুয়া ধামের একদম নিকটে সেই অর্থে ভাল কোন থাকবার বন্দোবস্ত নেই। তবে কচুয়া ধামের পর্যটন স্থান হিসেবে গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে বলেই মন্দিরের পাশেই পর্যটকদের জন্য সুদৃশ্য গেস্ট হাউস তৈরির কাজ চলছে। বর্তমানে বারাসাত বা বসিরহাটের দিকের হোটেল বা গেস্ট হাউসে থাকতে হবে। সেসব জায়গায় সস্তা আবার দামি সবরকম হোটেলই পাওয়া যেতে পারে। কলকাতা থেকে যেহেতু কচুয়া ধামের দূরত্ব খুব বেশি নয় এবং যেহেতু কচুয়া ধাম একদিনেই ভাল করে ঘুরে দেখে নেওয়া সম্ভব তাই কলকাতায় থেকে সেখান থেকে কচুয়া ধাম ভ্রমণের পরিকল্পনা করলেও আনন্দ উপভোগের ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হবে না ৷
কচুয়া ধামে কী দেখবেন
শহরের ঘিঞ্জি, দূষিত পরিবেশ থেকে বেরিয়ে নির্মল, শান্ত, সবুজ প্রকৃতির মাঝে প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিতে হলে এবং সেইসঙ্গে ইতিহাস এবং আধ্যাত্মিকতার স্বাদ গ্রহণ করতে চাইলে কচুয়া ধাম নিঃসন্দেহে একটি উপযুক্ত ভ্রমণ স্থান হতে পারে। লোকনাথ বাবার জন্মতিথিতে কচুয়া ধামে এলে ভক্তদের মাঝে এর গুরুত্ব বুঝতে পারা যায়। আশ্রমের একটি সবুজ গাছপালা ঘেরা পরিবেশ এখানকার চতুর্দিকে বিরাজ করছে। মন্দির ও আশ্রম সংলগ্ন দুধপুকুরটিও তার ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য নিয়ে স্বমহিমায় বিরাজ করছে। সেই পুকুরের শান্ত জলে গাছপালার সবুজ আর আকাশের নীল যখন প্রতিবিম্বিত হতে দেখা যায়, মনটা আপনা থেকেই শান্ত হয়ে আসে। সেই প্রাকৃতিক সুন্দরের দিকে নিবিষ্ট মনে কেবল তাকিয়ে থাকতে হয়। আধ্যাত্মিক পরিবেশের একটা অতিরিক্ত সম্মোহন আছে যা চঞ্চল, অশান্ত মনকে খুব সহজেই শান্ত করে ফেলতে পারে। বাবা লোকনাথের মূর্তি দর্শন করে, মন্দিরের বিস্তৃত সবুজ প্রাঙ্গনে ঘুরে বেড়িয়ে কখন যে সময় কেটে যায়, বুঝতে পারাই যায় না। কচুয়া ধামের মূল দ্রষ্টব্য কী কী, সেগুলি নীচে আলোচনা করা হল।
লোকনাথ বাবার মন্দির – কচুয়া ধামে মানুষ আসলে বাবা লোকনাথকে দর্শন করতেই আসেন। লোকনাথ বাবার এই মন্দির সুন্দর প্রাকৃতিক এক গ্রাম্য পরিবেশের মাঝে বিরাজমান। মন্দিরে যেখানে লোকনাথ বাবার প্রধান বিগ্রহটি রয়েছে, তার সামনে অনেকখানি খোলা জায়গা রয়েছে। দর্শনার্থীরা সেখানে এসে বসে বাবাকে দর্শন করতে পারেন। মন্দিরের গর্ভগৃহে বাবার এই প্রধান মূর্তিটি তো রয়েছেই, তাছাড়াও পাশেই আরেকটি মন্দিরে লোকনাথের আরেকটি বিগ্রহ রয়েছে। এই বিগ্রহটি মূলত পবিত্র জল ঢালার উদ্দেশ্যে ভক্তদের জন্য নির্মিত। অন্য আরও একটি মন্দির রয়েছে যেখানে লোকনাথ বাবার উপনয়ন হয়েছিল বলে মনে করা হয়। এই তিনটি মন্দিরই অবশ্য দ্রষ্টব্য। বাবা লোকনাথের জন্ম যেহেতু জন্মাষ্টমীতে, সেই কারণে জন্মাষ্টমীতেই মন্দিরে সবচেয়ে বেশি ভক্তের সমাগম হয়। এছাড়াও বাবার তিরোধান দিবসেও মন্দিরে অসংখ্য মানুষের জমায়েত হয়। লোকনাথ মিশন এই মন্দিরের সমস্ত দায়দায়িত্ব বহন করে। মন্দির সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৩টে থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে শীতকালে সন্ধে সাড়ে ৭টার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
দুধপুকুর – মন্দির চত্বরেই মূল মন্দিরের উত্তরদিকে একটি পুকুর লক্ষ করা যায়, যেটি দুধপুকুর নামে পরিচিত। এই পুকুরটির ঐতিহাসিক এবং আধ্যাত্মিক মূল্য অনেক। মনে করা হয় এই পুকুরেই স্নান করে বাবা লোকনাথ এবং তাঁর বাল্যবন্ধু বেণীমাধব বন্দ্যোপাধ্যায় ,আচার্য ভগবানচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে সন্ন্যাসী হওয়ার দীক্ষা নিয়ে কালীঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। দর্শনার্থীরা সেই কারণেই এই দুধপুকুরের জলকে ভীষণই পবিত্র বলে মনে করে থাকেন।
বেণীমাধব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি – বাবা লোকনাথের মন্দিরের ঠিক উলটোদিকেই রাস্তার অপরপারেই বেণীমাধব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িটি রয়েছে। লোকনাথের বাল্যবন্ধু ছিলেন এই বেণীমাধব। দুজনে শৈশবে একে অপরের ছায়াসঙ্গীর মতো ছিলেন বলা যায়। ১২ বছর বয়সে লোকনাথ এবং বেণীমাধব দুজনেই আচার্য ভগবানচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে দীক্ষা নিয়ে কালীঘাট চলে যান। বেণীমাধবের এই বাড়িটি খুব বেশি সংস্কার করা হয়নি, টিনের ছাউনি দেওয়া মাটির এই বাড়িটির প্রাচীন ধাঁচটিকেই মন্দির কর্তৃপক্ষ বজায় রেখেছেন।
ভগবানচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি – কচুয়া ধামের মন্দির প্রাঙ্গনে ঢোকবার প্রায় মুখেই লোকনাথ বাবা এবং বেণীমাধবের আধ্যাত্মিক গুরু ভগবান গাঙ্গুলির বাড়ি যাওয়ার রাস্তা। একটি তোরণদ্বার দিয়ে সেই রাস্তায় প্রবেশ করে কিছুদূর গেলেই পাওয়া যাবে সেই বাড়ি। ভগবান গাঙ্গুলির আদিবাড়িটি একেবারেই জঙ্গলাকীর্ণ এবং তার অবস্থা খুব শোচনীয়। বরং সামনের দিকের বাড়ির অংশটি অপেক্ষাকৃত মজবুত রয়েছে।
এছাড়াও কচুয়া ধামের আশেপাশে দেখবার মতো যা রয়েছে, সেগুলির মধ্যে অন্যতম হল চাকলা ধাম, দ্বাদশ কালী মন্দির, রাধাকৃষ্ণের মন্দির, চন্দ্রকেতুগড় ইত্যাদি।
কচুয়া ধামে কখন যাবেন
কচুয়া ধামে লোকনাথ বাবার জন্মতিথি অর্থাৎ জন্মাষ্টমী এবং তিরোধানের সময় অসংখ্য দর্শনার্থীর ভিড় হয়। যদি এই ভিড় এড়িয়ে চলতে হয় তবে উক্ত দুটি দিন বাদ দিয়ে কচুয়া ধামে যেতে হবে। সারাবছরই এখানে প্রচুর লোকসমাগম হয়। তবে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অর্থাৎ শীতকালের আরামদায়ক আবহাওয়ায় এই গ্রাম্য প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘুরতে এলে তা আনন্দদায়ক হবে।
কচুয়া ধামে কী খাবেন
কচুয়া ধামে মন্দিরে প্রতিদিন ভোগ খাওয়ার বিশেষ আয়োজন করা হয়। মাটিতে বসে যেমন খাওয়ার বন্দোবস্ত আছে তেমনি বেঞ্চে বসে খাওয়ারও জায়গা রয়েছে সেখানে। তবে মনে রাখতে হবে যে, দুপুর বারোটার মধ্যেই ভোগের কুপন সংগ্রহ করে নিতে হবে। প্রতিটি কুপনের মূল্য ৬০ টাকা। সাড়ে বারোটা থেকে তিন-চার দফাতে এই ভোগ খাওয়ানো হয়ে থাকে। কেউ যদি বসে ভোগ খেতে না চান তাহলে ভোগ কিন্তু পার্সেল করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
কচুয়া ধামে কী কিনবেন
কচুয়া ধামে কেনাকাটা বলতে মন্দির চত্বরের বা তার আশেপাশের মনিহারির দোকান থেকে মাটি এবং মার্বেল দিয়ে তৈরি ছোট-বড় লোকনাথ বাবার মূর্তি, লকেট, চাবির রিং ইত্যাদি কিনতে পারেন।
সতর্কতা ও পরামর্শ
- কচুয়া ধামের এই মন্দির সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৩টে থেকে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে শীতকালে সন্ধে সাড়ে ৭টার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
- মন্দিরের ভিতরে পার্কিংয়ের আলাদা জায়গা আছে এবং গাড়ি অনুযায়ী পার্কিং চার্জও ভিন্ন ভিন্ন। দুচাকার গাড়ি অর্থাৎ বাইকের জন্য পার্কিং চার্জ ১০টাকা, তিন চাকার গাড়ির জন্য ২০টাকা এবং চারচাকার গাড়ির জন্য ৪০টাকা এবং তবে বাস জাতীয় বড় গাড়ির পার্কিংয়ের জন্য লাগবে ৫০টাকা।
- মন্দিরে ১২টা পর্যন্ত ভোগের কুপন দেওয়া হয়। প্রতিটি কুপনের মূল্য ৬০টাকা।
- কেউ বসে ভোগ খেতে না চাইলে তা পার্সেল করে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
- সুন্দর গাছপালা ঘেরা পরিস্কার, পরিচ্ছন্ন মন্দির প্রাঙ্গনটিকে নোংরা করবেন না। জঞ্জাল ডাস্টবিনে ফেলবেন। দুধপুকুরের জলেও কোনোরকম প্লাস্টিক বা অন্য কোনো বর্জ্য পদার্থ ফেলে তাকে নোংরা করবেন না, অন্যথায় জরিমানা হতে পারে।
সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২৪
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


Leave a Reply to Tanmay GiriCancel reply